নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, মঙ্গলবার ৩০ জুন ২০২০, ১৬ আষাঢ় ১৪২৭, ৮ জিলকদ ১৪৪১
করোনাকালে বন্যায় বিপর্যস্ত জনজীবন ত্রাণ তৎপরতা নেই
স্টাফ রিপোর্টার
দেশে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় সব নদীর পানি। প্লাবিত হয়েছে শতশত গ্রাম। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে লাখ লাখ মানুষ। গৃহহীনরা আশ্রয় নিয়েছে খোলা আকাশের নিচে। অর্ধাহারে, অনাহারে কাটছে অনেকের দিন। করোনার কারণে টানা তিন মাসেরও বেশি সময় ঘরবন্দি থাকার পর নতুন করে দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয়রা। হাতে কাজ না থাকায় বিপাকে পড়েছেন এসব এলাকার মানুষ।

কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। ধরলা ও ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বৃদ্ধি পেয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বিপদসীমার অনেক ওপর দিয়ে। গতকাল সোমবার সকালে ধরলার পানি কুড়িগ্রাম ব্রিজ পয়েন্টে বিপদসীমার ৭৬ সেন্টিমিটার, ব্রহ্মপুত্রের পানি চিলমারী পয়েন্টে বিপদসীমার ৭৭ সেন্টিমিটার ও নুন খাওয়া পয়েন্টে ৬৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। বৃষ্টি আর উজানের ঢলে টাঙ্গাইলের সব কটি নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এর মধ্যে যমুনা, ঝিনাই ও

ধলেশ্বরী নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। গতকাল সোমবার সকাল ৯টায় যমুনা নদীর পানি বিপদসীমার ২৮ সেন্টিমিটার, ধলেশ্বরী নদীর পানি ৪৩ সেন্টিমিটার এবং ঝিনাই নদীর পানি ২১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বন্যার ফলে কুড়িগ্রাম জেলার ১৬টি নদ-নদীর পানি অস্বাভাবিকহারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে করে ৭৩টি ইউনিয়নের মধ্যে ৫০টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়ে প্রায় দেড় লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। করোনার কারণে টানা তিন মাসেরও বেশি সময় ঘরবন্দি থাকার পর নতুন করে দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয়রা। হাতে কাজ না থাকায় বিপাকে পড়েছেন এসব এলাকার বন্যাকবলিত মানুষ।

এদিকে বন্যার কারণে ব্রহ্মপুত্র অববাহিকার গ্রামগুলোতে পানি প্রবেশ করেছে। এতে সকল ধরনের ফসলাদি তলিয়ে গেছে। দেখা দিয়েছে গো-খাদ্যের সংকট। আকস্মিক বন্যায় চরম ঝুঁকিতে রয়েছে শিশু, বৃদ্ধ ও প্রতিবন্ধীরা। বৃষ্টি ও বন্যার ফলে হুমকির মধ্যে রয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সদ্য মেরামত করা প্রতিরক্ষা বাঁধগুলো।

কৃষি সমপ্রসারণ বিভাগ জানিয়েছে, বন্যায় এক হাজার ৬৯২ হেক্টর জমির ফসল নিমজ্জিত হয়েছে। তবে ক্ষতির পরিমাণ তিন হাজার হেক্টর বলে জানান স্থানীয় কৃষক ও ইউপি চেয়ারম্যানরা।

কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রেজাউল করিম জানান, বন্যায় ৩০২ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দের পাশাপাশি ৩৬ লাখ ৬৮ হাজার টাকা উপজেলাগুলোতে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

অপরদিকে বৃষ্টি আর উজানের ঢলে টাঙ্গাইলের সব কটি নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এর মধ্যে যমুনা, ঝিনাই ও ধলেশ্বরী নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। গতকাল সোমবার সকাল ৯টায় যমুনা নদীর পানি বিপদসীমার ২৮ সেন্টিমিটার, ধলেশ্বরী নদীর পানি ৪৩ সেন্টিমিটার এবং ঝিনাই নদীর পানি ২১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

গাইবান্ধা জেলায় নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। গত রোববার সুন্দরগঞ্জ, গাইবান্ধা সদর, ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নের প্রায় সাড়ে তিন হাজার বসতবাড়িতে বন্যার পানি প্রবেশ করেছে। এসব বসতবাড়ির প্রায় ১৩ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। পানিবন্দি মানুষ ব্রহ্মপুত্র বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে আশ্রয় নিয়েছেন। কিন্তু তারা বিশুদ্ধ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন সমস্যায় পড়েছেন। এদিকে ঘাঘট নদীর পানির চাপে শহররক্ষা বাঁধ হুমকির মুখে পড়েছে।

