নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, সোমবার ১৮ জুন ২০১৭, ৪ আষাঢ় ১৪২৪, ২২ রমজান ১৪৩৮
রফতানি বাণিজ্যে নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা প্রয়োজন
রেজাউল করিম খোকন
রফতানি আয়ের উচ্চাভিলাসী লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও শেষ পর্যন্ত সেই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হবে না। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য রফতানি আয় বাড়ানোর বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে আরও অনেক আগেই। এ জন্য নানা ধরনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। বিশেষ করে গার্মেন্টসখাতে রফতানি প্রবৃদ্ধির ব্যাপারে অনেকটাই আশাবাদী ছিলেন সবাই। কিন্তু বাস্তবতা হলো ভিন্ন। গার্মেন্টসখাতে রফতানির প্রবৃদ্ধি হলেও লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হচ্ছে না। এটা দেশের অর্থনীতির জন্য এক ধরনের নেতিবাচক ফলাফল বয়ে আনতে চলেছে। দেশের রফতানি আয় ক্রমেই নেতিবাচক দিকে ধাবিত হচ্ছে। ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরের রফতানি আয়ের যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল, তা অর্জন এখন অনেকটাই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। যা প্রায় অসম্ভব ব্যাপার বলে অভিহিত করছেন সংশ্লিষ্ট মহল। ২০১৬-১৭ অর্থবছরের একেবারে শেষ প্রান্তে পৌঁছে গেলেও বাংলাদেশের রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণের প্রত্যাশিত গন্তব্যে পৌঁছানো সম্ভব হবে না। এ অবস্থা চলতে থাকলে ২০২১ সালের মধ্যে ৬০ বিলিয়ন ডলারের যে রফতানি আয়ের রূপকল্প প্রদান করা হয়েছে তা স্রেফ কল্পনাতেই রয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) সর্বশেষ পরিসংখ্যান থেকে জানা গেছে, চলতি অর্থবছরের শেষ ১১ মাসে অর্থাৎ ২০১৬-১৭ এর জুলাই থেকে মে সময়ে রফতানি আয়ে প্রবৃদ্ধি হলেও লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি। এ সময়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ও ৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ। আয় হয়েছে ৩ হাজার ১৭৯ কোটি ডলার, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৪ দশমিক ৬৮ শতাংশ কম। আর লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩ হাজার ৩৩৫ কোটি ডলার। চলতি জুন মাসে যে পরিমাণ রফতানি আয় হবে তা দিয়ে পুরো অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ঘাটতি অতিক্রম করা একেবারেই অসম্ভব। কারণ এ লক্ষ্যমাত্রা পূরণের জন্য জুন মাসে রফতানি আয় করতে ৫২১ কোটি ডলার। অথচ গত ১১ মাসের গড় আয় হয়েছে ২৮৯ কোটি ডলার। গড় আয় হিসেবে চলতি মাসের অর্থাৎ জুন মাসের রফতানি ভালো থাকলেও চলতি অর্থবছরের সাময়িক লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ঘাটতি যাবে প্রায় ২০০ কোটি ডলারের বেশি। রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর পরিসংখ্যানে আরও দেখা গেছে, একক মাস হিসেবে গত মে মাসে রফতানি আয়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১ দশমিক ৩৯ শতাংশ। এ সময় রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৩৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার। অথচ এ সময়ে আয় হয়েছে ৩০৬ কোটি ৯০ লাখ ডলার। এ আয় নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৮ দশমিক ৫২ শতাংশ কম। সব হিসাব বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, অলৌকিক কিছু না ঘটলে এবার রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে না, এটা প্রায় নিশ্চিত। দেশের প্রধান রফতানি আয় তৈরি পোশাকখাত থেকেই আসে। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে গত ১১ মাসে এ খাতে ২ দশমিক ১৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হলেও লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হয়নি। গত ১১ মাসে মোট আয় হয়েছে ২ হাজার ৫৬২ কোটি ডলার। আর রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২ হাজার ৭৩৮ কোটি ডলার। এ আয় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৬ দশমিক ৪৩ শতাংশ কম। এ সময় নিট পোশাকে রফতানি আয় হয়েছে ১ হাজার ২৫০ কোটি ডলার। এ আয় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২ দশমিক ০৯ শতাংশ কম। এ সময় নিট পোশাকের রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ হাজার ২৭৭ কোটি ডলার। প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৪ দশমিক ৯১ শতাংশ। ওভেন পোশাকে রফতানি আয় হয়েছে ১ হাজার ৩১২ কোটি ডলার। এ আয় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১০ দশমিক ২১ শতাংশ কম। এ সময় রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ১ হাজার ৪৬১ কোটি ডলার।

