নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, সোমবার ১৮ জুন ২০১৭, ৪ আষাঢ় ১৪২৪, ২২ রমজান ১৪৩৮
মাদকের স্বর্গরাজ্য বিজয়নগরে ধ্বংস হচ্ছে যুবসমাজ
বিজয়নগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) থেকে মো. সরুয়ার হাজারী
বিজয়নগর মাদকের স্বর্গ রাজ্যে পরিণত হচ্ছে। ভয়াল থাবায় ধ্বংস হচ্ছে যুবসমাজ। হাত বাড়ালেই পাওয়া যায় সকল নেশাজাতদ্রব্য। সহজলভ্যতার কারণে আসক্তির সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাদকাশক্তির কারণে সামাজিক ও পারিবারিক জীবনে বাড়ছে কলহ। উপজেলা সদরসহ প্রতিটি ইউনিয়নেই রয়েছে মাদকের আস্তানা। স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের নিয়ে দুশ্চিন্তা রয়েছে অভিভাকরা। দিন দিন ইয়াবা আসক্ত হয়ে পড়ছে যুবসমাজ। বিজয়নগর উপজেলাটি ভারতসীমান্ত ঘেষা পূর্বাঞ্চল মাদক চোরাচালানের ট্রানজিট রুট হিসেবে গড়ে উঠেছে। মাঝে মধ্যে বিজিবি, র‌্যাব ও পুলিশের অভিযানে কিছু মাদদ্রব্য ধরা পড়লেও চোরাচালানের মূল হোতারা রয়ে যায় ধরা ছোঁয়ার বাইরে। চোরাকারবারিরা নিজস্ব লোক দিয়ে মোবাইল ফোনের আশীর্বাদে শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে। এ চক্রের কয়েক শতাধিক সদস্য এ পেশায় সক্রিয় রয়েছে। অধিক লাভবান হওয়ায় দিন দিন এ পেশায় সম্পৃক্ততার সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। উপজেলা সিঙ্গারবীল ইউনিয়নের কাশিনগর, নোয়বাদীসহ, পহাড়পুর ইউনিয়নের দাড়িয়াপুর, দুরানাল, মনিপুর, লক্ষিপুর, বামুটিয়া, কামালমুড়া, সেজামুড়া, শান্তামুড়াসহ বিভিন্ন গ্রামে মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করছে। সীমান্তরক্ষী বাহিনীর চোরাচালান বাণিজ্য পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারছে না। স্থানীয় বিভিন্ন সূত্র জানায়, উপজেলার বিভিন্ন সড়ক দিয়ে দিবা রাত্রি পেনসিডিল, গাঁজা, ইয়াবা, ভারতীয় শাড়ি কাপড় দেশের বিভিন্ন স্থানে পাচার করছে। সুযোগ বুঝে এসব ভারতীয় চোরাই পণ্য ট্রেন, ট্রাক, লাইটেস, সবজি বোঝাই পিকআপ ভ্যান, প্রাইভেটকারযোগে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পাচার করছে। ঐ সিন্ডিকেটের সদস্যরা নিজেরদের সব সময় ধরাছোঁয়ার বাইরে রাখে। গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার মোড়ে মোড়ে তাদের নিয়োজিত সোর্সরা মোটরসাইকেল ব্যবহার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর লোকদের অবস্থান সম্পর্কে গডফাদারদের সিগন্যাল দিলেই মালামাল পাচার করা হয়।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে মাদকের ছোটখাট চালানের সাথে বহনকারীরা ধরা পড়লেও রাঘব বোয়ালরা রয়ে যায় বাইরে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিজিবির এক কর্মকর্তা জানান, সীমান্তে টহল ব্যবস্থা জোরদার তাকলেও লোকবল সঙ্কটের কারণে অনেক এলাকাই অরক্ষিত থাকে। এ সুযোগে চোরাকারবারিরা সুযোগ বুঝে দেশের অভ্যন্তরে মাদক নিয়ে আসে। তবে আমরা প্রায়ই মদ, গাঁজা, আটক করি। পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি, সাদা পোশাকধারি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সর্বোপরি মাদকনিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের চোখ ফাঁকি দিয়ে মাদকের ব্যাপকতায় ভাবিয়ে তুলেছে সচেতন মহলকে।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীআগষ্ট - ২২
ফজর৪:১৮
যোহর১২:০২
আসর৪:৩৫
মাগরিব৬:৩০
এশা৭:৪৫
সূর্যোদয় - ৫:৩৬সূর্যাস্ত - ০৬:২৫
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
২৫৫৮.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.