বন্যা কবলিত ইউনিয়নগুলো হচ্ছে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বেলকা, হরিপুর, তারাপুর, কাপাসিয়া, গাইবান্ধা সদর উপজেলার কামারজানি, মোল্লারচর, ফুলছড়ি উপজেলার ফুলছড়ি, এরেন্ডাবাড়ি, কঞ্চিপাড়া, উদাখালী, গজারিয়া, ফজলুপুর, উড়িয়া এবং সাঘাটা উপজেলার সাঘাটা ও হলদিয়া।

গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোখলেছুর রহমান জানান, গত রোববার বিকাল ৩টায় জেলার ফুলছড়ির তিস্তামুখঘাট পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বিপদসীমার ৬৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। অন্যদিকে ঘাঘট নদীর পানি বিপদসীমার ৪১ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এছাড়া তিস্তা ও করতোয়া নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে এবং পানি বৃদ্ধি এ ধারা আরও দুইদিন অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।

তিনি আরও জানান, ঘাঘট নদীর পানির চাপে জেলা শহরের ডেভিট কোম্পানিপাড়া এলাকায় শহররক্ষা বাঁধ হুমকির মুখে পড়েছে। বালুর বস্তা দিয়ে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা চলছে। এছাড়া গত বছরের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধগুলো জরুরিভাবে মেরামত করা হচ্ছে।

ফুলছড়ি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জি এম সেলিম পারভেজ জানান, ফুলছড়ি ইউনিয়নের বাজে ফুলছড়ি নামাপাড়া, পশ্চিম কালুরপাড়া, পেপুলিয়া, গাবগাছি, পূর্ব টেংরাকান্দি, খোলাবাড়ি, দেলুয়াবাড়ি, জামিরা, বাগবাড়ি, খঞ্চাপাড়া গ্রামের অন্তত ৫শ পরিবার ও এরেন্ডাবাড়ী ইউনিয়নের সন্ন্যাসীর চর, মাগরীঘাট, পশ্চিম জিগাবাড়ী, বুলবুলি, পাগলারচরসহ কয়েকটি গ্রামের এক হাজার এবং কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের রসুলপুর, খলাইহারা, পূর্ব কঞ্চিপাড়া, উড়িয়া ইউনিয়নের রতনপুর, কালাসোনা, উত্তর উড়িয়া, উদাখালী ইউনিয়নের পূর্ব সিংড়িয়া, গজারিয়া ইউনিয়নের গলনা, জিয়াডাঙা, ফজলুপুর ইউনিয়নের পূর্ব খাটিয়ামারী, কাউয়াবাধা, উজালডাঙা, কৃষ্ণমনি গ্রামের দুই হাজার পরিবারের বাড়িঘরে পানি প্রবেশ করেছে।

ফুলছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু রায়হান দোলন বলেন, বাঁধে আশ্রয় নেয়া পরিবারগুলোর সার্বক্ষণিক খোঁজখবর রাখছি। বিশুদ্ধ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন সমস্যার সমাধানের জন্য দ্রুত ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

গাইবান্ধা জেলা কৃষি সমপ্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক মাসুদুর রহমান জানান, বন্যার পানিতে জেলায় ৮৫০ হেক্টর জমির পাট, আমন ধানের বীজতলা, শাকসবজি ও আউশ ধানসহ রবি ফসল নিমজ্জিত হয়েছে।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা এ কে এম ইদ্রিশ আলী বলেন, এ পর্যন্ত ৪০ মেট্রিক টন চাল ও নগদ ২ লাখ টাকা বন্যাকবলিত চার উপজেলায় বিতরণের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। স্ব-স্ব উপজেলাগুলো ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে এসব বিতরণ করবে।

এদিকে যমুনা ও পুরাতন ব্রহ্মপুত্রসহ অন্যান্য নদ-নদীর পানি বাড়ছে দ্রুত গতিতে। জেলার ২০টি ইউনিয়নের ১ লাখ ২১ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়েছে। বন্যায় দেওয়ানগঞ্জ ও ইসলামপুর উপজেলায় ১১২টি বসতঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। পানি ঢুকেছে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা পরিষদের।

যমুনা, পুরাতন ব্রহ্মপুত্র, দশানী, জিঞ্জিরাম ও ঝিনাইসহ অন্যান্য শাখা নদ-নদীর পানি বাড়ছে দ্রুত গতিতে। এতে পানি ছড়িয়ে পড়ছে নিম্নাঞ্চলে। ডুবে গেছে বসতবাড়ি, ফসলি জমি ও রাস্তাঘাট।

জামালপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের গেজপাঠক আব্দুল মান্নান জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনার পানি বাহাদুরাবাদ ঘাটে ৩৭ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৬৭ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

ইসলামপুর, দেওয়ানগঞ্জ, মেলান্দহ, মাদারগঞ্জ ও সরিষাবাড়ী উপজেলার ২০টি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। বন্যা কবলিত এলাকার মানুষ বসতবাড়ি ছেড়ে ছুটছেন আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে। অনেকেই আশ্রয় নিয়েছে উঁচু বাঁধ, সড়ক, সেতুর উপর।

দেওয়ানগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুলতানা রাজিয়া জানান, উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন বন্যায় প্লাবিত হয়েছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য ৯৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আশ্রয় কেন্দ্র হিসেবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। জেলা প্রশাসকের নির্দেশে সার্বক্ষণিক বন্যাকবলিত এলাকায় খোঁজ নেয়া হচ্ছে।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা নায়েব আলী জানান, ইসলামপুর, দেওয়ানগঞ্জ, মেলান্দহ, মাদারগঞ্জ ও সরিষাবাড়ী উপজেলার ২০ ইউনিয়নের ৩১ হাজার ১৮৩টি পরিবার বন্যাকবলিত হয়েছে। এসব পরিবারের ১ লাখ ২১ হাজার ৩৪২ জন মানুষ পানিবন্দি হয়েছে। বন্যায় ইসলামপুর ও দেওয়ানগঞ্জের ১১২টি বসতবাড়ি যমুনা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। বন্যাদুর্গত এলাকার জন্য ৩৪৭ মেট্রিক টন চাল ও নগদ ৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

জামালপুর জেলা কৃষি সমপ্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক আমিনুল ইসলাম জানান, জেলায় বন্যার পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে ৩ হাজার ৬৩২ হেক্টর জমির পাট, ২৮৬ হেক্টর জমির আউশ ধান, ২৯৩ হেক্টরের সবজি, ৬৫ হেক্টর বীজতলা, ৫ হেক্টর জমির তিল, ৫ হেক্টর জমির ভুট্টা ও ৫ হেক্টর জমির বাদাম।

টাঙ্গাইলে সব নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় সদর, ভূঞাপুর, কালিহাতী, গোপালপুর ও নাগরপুর উপজেলার নদী তীরবর্তী চরাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কাকুয়া, হুগড়া, কাতুলী, মামুদনগর, ভূঞাপুর উপজেলার গাবসারা, অর্জুনা, গোবিন্দাসী, নিকরাইল, কালিহাতী উপজেলার দুর্গাপুর, গোহালিয়াবাড়ি, সল্লা, দশকিয়া, গোপালপুর উপজেলার হেমনগর, নগদাশিমলা, ঝাউয়াইল ও নাগরপুর উপজেলার সলিমাবাদ, ভাড়রা, মোকনা, পাকুটিয়া ইউনিয়নের অর্ধশত গ্রাম সম্পূর্ণ ও শতাধিক গ্রাম আংশিক প্লাবিত হয়েছে। বন্যাকবলিত ও চরাঞ্চলের মানুষ তাদের বাড়িঘর নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। প্রায় ৩০ হাজার পরিবার ইতোমধ্যে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

একাধিক ইউপি চেয়ারম্যান জানান, নদীতে পানি বেড়ে নিম্ন ও চরাঞ্চলের মানুষ বন্যাকবলিত হয়ে পড়লেও সরকারি কোনো ত্রাণ সামগ্রী বরাদ্দ পাওয়া যায়নি। নিজেরা ব্যক্তি উদ্যোগে অতি দরিদ্রদের যতটা পারছেন সহযোগিতা করছেন।

টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, ক্রমাগত বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে টাঙ্গাইলের যমুনা, পুংলী, ঝিনাই, বংশাই ও ধলেশ্বরী নদীতে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এর মধ্যে যমুনা, ধলেশ্বরী ও ঝিনাই নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি কমলে তীব্র ভাঙন দেখা দিতে পারে। নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ভাঙনকবলিত এলাকাগুলোর গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ভাঙন রোধে পাউবো কাজ করছে বলেও জানান তিনি।
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীজুলাই - ১১
ফজর৩:৫২
যোহর১২:০৪
আসর৪:৪৪
মাগরিব৬:৫২
এশা৮:১৫
সূর্যোদয় - ৫:১৮সূর্যাস্ত - ০৬:৪৭
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৫৩৮২.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.