নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, বুধবার ১২ জুন ২০১৯, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ৮ শাওয়াল ১৪৪০
ইটভাটার আগুনে পুড়ছে নদী
নদী মরে গেলে উজানের পানি ও বৃষ্টির পানি গ্রাম-শহর-ফসলের মাঠ ভাসিয়ে দেবে, জলাবদ্ধতা হবে এবং সর্বশেষ সাগরে চলে যাবে। এতে রাস্তার স্থায়িত্ব কমে যাবে। বর্ষা শেষ হতেই মৃতপ্রায় নদীগুলো পানিশূন্য হয়ে পড়বে। ভূগর্ভে যথেষ্ট পানি প্রবেশ করতে পারবে না। পানির স্তর ক্রমেই নিচে নেমে যাবে। চাষাবাদ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ক্রমে মরুকরণ প্রক্রিয়া এগিয়ে যাবে। এমনি আরো অনেক কারণ রয়েছে এ কথা বলার যে নদী বাঁচলেই দেশ বাঁচবে। বাংলাদেশ ধীরে ধীরে সেদিকেই এগোচ্ছে। অথচ আমাদের প্রশাসন তা বিশ্বাস করে না এবং নদী দখল ও ভরাটের মহোৎসব থামাতে কার্যকর পদক্ষেপ নেয় না। সংবাদমাধ্যেমে প্রকাশিত খবর থেকে জানা যায়, খুলনা জেলায় নদীর চর ও নদী ভরাট করে বৈধ ও অবৈধ কয়েক শ ইটভাটা গড়ে উঠেছে। সঙ্গে প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, ভরাট করতে করতে একেকটি ইটভাটা কিভাবে ধনুকের মতো বেঁকে নদীর মাঝ বরাবর চলে গেছে। এই চিত্র দেখার পর কেউ কি বিশ্বাস করবেন, সেখানে প্রশাসন বলে কোনো কিছুর অস্তিত্ব আছে? প্রকাশিত খবর থেকে জানা যায়, খুলনা জেলা প্রশাসন ১১৭টি ইটভাটার লাইসেন্স দিয়েছে। পরিবেশ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, জেলায় ইটভাটা রয়েছে ১৪২টি। সম্ভবত তারা ১৪২টি ইটভাটার ছাড়পত্র দিয়েছে। বাস্তবে ইটভাটা রয়েছে তার চেয়ে অনেক বেশি এবং সবই অবৈধ। মালিকরা প্রভাবশালী হওয়ায় কোনো অবৈধ ইটভাটাই বন্ধ হয় না। তারা এসংক্রান্ত আইনের কোনো তোয়াক্কাও করে না। জানা যায়, তারা নদীতে বিশেষ কায়দায় বাঁধ তৈরি করে। পরে সেখানে প্রচুর পলি জমা হয় ও নদী ভরাটের কাজ সহজ হয়ে যায়। অনেক সময় এসব পলি ইট তৈরিতেও ব্যবহৃত হয়। ইট পরিবহণকারী ট্রাক চলাচলের কারণে স্থানীয় অনেক রাস্তাই চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। কয়লা ব্যবহারের বাধ্যবাধকতা থাকলেও অনেক ভাটায়ই দেদার কাঠ পোড়ানো হচ্ছে। ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন ২০১৩ অনুসারে লোকালয়, বন ও সড়ক থেকে নির্দিষ্ট দূরত্বে ভাটা স্থাপন করার কথা থাকলেও প্রায় কেউই তা মানছে না। কিন্তু আইনের যথাযথ প্রয়োগও নেই। এ অবস্থায় সরকারকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে_সরকার দেশ, দেশের পরিবেশ ও নদী বাঁচাবে, নাকি কিছু প্রভাবশালী মানুষকে সব ধ্বংস করে বিত্তশালী হওয়ার সুযোগ করে দেবে। আমরা চাই, খুলনার প্রশাসন এত নির্বিকার না থেকে ভাটাগুলোর বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিক।
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীজুন - ২০
ফজর৩:৪৩
যোহর১২:০০
আসর৪:৪০
মাগরিব৬:৫১
এশা৮:১৬
সূর্যোদয় - ৫:১১সূর্যাস্ত - ০৬:৪৬
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
২৮৫৫.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.