নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, মঙ্গলবার ২৭ জুলাই ২০২১, ১২ শ্রাবণ ১৪২৮, ১৬ জিলহজ ১৪৪২
কঠিন বর্জ্যের উৎপাদন সম্পর্কিত ধারণা:সমস্যা থেকে সম্ভাবনা
ইসতিয়াক আহমেদ ইমন
সভ্যতার অগ্রগতির সাথে সাথে বৃদ্ধি পাচ্ছে মানুষের জীবনযাত্রার মান। যা সহজতর করছে মানুষের দৈনন্দিন জীবনকে। যার সঙ্গে সঙ্গে সমহারে বৃদ্ধি পাচ্ছে মানুষের ব্যবহার্য্য দ্রব্যাদির পরিমাণ। দিন শেষে দেখা যায় ব্যবহার্য অনেক জিনিস আর ব্যবহার উপযোগী থাকে না। সেগুলো আমরা অব্যবহারযোগ্য বা অপ্রয়োজনীয় বলে ফেলে দিই। আমরা যে জিনিসপত্রগুলো বর্জন করি বা ফেলে দিই তাই হচ্ছে বর্জ্য। এই ফেলে দেয়া বজ্র্যের মাঝে যে সকল বর্জ্যগুলো কঠিন প্রকৃতির বা বহমান প্রকৃতির নয় সেগুলোকে বলা হয় কঠিন বর্জ্য। কঠিন বর্জ্যকে ময়লা, আবর্জনা, জঞ্জাল এবং আরো নানাভাবে আখ্যায়িত করা হয়। যা আমাদের পরিবেশ দূষণ, স্বাস্থ্য সমস্যা সৃষ্টিসহ নানা প্রকার সমস্যার সম্মুখীন করে। কিন্তু এর উৎপাদন সম্পর্কিত সঠিক ধারণা থাকলে এই সমস্যার উত্তম সমাধানের পাশাপাশি কঠিন বর্জ্য থেকে আসতে পারে সম্ভাবনার পথ।

বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুসারে সম্পূর্ণ পৃথিবীতে প্রতিবছর ২.০১ বিলিয়ন টন কঠিন বর্জ্য উৎপাদিত হয়। ২০৫০ সালে যার পরিমাণ ৩.৪০ বিলিয়ন টন প্রত্যাশা করা হচ্ছে। বর্তমানে উৎপাদিত কঠিন বজ্র্যের প্রায় ৪০ শতাংশই পরিবেশবান্ধবভাবে ব্যবস্থা করা হয় না। যার অধিকাংশই হয় অনউন্নত দেশ সমূহে। বিশ্বব্যাপী একজন মানুষ গড়ে প্রতিদিন ০.৭৪ কিলোগ্রাম কঠিন বর্জ্য উৎপন্ন করে। যেখানে উৎপাদিত বর্জ্যের প্রায় ৩৫ শতাংশই আসে উন্নত দেশ থেকে। যা ২০৫০ সাল পর্যন্ত আরো ১৯ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে। মধ্যম আয়ের এবং নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশগুলোর ক্ষেত্রে যা ৪০ শতাংশ আশা করা হচ্ছে। পৃথিবীর উৎপাদিত মোট কঠিন বর্জ্যের মাঝে পূর্ব এশিয়ার দেশসমূহ সর্বাধিক ২৩ শতাংশ উৎপাদন করে এবং পূর্ব ও উত্তর আফ্রিকার দেশসমূহ সর্বনিম্ন ৬ শতাংশ উৎপাদন করে। বাংলাদেশ দৈনিক প্রায় ৩৭০০০ টন কঠিন বর্জ্য উৎপাদন করে যা ২০২৫ সালে ৪৭,০৬৪ টন হবে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে ২০১২ সালে দেশে মোট উৎপাদিত বর্জ্যের পরিমাণ ছিল ২২.৪ মিলিয়ন টন। প্রতিদিন শুধু পৌর এলাকায় ২৫০০০ টন কঠিন বর্জ্য উৎপাদিত হয়। যা মাথাপিছু ১৭০ কেজি।