বাংলাদেশের তৈরি পোশাকখাত গত ৩৫ বছরের মধ্যে সবচেয়ে কঠিন সময় অতিক্রম করছে বলা যায়। বিশ্ববাজারে প্রতিযোগী দেশগুলোর সঙ্গে সক্ষমতা হারাচ্ছে বাংলাদেশ। এতে রফতানি আয়ে ধারাবাহিকভাবে নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি হচ্ছে। তবে নিট পোশাকে সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা থাকায় এ খাতে রপ্তানি আয় এখনও অনেকটা ভালো। গত কয়েক মাসের পরিসংখ্যান অনুসারে দেশের রফতানি প্রবৃদ্ধি ধারাবাহিকভাবে নেতিবাচক দিকেই যাচ্ছে। ফলে ২০২১ সালে ৬০ বিলিয়ন ডলার রফতানি আয়ের যে লক্ষ্যমাত্রা সরকার নির্ধারণ করেছে তা অর্জন অনেকটাই অসম্ভব। ইউরোপ আমেরিকার ক্রেতাদের পোশাকের চাহিদা কিছুটা কমতির দিকে রয়েছে। এ ছাড়া পোশাকের দাম অনেক কমে গেছে। তবে পোশাক রফতানির পরিমাণ কিছুটা বেড়েছে। তৈরি পোশাক কারখানাগুলো এই বাড়তি পোশাক তৈরি করে কোনোভাবে টিকে আছে। আগামী এক বছরে রফতানির বড় পরিবর্তন হওয়ার সুযোগ কম। এ সময় রফতানি প্রবৃদ্ধি ৫ শতাংশের ওপরে নিয়ে যাওয়া খুব কঠিন হবে বলে এ খাত সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের অভিমত।

ওদিকে দ্বিতীয় শীর্ষ রপ্তানিখাত চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যে ১১২ কোটি ডলারের রপ্তানি আয় হয়েছে। এ ক্ষেত্রে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৯ দশমিক ১৭ শতাংশ। অন্যান্য খাতে রপ্তানি বাড়ানোর প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। বর্তমান অবস্থায় রপ্তানি পণ্যে বহুমুখীকরণসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশি পণ্যের নতুন বাজার সৃষ্টির উদ্যোগ এখন জরুরি হয়ে পড়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বাজারে অব্যাহতভাবে রপ্তানি পণ্যের দাম কমতে থাকায় নতুন বাজারে পণ্য রপ্তানি বাড়ানোর চেষ্টা করছে উদ্যোক্তারা। এ ছাড়া নতুন বাজারে সরকার ৩ শতাংশ প্রণোদনা দেয়ার ফলে চীন, ভারত এবং রাশিয়ার মতো দেশগুলোতে রপ্তানি আয় বাড়ছে। রাশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্য ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। চলতি ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে গত জুলাই-মে মেয়াদে দেশটিতে ২৪ কোটি ৫০ লাখ ডলার অর্থাৎ ১ হাজার ৯৭৩ কোটি ৬৯ লাখ টাকার পণ্য রপ্তানি করা হয়, যা ২০১৫-১৬ অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৩৩ দশমিক ৫৩ শতাংশ বেশি। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে রাশিয়ায় মোট ৩১ কোটি ৫০ লাখ ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছিল বাংলাদেশ। এর মধ্যে ঐ বছরের জুলাই-মে মেয়াদে চীনে পণ্য রপ্তানিতে বাংলাদেশের আয় হয়েছিল ২৮ কোটি ২৫ লাখ ১০ হাজার ডলার। ২০১৬-১৭ অর্থবছরের জুলাই-মে মেয়াদে চীনে ৮৮ কোটি ১৬ লাখ ৭০ হাজার ডলার অর্থাৎ ৭ হাজার ১১১ কোটি ৫১ লাখ টাকার পণ্য রপ্তানি করা হয়, যা ২০১৫-১৬ অর্থ বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ বেড়েছে। প্রচলিত বাজারগুলোয় তৈরি পোশাকের অব্যাহত দরপতন হচ্ছে। এ অবস্থায় দেশের রপ্তানিকারকরা নিরুপায় হয়ে নতুন বাজারের সন্ধানে জোর দিচ্ছেন। ফলে রাশিয়া, ভারত এবং চীনের মতো বাজারগুলোয় সম্প্রতি দেশের রপ্তানি আয় বেড়েছে। তবে নতুন বাজারে সরকারের দেয়া ৩ শতাংশ প্রণোদনা উদ্যোক্তাদের জন্য বেশ সহায়ক হচ্ছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটি সিদ্ধান্তের কারণে সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ থেকে আকাশ পথে পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে বেশ বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে। আকাশপথে কোনো রফতানি পণ্য ইউরোপের ২৮ টি দেশে ঢুকতে পারবে না, বাংলাদেশের পণ্যবাহী কার্গো অন্য কোনো দেশের পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে নিরাপদ বলে প্রমাণিত হওয়ার পর গন্তব্যের দেশে ঢুকতে পারবে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের তেমন সিদ্ধান্ত গ্রহণের ফলে নিরাপত্তার প্রশ্নে বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এবং ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হলে তার নেতিবাচক প্রভাব শেষ পর্যন্ত ব্যবসা বাণিজ্যের ওপরেই পড়বে। আকাশপথে রপ্তানি বাণিজ্যের ক্ষেত্রে যে সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে তার প্রভাবে বছরে ৩০ হাজার ৪০০ কোটি টাকার রপ্তানি বাণিজ্য ঝুঁকির মুখে পড়েছে। এখন আমাদের প্রশ্ন, আকাশ পথে পণ্য পরিবহণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিবেচনায় 'উচ্চ ঝুঁকির দেশ' হিসেবে বিহ্নিত হওয়ার মতো চূড়ান্ত পরিস্থিতি কী করে তৈরি হলো। এর আগে যুক্তরাজ্য, অষ্ট্রেলিয়া ও জার্মানিও নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণ দেখিয়ে বাংলাদেশ থেকে আকাশপথে পণ্য গ্রহণ বন্ধ করেছে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের শর্ত আরোপের ফলে বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্যে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ইতালি, সুইডেন, সুইজারল্যান্ড, ফ্রান্সসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশ থেকে বিপুল পরিমাণ তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়ে থাকে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৮ টি দেশ বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের বড় বাজার। এসব দেশে অস্ত্র ছাড়া সব পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা ভোগ করছে বাংলাদেশ। ২০০১ সাল থেকে এই সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে। ২০১০ সালের পর থেকে যে কোনো দেশের কাঁচামালে উৎপাদিত পণ্য রপ্তানিতে জিএসপি সুবিধাও পাচ্ছে বাংলাদেশ। তৈরি পোশাক খাতের মোট রপ্তানির ৬০ শতাংশেরও বেশি যায় ইউরোপীয় ইউনিয়নভূক্ত বিভিন্ন দেশে। এখন তৃতীয় কোনো দেশে নিরাপত্তা তল্লাশি করতে গেলে আকাশপথে যে ১৫ শতাংশ পণ্য পরিবহণ হয় তার ব্যয় বাড়বে।

