নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, শুক্রবার ১২ জুলাই ২০১৯, ২৮ আষাঢ় ১৪২৬, ৮ জিলকদ ১৪৪০
কমলাপুর রেলওয়ে থানায় ১২ ঘণ্টা বসিয়ে রাখা হলো ধর্ষিতাকে
স্টাফ রিপোর্টার
কমলাপুর রেলওয়ে থানার ওসি ইয়াসিন ফারুক ১২ ঘণ্টা বসিয়ে রেখেছেন, ধর্ষিতাকে। এছাড়াও ধর্ষণের শিকার ষষ্ঠ শ্রেণীর ওই ছাত্রীর সাথে পুলিশ খারাপ ব্যবহার করেছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। গত বুধবার ট্রেনের মধ্যে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করে সম্রাট নামে এক যুবক। পুলিশ সম্রাটকে গ্রেফতার করেছে।

জানা গেছে, গত বুধবার সন্ধ্যায় কমলাপুর থেকে ছেড়ে যাওয়া যমুনা এঙ্প্রেস ট্রেনে ধর্ষণের শিকার ষষ্ঠ শ্রেণীর এক ছাত্রীকে উদ্ধার

করেছে যাত্রীরা। ভুক্তভোগীকে প্রথমে বিমানবন্দর থানা পুলিশ ও পরে রাত সাড়ে ১২টার দিকে কমলাপুর রেলওয়ে পুলিশের হেফাজতে নেয়া হয়। এরপর কেটে গেছে ১২ ঘণ্টা। পরদিন বৃহস্পতিবার দুপর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ভুক্তভোগীকে বসিয়ে রাখা হয়েছে কমলাপুর রেলওয়ে থানায়। রাত বেশি হওয়ায় এবং ভুক্তভোগীর পরিবারের সদস্যদের খুঁজে না পাওয়ার ঘটনার তদন্ত শেষ করে মামলা দায়ের করতে দেরি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ওসি ইয়াসিন ফারুক।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর সাথে জিআরপি থানায় ছিলেন সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক রাতুল শিকদার। তিনি জানান, পুলিশের ঢিলেমি ও ধীরগতির কাজের জন্য অসুস্থ এই শিশুকে থানায় বসে থাকতে হয়েছে। তিনি বলেন, পুলিশ চাইলে রাতেই শিশুটিকে ঢাকা মেডিকেলে পাঠাতে পারতো, চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে পারতো। তা তো করেইনি, উল্টো সকাল গড়িয়ে দুপুর হলেও হাসপাতালে পাঠায়নি ওসি ইয়াসিন ফারুক। গত বুধবার সন্ধ্যায় ধর্ষণের শিকার ওই শিশুকে ট্রেন থেকে উদ্ধার করেন যাত্রীরা। এ ঘটনায় সম্রাট নামে এক যুবককে আটক করে পুলিশে দেয়া হয়। তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। সে কমলাপুর রেলস্টেশনে ময়লা পরিষ্কারের কাজ করে। তার বাড়ি নারায়ণগঞ্জে। আর ভুক্তভোগী শিশুর বাড়ি মানিকনগরে।

শিশুটির বরাত দিয়ে ট্রেনের যাত্রী ও কমলাপুর রেলওয়ে পুলিশের ওসি ইয়াসিন ফারুক জানান, ভুক্তভোগীর নানি মুগদা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। গত বুধবার বিকেলে হাসপাতালের নিচে নামলে সেখান থেকে ভুল বুঝিয়ে সম্রাট তাকে রিকশায় করে কমলাপুর নিয়ে যায়। কমলাপুরে ট্রেনের মধ্যে ভয় দেখিয়ে শিশুটিকে ধর্ষণ করে। এরপর থেকে মেয়েটি অসুস্থ হয়ে পড়ে। শিশুটির চলাফেরা অস্বাভাবিক মনে হওয়ায় ট্রেনের যাত্রীরা তার সঙ্গে কেউ আছে কিনা জিজ্ঞেস করলে ওই যুবককে পাওয়া যায়। শিশুটি অসুস্থবোধ করায় এবং ওই যুবকের পরিচয় নিয়ে সন্দেহ হওয়ায় তাকে আটকে রাখেন ট্রেনের যাত্রীরা। বিমানবন্দর স্টেশনে নেমে শিশুটিকে নিয়ে যাওয়া হয় কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে। সেখানে ধর্ষিতার চিকিৎসা করা হয় না বলে ফিরিয়ে দেয়া হয়।

কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেয়ার পর থেকে শিশুটির সঙ্গে থাকা রাতুল সরকার আরও বলেন, আমি বুধবার সন্ধ্যায় আমার এক ছোট ভাইয়ের মাধ্যমে খবর পেয়ে কুর্মিটোলা হাসপাতালে আসি। জরুরি বিভাগে নেয়ার পর সেখানকার চিকিৎসকরা জানান, এ ধরনের রোগীর চিকিৎসা তারা এখানে করেন না। তারা শিশুটিকে একটি ইনজেকশন দেন। এরপর জানান, তাকে নিয়ে যেতে হবে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। কুর্মিটোলা হাসপাতাল থেকে ভুক্তভোগী শিশুকে নিয়ে যাওয়া হয় কমলাপুর রেলওয়ে পুলিশের হেফাজতে। রাত দেড়টার দিকে মানিকনগর থেকে শিশুটির মাকে আনা হয়। পেটে ব্যথা রয়েছে বলে একাধিকবার পুলিশ ও তার মাকে জানিয়েছে ভুক্তভোগী শিশুটি। তার মা বলেন, আমি গত বুধবার বিকেলের পর ওকে হাসপাতালে রেখে আসি। পরে শুনি তাকে পাওয়া যাচ্ছে না। রাত দেড়টার দিকে পুলিশ এসে জানানোর পর ঢাকায় আসি।

কমলাপুর রেলওয়ে পুলিশের ইনচার্জ সাব-ইন্সপেক্টর রুশো বণিক বলেন, আমরা শিশুটির পরিচয় শনাক্ত করতে পেরেছি। তার পরিবারের সদস্যরা রয়েছেন। গত বুধবার রাত হয়ে যাওয়ায় তাকে ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো সম্ভব হয়নি। আজকে পাঠানো হবে।

রেলওয়ে পুলিশ ঢাকা জোনের এএসপি ওমর ফারুক বলেন, মামলার কাজ শেষ হয়েছে। এখন ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো হচ্ছে।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীঅক্টোবর - ২৪
ফজর৪:৪৩
যোহর১১:৪৩
আসর৩:৪৮
মাগরিব৫:২৯
এশা৬:৪২
সূর্যোদয় - ৫:৫৯সূর্যাস্ত - ০৫:২৪
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৪২২৬.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.