প্রতিদিনই পৃথিবীতে প্রচুর পরিমাণ বর্জ্য উৎপন্ন হচ্ছে, যা ভিন্ন ভিন্ন উৎস থেকে আসছে। যার ফলে এর প্রকৃতি এবং রাসায়নিক গঠন সবই ভিন্ন হয়ে থাকে। গঠন অনুসারে এই সকল বর্জ্যের আবার প্রভাবও ভিন্ন হয়ে থাকে। তাই বর্জ্য সমূহের উৎপাদন উৎস সম্পর্কিত আলাদাভাবে বিন্যস্ত করা হয়। কঠিন বজ্র্যের উৎপাদন উৎস, এর গঠন অনুসারে এগুলো বিভিন্ন প্রকার হয়ে থাকে। এই প্রকার গুলোর মাঝে উল্লেখ্যযোগ্য হচ্ছে পৌর বর্জ্য গৃহস্থালীন কঠিন বর্জ্য, শিল্প বর্জ্য, কৃষিজ কঠিন বর্র্জ্য, চিকিৎসা ক্ষেত্রের কঠিন বর্জ্য, তেজষ্ক্রিয় বর্জ্য এবং অন্যান্য। পৌর এলাকায় উৎপাদিত সকল প্রকার কঠিন বর্জ্যই পৌর বা মিউনিসিপাল কঠিন বজ্র্যের অন্তভুর্ক্ত। গৃহস্থালীন কঠিন বজ্র্যের মাঝে রয়েছে খাদ্য বর্জ্য, গৃহস্থালীন ব্যবহার্য জিনিসপত্র হতে উৎপন্ন কঠিন বর্জ্যসমূহ। আরো রয়েছে ব্যবহৃত ইলেকট্রনিক্স পণ্য হতে উৎপন্ন কঠিন বর্জ্য, যাকে ই-বর্জ্যও বলা হয়। পৃথিবীতে বিভিন্ন প্রকার শিল্প কারখানা রয়েছে যেমন, পোশাক শিল্প, ধাতব শিল্প, ট্যানারি শিল্প, নির্মাণ শিল্প ইত্যাদি সকল শিল্পে উৎপাদিত কঠিন বর্জ্যই শিল্প বজ্র্যের অন্তর্ভুক্ত। এছাড়া রয়েছে প্রাতিষ্ঠানিক কঠিন বর্জ্য, যেগুলো মূলত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কারাগার, বিভিন্ন অফিস, আদালত হতে আগত কঠিন বর্জ্য। হাসপাতাল এবং চিকিৎসা সামগ্রী হতে উৎপন্ন সকল কঠিন বর্জ্যই হচ্ছে চিকিৎসা খাতের কঠিন বর্জ্য। উল্লেখিত কঠিন বর্জ্য সমূহের উৎস যেমন ভিন্ন ভিন্ন তেমনি উৎস অনুযায়ী তাদের ব্যবস্থাপনা পদ্ধতিও আলাদা আলাদা হয়ে থাকে। এই ব্যবস্থাপনাগুলো হয় উৎপাদিত বর্জ্যের ধর্ম অনুযায়ী।

এখন দেখি উৎস অনুযায়ী কঠিন বর্জ্যগুলো কি কি হয়ে থাকে। শিল্পবিল্পবের শুরু থেকেই শিল্প হতে আগত কঠিন বজ্র্যের পরিমাণ প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এমনকি খনির অপারেশন পরিচালিত হচ্ছে তেমনি ভিন্ন ভিন্ন শিল্প বর্জ্য উৎপাদিত হচ্ছে। এর মাঝে ধাতব পদার্থ, সস্নাজ, ছাই, পেপার ও পেপারজাত পণ্য, কাপড় বা ন্যকরা, টায়ার, টিউব, পাইপ ইত্যাদি। উন্নত দেশসমূহে সর্বাধিক পেপার এবং পেপার জাতীয় কঠিন বর্জ্য উৎপাদিত হয়ে থাকে। খাদ্য দ্রব্য থেকে উৎপন্ন কঠিন বর্জ্যই হলো বিশ্বব্যাপী উৎপন্ন কঠিন বর্জ্যের সবচেয়ে বৃহৎ উৎস। খাদ্য থেকে আসা কঠিন বর্জ্যগুলো হলো উচ্ছিষ্ট খাদ্য, খাবার প্যাকেজিং, ম্যাটারিয়ালস্, সবজির খোসা, প্লাস্টিক বোতল, বোতলের কক, এবং অন্যান্য। গৃহস্থালীন নানা অব্যবহৃত কঠিন জিনিসপত্র থেকে কঠিন বজ্র্যের আরেকটি বড় অংশ আসে বা উৎপন্ন হয়। এই সকল বর্জ্যের মাঝে রয়েছে ব্রাশ, বলপেন, পেপার, আইসক্রিমের পট, প্লাস্টিক জাত পণ্য, ভাঙ্গা কাচ, টিন ও টিনজাত দ্রব্য, লোহার টুকরা, কাঠ, জুতা ইত্যাদি। চিকিৎসা খাত হতে আগত কঠিন বর্জ্য সমূহ হলো, ব্যবহারের পর ফেলে দেয়া সিরিঞ্জ, ঔষধের খোসা, রক্ত ও স্যালাইনের ব্যাগ, চুল, হাড়, এক্স-রে পেপার, ও অন্যান্য ব্যবহার্য্য সামগ্রী। কৃষিজ কঠিন বর্জ্যের মাঝে রয়েছে শস্যের খোসা, অব্যবহৃত খড়, পশুপাখির বর্জ্য। ইলেক্ট্রনিক্স কঠিন বজ্র্যের অন্তর্ভুক্ত বর্জ্যগুলো হলো ব্যবহার অনুপযোগী কম্পিউটার ও এর যন্ত্রাংশ,টিভি, ফ্রিজ, ফ্যান, এসি, বৈদ্যুতিক তার, মোবাইল এর অন্যান্য সামগ্রী। প্রাতিষ্ঠানিক কঠিন বর্জ্যের মাঝে কাঠ ও কাঠজাত পণ্যই সর্বাধিক। তেজস্ক্রিয় কঠিন বর্জ্যের মাঝে নিউক্লিয়ার পাওয়া থেকে উৎপন্ন বর্জ্য যেমন ইউরিনিয়াম জাঞ্জল অন্যতম।

