নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, বৃহস্পতিবার ১২ জুলাই ২০১৮, ২৮ আষাঢ় ১৪২৫, ২৭ শাওয়াল ১৪৩৯
পাইকগাছার আমুরকাটা খালের ওপর পুরাতন ব্রিজটির করুণ অবস্থা
জরুরি সংস্কারের দাবি
পাইকগাছা থেকে জি এ গফুর
পাইকগাছার আমুরকাটা খালের উপর নির্মিত ব্রিজটি করুণ অবস্থায় পরিণত হয়েছে। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নগণ্য। ঝুঁকির মধ্যে ব্রিজ পার হয়ে বিদ্যালয়ে যেতে আতঙ্কে রয়েছে অভিভাবক মহল। বর্ষা মৌসুমে শিক্ষার্থীরাসহ এলাকাবাসীর চলাচলে অযোগ্য হয়ে পড়েছে। সংস্কার না হওয়ায় এলাকাবাসী নিজেদের উদ্যোগে ব্রিজের উপর বাঁশের চালার ব্যবস্থা করেছে। এলাকার সচেতন মহল ব্রিজটি সংস্কারের জন্য জনপ্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। সরেজমিনে তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, উপজেলার সোলাদানা ইউনিয়নের আমুরকাটা সস্নুইস গেটের খালটি মরাকুচিয়া নদী অভিমুখে প্রবাহিত হয়েছে। উক্ত খালের দু'পাড়ে দীঘা ও দক্ষিণ কাইনমুখী নামে ২টি গ্রাম রয়েছে। যে ২টি গ্রামে হাজার হাজার লোকের বসবাস। দু'গ্রামের শিক্ষার্থীদের জন্য স্থাপিত একমাত্র দীঘা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। বিদ্যালয়টি দীঘা গ্রামে প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় দক্ষিণ কাইনমুখী গ্রামের শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যাওয়া দুরূহ ব্যাপার হয়ে পড়ে। যে কারণে আশির দশকে স্কুল সংলগ্ন এলাকায় খালের উপর দু'গ্রামবাসীর জন্য একটি বেইলি ব্রিজ তৈরি হয়। যে ব্রিজটি ভেঙেচুরে জরাজীর্ণ অবস্থায় পরিণত হয়েছে। বর্তমানে বর্ষা মৌসুমে খালের পাশ দিয়ে দু'গ্রামের দুটি কাঁচা রাস্তা থাকায় ঘর হতে মানুষ বের হতে পারছে না। ফলে দক্ষিণ কাইনমুখী গ্রামের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা বর্ষা মৌসুমে কাঁদা ঠেলে উক্ত ব্রিজের উপর উঠতে অত্যন্ত ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে। আবার অনেকের বই খাতা খালে পড়ে ভিজে যাচ্ছে। যে কারণে শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে যাওয়া বন্ধ করে দেয়ায় বিদ্যালয়ে উপস্থিতির হার অনেক কমে গেছে। ফলে এলাকার লোকজন নিজেদের উদ্যোগে ব্রিজটির উপর বাঁশের চালা তৈরি করে কিছুটা হলেও যাতায়াতের ব্যবস্থা করে। কিন্তু কোমলমতি শিক্ষার্থীদের যাতায়াত করাটা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। যেকোনো সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা। ইউপি সদস্য রাজেশ চন্দ্র ম-ল জানান, দীর্ঘদিন ধরে ব্রিজটি ভেঙে জরাজীর্ণ অবস্থায় থাকার কারণে জনপ্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবগত করেও ব্রিজটি সংস্কারের কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। তপন কুমার ম-ল (৬৫) জানান, আমাদের উদ্যোগে বাঁশের চালা দিলেও কোমলমতি শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে চরম ঝুঁকি। ভবেন্দ্রনাথ ম-ল (৬৫) জানান, এলাকার রেশারেশির কারণে ব্রিজটি সংস্কারে কারোর কোনো উদ্যোগ নাই। অথচ এই ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বড় বড় নেতা, এমনকি জেলা পরিষদ সদস্যও রয়েছে। শিবুপদ গাইন জানান, ব্রিজটি সংস্কার না হলে দক্ষিণ কাইনমুখী শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে আসা অসম্ভব হয়ে পড়বে। দীঘা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জানান, আমার বিদ্যালয়ের অধিকাংশ শিক্ষার্থী দক্ষিণ কাইনমুখী গ্রামের। বর্ষার সময় উক্ত জরাজীর্ণ ব্রিজ পার হয়ে শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে আসতে পারছে না। যে কারণে বিদ্যালয়ে উপস্থিতির সংখ্যা অনেকাংশে কমে গেছে। এলাকার সচেতন মহল জনগুরুত্বপূর্ণ এ ব্রিজটি সংস্কারের জন্য বিশেষ করে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীসেপ্টেম্বর - ২৪
ফজর৪:৩২
যোহর১১:৫১
আসর৪:১২
মাগরিব৫:৫৬
এশা৭:০৯
সূর্যোদয় - ৫:৪৭সূর্যাস্ত - ০৫:৫১
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৩৬৮২.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.