নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, বুধবার ১৩ জুন ২০১৮, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫, ২৭ রমজান ১৪৩৯
ঈদযাত্রায় দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুট
ভোগান্তির কারণ হতে পারে সিরিয়ালের নামে চাঁদাবাজি
গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) থেকে আবু কালাম আজাদ
ঈদকে সামনে রেখে ঢাকা-খুলনা মহসড়কের দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া ফেরিঘাটে টানা যানজট, ফেরি ও নদীর নাব্যতা সংকট আর সিরিয়ালের নামে চাঁদাবাজির বিড়ম্বনা। প্রতি ঈদেই দেশের দক্ষিণবঙ্গের ২১টি জেলার গুরুত্বপূর্ণ দৌলতদিয়া এই ঘাটটি হয়ে ওঠে ছিনতাইকারী আর ঠগবাজদের অভয়ারণ্যে। ঘরমুখো যাত্রীদের পকেট কেটে আদায় করা হয় অতিরিক্ত বাস ভাড়া। এবার এই মহসড়কের ঈদযাত্রায় ভোগান্তি বাড়াতে পারে অসংখ্য খানাখন্দ। রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ ও কুষ্টিয়া এলাকায় খানাখন্দ বেশি। বৃষ্টিপাত হলেই এসব খানাখন্দে পানি জমে বিঘ্ন ঘটবে যাত্রীবাহী যান চলাচলে সৃষ্টি হবে যানজট।

এভাবে চলতি পথে ও ফেরিঘাটে যানজটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থেকে ভোগান্তির পর ঈদে গন্তব্যে পৌঁছাতে হবে যাত্রীদের। ফলে এবারও ঈদে বাড়ি ফেরার পথে দুর্ভোগের আশাঙ্কা করছেন যাত্রী ও যান চালকরা। যদিও এবার এই রুটে যানবাহনের অতিরিক্ত চাপ ও যানজট নিরসনে পর্যাপ্ত ফেরি ও বিশেষ ট্রাফিক ব্যবস্থাসহ যাত্রদের জন্য বিশেষ নিরাপত্ত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে দাবি করেছে সংশ্লিষ্টরা কর্তৃপক্ষ। যশোরগামী বাস চালক মো. রফিক মোল্লা জানান, প্রতি বছর ঈদে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া ফেরিঘাটে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। ফেরি স্বল্পতা, নাব্যতা সংকট, তীব্র স্রোতের কারণে ঘাটে সমস্যার সৃষ্টি হয়। ঈদের এই রুটে পরিবহণের সংখ্যা বেড়ে যায় স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে কয়েকগুণ।

যে কারণে ঘাট এলাকায় যানবাহনের চাপে যানজট সৃষ্টি হয়। এতে করে পারাপারের সবার ভোগান্তি পোহাতে হয়। ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা গোল্ডেনলাইন পরিবহণের যাত্রী আব্দুল সালাম দৈনিক জনতাকে জানান, ফেরিঘাটে প্রতিবছরই ভোগান্তি পোহাতে হয়। ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে আটকে থেকে যাত্রীদের সীমাহীন ভোগান্তি পোহাতে হয়। ঘাট কর্তৃপক্ষ যদি সঠিকভাবে ব্যববস্থা নেয় তাহলে দুর্ভোগ কম হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তবে নির্বিঘ্নে বাড়ি ফেরা যাবে কিনা তা নিয়ে আমাদের মনে সংশয় রয়েছে। ঈদের সময় আরও ফেরি বাড়ানো উচিত বলে মনে করেন তিনি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে কোনো রকম ঝামেলা ছাড়াই ঈদে ঘরমুখো মানুষ নির্বিঘ্ন বাড়ি পৌঁছাতে পারবে। ঘাটে কাউকে যাতে দুর্ভোগ পোহাতে না হয় তার জন্য আগে থেকেই গ্রহণ করা হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। বাংলদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহণ কর্পোরেশনের (বিআইডাবিস্নউটিসি) মো. সফিকুল ইসলাম জানান, এবারের ঈদে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া রুটে ৯টি রো রো, ৬টি ইউটিলিটি ও ৪টি কেটাইপ ফেরি দিয়ে যাত্রী পারাপার করা হবে। ফেরি বিকল হলে তা মেরামতের জন্য প্রস্তুত রয়েছে ভাসমান কারখানা মধুমতিতে। এ ছাড়া ঈদের আগে ও পরে মোট ৬ দিন অত্যাবশ্যকীয় শিশুখাদ্য ও কাঁচামালের ট্রাক ছাড়া সব পণ্যবাহী ট্রাক পারাপার বন্ধ থাকবে।

এতে করে যাত্রীবাহী বাস পারাপারে কোনো সমস্যা হবে না। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহণ কর্তৃপক্ষের (বিআইডাবিস্নউটিএ) আরিচা কার্যালয়ের নদী ও বন্দর কর্মকর্তা শেখ মো. সেলিম রেজা জানান, ঈদে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া ও আরিচা কাজিরহাট রুটে মোট ৩৩টি লঞ্চ দিয়ে যাত্রী পারাপার করা হবে। নদীতে স্রোত না থাকায় ঈদের যাত্রী পারাপারে তেমন ভোগান্তি হবে না বলে মনে করেন তিনি। তিনি আরও জানান, এই রুটে স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন প্রায় ৫ হাজার যানবাহন পারাপার করা হয়। কিন্তু ঈদে এর সংখ্যা বেড়ে যায় দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ। এবারের ঈদের ছুটি কম থাকায় চাপ একটু বেশি হবে বলে মনে করেন তিনি। এ দিকে বাস-লঞ্চে অতিরিক্ত ভাড়া ও যাত্রী বহন রোধ ঘাট এলাকায় একাধিক ভ্রাম্যমাণ আদালত কাজ করছেন বলে জানিয়েছেন, গোয়ালন্দ উপজেলা নিবাহী কর্মকর্তা আবু নাসার উদ্দিন জানান, কোনো অনিময় চোখে পড়লেই ভ্রাম্যমাণ আদালতে শাস্তি ও জরিমানা প্রদান করা হবে।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীনভেম্বর - ১৯
ফজর৫:১৫
যোহর১১:৫৬
আসর৩:৪০
মাগরিব৫:১৯
এশা৬:৩৬
সূর্যোদয় - ৬:৩৫সূর্যাস্ত - ০৫:১৪
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৫০৩৮.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.