নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, বৃহস্পতিবার ১৪ জুন ২০১৮, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫, ২৮ রমজান ১৪৩৯
কমলগঞ্জে ধলাই প্রতিরক্ষা বাঁধে ২টি ভাঙন ১২০০ পরিবার পানিবন্দি
মৌলভীবাজার প্রতিনিধি
টানা দুই দিনের বৃষ্টিতে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানিতে মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার শরীফপুরে মনু নদীর পানি অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়ে বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সাথে সাথে কমলগঞ্জে ধলাই নদীরও পানি অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পেয়ে বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ২টি স্থানে বাঁধ ভেঙে পানি প্রবেশ করছে লোকালয়ে ও ফসলি জমিতে। কমলগঞ্জ উপজেলার ৪টি ইউনিয়নে ধলাই প্রতিরক্ষা বাঁধের ৯টি স্থান ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। অবস্থার আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সৃৃষ্ট নিম্ন চাপের কারণে গত দুদিন যাবত অবিরাম বৃষ্টির ফলে মঙ্গলবার ভোর থেকে মনু ও ধলাই নদের পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। মঙ্গলবার দুপুরে শরীফপুর ইউনিয়ন কার্যালয় সংলগ্ন মনু সেতু এলাকায় পানি বিপদ সীমার ২৫ সে:মি: উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। উজান থেকে নেমে আসা পাহিাড়ি ঢলের পানির সস্রতের আঘাতে মনু সেতু সংলগ্ন প্রতিরক্ষা বাঁধের উপর স্থাপিত বালির বস্তা ভেসে যেতেও শুরু করে। ঝুঁকিপূর্ণ মনু সেতুর উত্তর দিকের গাছের পাইলিংও ভেঙে যেতে শুরু করেছে। মঙ্গলবার বেলা আড়াইটায় কমলগঞ্জের ধলই সেতু এলাকায় ধলাই নদের পানি বিপদ সীমার অনেক উপর দিয়ে প্রাবহিত হয়। কমলগঞ্জে কর্মরত পানি উন্নয়ন বোর্ডের পর্যবেক্ষক আব্দুল আউয়াল জানান, এখানে ধলাই নদীর পানি বিপদ সীমার ২৫ সে:মি: উপর দিয়ে প্রাবাহিত হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, যেভাবে অবিরাম বৃষ্টি হচ্ছে ও তাতে ধলাই নদীতে আরও পানি বেড়ে যাবে। মঙ্গলবার বেলা আড়াইটায় কমলগঞ্জ পৌরসভার ১নং ওয়াডের্র করিমপুর গ্রাম এলাকায় ধলাই প্রতিরক্ষা বাঁধ ভেঙ্গে পানি প্রবেশ করছে লোকালয়ে ও ফসলি জমিতে। দ্রুত গতিতে পানি বেড়েই চলেছে। কমলগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মো. জুয়েল আহমদ এ ভাঙ্গনের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন এর ফলে এ গ্রামের আড়াই'শ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

অপরদিকে মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৪টায় কমলগঞ্জ উপজেলার মুন্সীবাজার ইউনিয়নের সুরানন্দপুর গ্রামে ধলাই প্রতিরক্ষা বাঁধে প্রায় ১০০ ফুট এলাকার একটি নতুন ভাঙ্গন সৃষ্টি হয়। এ ভাঙ্গনে ধলাই নদেও পানি দ্রুত গতিতে গ্রামে ও ফসলি জমিতে প্রবেশ করছে। ফলে সুরানন্দপুর গ্রামে নতুন করে আরও ২৫০ পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়ে। সব মিলিয়ে কমলগঞ্জ পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের করিমপুর ও মুন্সীবাজার ইউনিয়নের সুরানন্দপুর গ্রামে ৫০০ পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। এ পানি আবার আরও দুটি ইউনিয়নের কম পক্ষে ১০টি গ্রামকে পাবিত করবে। দুটি ভাঙন দিয়ে পানি প্রবেশ করায় কমলগঞ্জ মৌলভীবাজার সড়কের করিমপুর ও সুরানন্দপুর এলাকা ২ ফুট পানিতে নিমজ্জিত হয়।কমলগঞ্জ উপজেলার মাধবপুর, ইসলামপুর কমলগঞ্জ সদর ও আদমপুর ইউনিয়নে ধলাই প্রতিরক্ষা বাঁধের ৯টি স্থান ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে। মাধবপুর ইউনিয়নের হীরামতি এলাকায় ধলাই নদীর পুরানো ভাঙন দিয়ে পানি বের হচ্ছে। কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহমুদুল হক ও কমলগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মো: জুয়েল আহমদ মঙ্গলবার বিকাল পৌনে ৫টায় সুরানন্দপুর নতুন ভাঙ্গন এলাকা ও করিমপুর এলাকা পরিদর্শন করেছেন। পানি উন্নয়ন বোর্ড মৌলভীবাজারের নির্বাহী প্রকৌশলী রনেন্দ্র শংকর চক্রবর্তী ধলাই নদীর বিপদ সীমার ৩৮ সে:মি: ও চাতলাপুর সেতু এলাকায় মনু নদী বিপদ সীমার ৮০ সে:মি: উপর দিয়ে পানি প্রবাহিতের সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি আরও বলেন, কোন বরাদ্দ না থাকার পরও নিজ দায়িত্বে এই দুটি নদীর ঝুঁকিপূর্ণ প্রতিরক্ষা বাঁধে ইতিপূর্বে প্রায় ৮ কোটি টাকারও সংস্কার কাজ করেছিলেন। দুটি নদীই পাহাড়ি খরস্রোতা বলেই এখানে পানির স্রােতোর আঘাত বেশী হয়। এজন্য প্রতিরক্ষা বাঁধ ভেঙে যায়।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীআগষ্ট - ১৯
ফজর৪:১৬
যোহর১২:০৩
আসর৪:৩৭
মাগরিব৬:৩২
এশা৭:৪৮
সূর্যোদয় - ৫:৩৫সূর্যাস্ত - ০৬:২৭
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৬৪৯৫.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.