নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, মঙ্গলবার ৩০ জুন ২০২০, ১৬ আষাঢ় ১৪২৭, ৮ জিলকদ ১৪৪১
বন্যার পানিতে ভেসে গেছে অর্ধশত মৎস্যচাষির স্বপ্ন
জনতা ডেস্ক
রংপুরের পীরগাছা উপজেলার ছাওলা ইউনিয়নে পাঁচটি গ্রামে তিস্তার বন্যার পানিতে ভেসে গেছে প্রায় অর্ধশতাধিক মৎস্যচাষির স্বপ্ন। গত কয়েক দিন থেকে তিস্তা নদীতে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। এতে উপজেলার ছাওলা ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ নিচু এলাকা পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানিতে নিমজ্জিত হয়ে পড়েছে বাড়িঘর। ভেসে যায় মৎস্য খামারের পাশাপাশি অসংখ্য পুকুর।

উপজেলার ছাওলা ইউনিয়নেরর গাবুড়া আকবর আলী পেশায় একজন মৎস্যচাষি। অভাব অনটনের মাঝেও ঋণ করে গড়ে তুলেছিলেন একটি মৎস্য খামার। খামারটি নিয়ে নানা স্বপ্ন ছিল তার। একদিন মাছ বিক্রি করে সংসারের অভাব দূর করবেন। কিন্তু কে জানতো অসময়ের বন্যার পানিতে ভেসে যাবে তার সেই স্বপ্ন। আকস্মিক বন্যার পানিতে ভেসে গেছে তার খামারটি।

জাল দিয়ে ঘিরেও শেষ রক্ষা করতে পারেননি। পানির সঙ্গে ভেসে গেছে প্রায় ১০ লাখ টাকার মাছ। এখন তিনি সর্বস্বান্ত হয়ে পড়েছেন।

আকবর আলী বলেন, সাধারণত এই সময়ে বড় বন্যা হয় না। তাই কল্পনার মধ্যেও ছিল না খামার ভেসে যাবে। কিছুদিন পরে মাছ তুলে বিক্রি করা হতো। তার পরে বন্যা আসলে তেমন ক্ষতি হতো না। খামারের চার দিকে জাল দিয়ে ঘিরে শেষ সম্বলটুকু রক্ষার চেষ্টা করেছি। কিন্তু রক্ষা করতে পারিনি। এখন আমি নিঃস্ব।

একই এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত চাষি ইসমাঈল হোসেন বলেন, গত বন্যায় খামার ভেসে গিয়েছিল। পথে বসেছিলাম। ঋণ করে আবারও চাষ করেছি। এবারও সর্বস্বান্ত হলাম। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্যচাষিদের ক্ষতিপূরণ দেয়া হয় না। তাই আমরা নতুন করে ঘুরে দাঁড়াতে পারি না।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) আমিনুল ইসলাম বলেন, বন্যার পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত চাষিদের তালিকা তৈরির কাজ চলছে। অল্প সময়ের মধ্যে ক্ষতির পরিমাণ নিরুপণ করা সম্ভব হবে।

রংপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বরুণ চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, চলতি বন্যায় মৎস্য খাতে এখনও তেমন ক্ষতির খবর আমরা পাইনি। খোঁজ খবর নেয়া অব্যাহত রয়েছে। একইসঙ্গে বন্যা থেকে মাছ রক্ষায় মৎস্যচাষিদের সচেতনতার কাজ চলছে।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার তিস্তা নদীর তীরবর্তী ছাওলা ইউনিয়নে মোট ৬৭২টি পুকুর রয়েছে। ৬৭.৫ হেক্টর আয়তনের এসব পুকুরে ৬০০ চাষি মৎস্য চাষ করেন। প্রতিবছর প্রায় ৩০০ মেট্রিকটন বিভিন্ন প্রজাতির মাছ উৎপন্ন হয়।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীজুলাই - ১২
ফজর৩:৫২
যোহর১২:০৪
আসর৪:৪৪
মাগরিব৬:৫২
এশা৮:১৫
সূর্যোদয় - ৫:১৯সূর্যাস্ত - ০৬:৪৭
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৫৫২২.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.