শুধু তৈরি পোশাক শিল্পে নয় পাট, কাঁচা পণ্য ও হিমায়িত চিংড়িও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হয়। এখন কার্গো বিমানে পণ্য পরিবহণের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে। সমুদ্রপথেও এ ধরনের বিধিনিষেধ আরোপ করা হতে পারে। এ ধরনের পদক্ষেপ আমাদের রপ্তানি বাণিজ্যের জন্য অশনিসঙ্কেত হয়ে দেখা দিয়েছে। কারণ ইউরোপীয় ইউনিয়ন আকাশ ও নৌপথে বিধিনিষেধ আরোপ করলে অন্যান্য দেশ তা অনুসরণ করবে, এটাই স্বাভাবিক। বাংলাদেশের অর্থনীতির সমৃদ্ধির ধারা এর ফলে হোঁচট খাবে, নিঃসন্দেহে বলা যায়। এখনই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় আনা উচিত।

এমনিতেই দেশের বাণিজ্য বার বার বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছে। নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থ হচ্ছে রপ্তানি বাণিজ্য। এখন ইউরোপীয় ইউনিয়নের শর্ত পূরণ করতে গেলে আরো বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি হবে। রপ্তানি বাণিজ্যের ক্রমহরাসমান প্রবৃদ্ধি যেমন সবাইকে ভাবিয়ে তুলেছে এর পাশাপাশি ইউরোপীয় ইউনিয়নের আরোপিত শর্ত বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্যকে আরও কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। রপ্তানি বাণিজ্যে সৃষ্ট নেতিবাচক প্রভাব থেকে বের হয়ে আসার জন্য তৈরি পোশাক ছাড়াও অন্য প্রধান রপ্তানি পণ্যে সরকারি প্রণোদনার ব্যবস্থা করতে হবে। এছাড়া পুরনো বিদ্যমান বাজারে নিজেদের রপ্তানি বাণিজ্যিকে সীমাবদ্ধ না রেখে নতুন নতুন বাজার খুঁজে বের করে সেখানে রপ্তানির উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। রপ্তানি বাণিজ্যে নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এখন প্রয়োজন সময়োপযোগী কৌশল। যার প্রয়োগে সঙ্কট উত্তরনের পথ খুঁজে পাওয়া সম্ভব।

রেজাউল করিম খোকন ঃ ব্যাংকার

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীসেপ্টেম্বর - ২০
ফজর৪:৩২
যোহর১১:৫৩
আসর৪:১৬
মাগরিব৬:০১
এশা৭:১৩
সূর্যোদয় - ৫:৪৬সূর্যাস্ত - ০৫:৫৬
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
২৮৫৬.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.