নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, বুধবার ১৩ জুন ২০১৮, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫, ২৭ রমজান ১৪৩৯
ঢাকার নিয়তি যানজট
ঢাকার যানজট এখন আর খবরের বিষয় নয়, এটা নিয়তি। এই নিয়তিকে মেনে নিয়েই চলতে হয় রাজধানীর বাসিন্দাদের। যানজটের মাত্রার কিছু হেরফের অবশ্যই হয়, যেমন_সকাল-সন্ধ্যা অফিসে যাওয়ার সময় বা অফিস থেকে বাড়ি ফেরার সময়, দুপুরে স্কুল-কলেজ ছুটির সময় মাত্রা বেশি থাকে। রোজার মাসে দুপুর-সন্ধ্যার সাময়িক মাত্রা হরাসের বিষয়টিও থাকে না। রাশ আওয়ারে মতিঝিল থেকে উত্তরা যেতে তিন ঘণ্টা সময় ধরে নিতে হয়। এখন লাগছে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা। গুলিস্তান থেকে মিরপুর-১২ যেতে লাগে দেড়-দুই ঘণ্টা, এখন লাগছে সাড়ে তিন ঘণ্টা। কিছু পয়েন্টে আধাঘণ্টা বা ৪০ মিনিট অনড় বসে থাকতে হয়। ভ্যাপসা গরমে সিদ্ধ হতে হতে অপেক্ষায় থাকতে হয়। রোজার মাসে, সাধারণত ১৫ রোজার পরে দুপুর দেড়টা বা ২টা থেকে দুঃসহ যানজট তৈরি হয়, যা থেকে ইফতারের আগে পর্যন্ত মুক্তি নেই। রাত ৮টার দিকে আবার যান চলাচলে জট বাঁধে, চলে রাত ১২টা পর্যন্ত।

ঢাকায় গাড়ির সংখ্যা (বিশেষ করে ব্যক্তিগত গাড়ি) ক্রমবর্ধমান, ফলে রাস্তায় চাপ বাড়ছেই। বিভিন্ন আকৃতি-প্রকৃতির যান থাকায় গতির সমতা রক্ষা করা যায় না। চালক, যাত্রী বা পথচারীর মধ্যে আইন অমান্যের ঝোঁক রয়েছে; মান্য করানোর ব্যাপারে ট্রাফিক পুলিশ তেমন তৎপর নয়। ঈদ উপলক্ষে কেনাকাটা করতে বের হওয়া মানুষের বাড়তি চাপও রয়েছে। বাস নির্দিষ্ট স্থানে থামে না। গাড়িগুলোর বেশির ভাগ ইচ্ছামতো এদিক-ওদিক দিয়ে বের হওয়ার চেষ্টা করে। এসব কারণে যানজট আরো বাড়ে। কোথাও দুর্ঘটনা (ছোট বা বড়) ঘটলে তো কথাই নেই। অনেক রাস্তায় যানজটের কারণ খানাখন্দ। কোনো রুটে মেট্রো রেলের কাজ চলছে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান রাস্তা কেটে তাদের সার্ভিস লাইন সারাচ্ছে, রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি চলছে। অবশ্য ঢাকার রাস্তায় কাটাকাটি-খোঁড়াখুঁড়ি সারা বছর ধরেই চলে। এসবের ফলে যানজট বাধে। ফুটপাতের ওপর দোকানপাট, মার্কেটগুলোতে পার্কিং স্পেস না থাকা_ঢাকায় যানজটের কারণ বলে শেষ করা যাবে না। ম্যানুয়াল ট্রাফিক কন্ট্রোলও বড় একটি সমস্যা, সঙ্গে রয়েছে কিছু অসাধু ট্রাফিক পুলিশের গাড়ি আটকে সালামি জোগাড়ের ধান্দা। সার্বিকভাবে বিবেচনা করে দেখলে বলতে হয়, নগর ব্যবস্থাপনায় সমন্বয়হীনতাই যানজট নামক অভিশাপের মূল কারণ। এ অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটাতে হলে রাস্তার পাশ ঘেঁষে মার্কেট, শপিং মল, হাসপাতাল ও রেস্তোরাঁ বসানো বন্ধ করতে হবে। সেবা সংস্থাগুলোকে সমন্বয় করে কাজ করতে হবে। ব্যক্তিগত পরিবহণের চেয়ে গণপরিবহণ ব্যবস্থায় নজর বেশি দিতে হবে। ডিজিটাল ট্রাফিক কন্ট্রোল সিস্টেম পুরোদমে চালু করতে হবে। যত দ্রুত এদিকে নজর দেয়া হবে ততই মঙ্গল।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীনভেম্বর - ১৪
ফজর৫:১১
যোহর১১:৫৩
আসর৩:৩৮
মাগরিব৫:১৭
এশা৬:৩৪
সূর্যোদয় - ৬:৩২সূর্যাস্ত - ০৫:১২
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৪৯৭০.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.