বিশ্বব্যাংকের তথ্যমতে, পৃথিবীব্যাপী উৎপাদিত কঠিন বর্জ্যের ৪৪ শতাংশ হচ্ছে খাদ্য এবং খাদ্য সম্পর্কিত কঠিন বর্জ্য, ৫ শতাংশ কঠিন বর্জ্য হচ্ছে কাচ ও কাচজাতীয় পণ্য। ধাতব বর্জ্যের পরিমাণ ৪ শতাংশ। কাঠ, লেদার এবং রাবার জাতীয় পণ্য হতে মোট ৪ শতাংশ কঠিন বর্জ্য উৎপাদিত হয়। কঠিন বর্জ্যের মাঝে সমসাময়িক সবচেয়ে আলোচিত হচ্ছে প্লাস্টিক এবং প্লাস্টিক জাতক কঠিন বর্জ্য। যা প্রায় মোট বর্জ্যের ১২ শতাংশ। অপর দিকে পেপার ও পেপার জাতীয় পদার্থ ১৭ শতাংশ কঠিন বর্জ্য উৎপাদিত করে। বাকি ১৪ শতাংশ কঠিন বর্জ্য আসে অন্যান্য সকল উৎস থেকে।

কঠিন বর্জ্য অপসারণ একটি বিশ্বব্যাপী সমস্যা। যার সঠিক সমাধান হলো উৎপাদিত বর্জ্যের উৎপাদন উৎস ও প্রকৃতি অনুযায়ী ব্যবস্থাপনা করা। এই কাজটি সকল দেশ সফলভাবে মোকাবিলা করতে পারে না। বিশেষ করে উন্নয়নশীল এবং অন-উন্নত দেশ সমূহ। বর্জ্য যেমন ভিন্ন ধরনের তেমনি এর নিষ্পত্তি প্রক্রিয়াটিও বৈচিত্র্যময়, যেমন কিছু, বর্জ্য দহনযোগ্য। কিছু বর্জ্য পুনব্যবহারযোগ্য, এর মাঝে রয়েছে প্লাস্টিক পণ্য, কাচের আইটেম, হার্ডওয়্যারম কাঠের পণ্য ইত্যাদি। পচনশীল এবং কিছু অপচনশীল বর্জ্য এবং তেজস্ক্রিয় বর্জ্য মাটি পচার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হয়।

সাম্প্রতিক সময়ে যুক্ত হয়েছে করোনা বর্জ্য। করোনা বর্জ্য বলতে এই পরিস্থিতিতে কোভিড-১৯ চিকিৎসা ও এর হতে রেহাই পেতে আমরা বিভিন্ন প্রকার উপকরণ ব্যবহার করছি, যেমন মাস্ক, পিপিই, স্যানিটাইজারের বোতল, যা ব্যবহারের পর একটি বৃহৎ পরিমাণ কঠিন বর্জ্য উৎপাদিত হচ্ছে। বর্তমান সময়ে এইসব বর্জ্য ব্যবস্থাপনাও একটি বড় হুমকি হয়ে আছে। করোনাকালীন সময়ে শুধু চীনের উহানের হাসপাতালে ২৪০ টন মাস্ক ও পিপি বর্জ্য উৎপন্ন হয়েছে এবং সিঙ্গাপুরে ১৪০০ টন প্লাস্টিক বর্জ্য উৎপন্ন হয়েছে। বাংলাদেশের প্রতিটি করোনা চিকিৎসা কেন্দ্রে প্রতিজন রোগী ১.৬৩-১.৯৯ কেজি কঠিন চিকিৎসা বর্জ্য উৎপন্ন করেছে। যা ব্যবস্থাপনা বর্তমানে একটি বৃহৎ চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এখন কঠিন বর্জ্য কিভাবে সমস্যা থেকে হতে পারে সম্ভাবনা। আমরা দৈনন্দিন জীবনে উৎপন্ন অধিকাংশ কঠিন বর্জ্যই অপ্রয়োজনীয় বিবেচনায় ছুঁড়ে ফেলি। আমাদের এই ফেলে দেয়া কঠিন বর্জগুলো সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাবে নষ্ট করছে পরিবেশ, উৎপন্ন করছে বিভিন্ন প্রকার রোগ জীবাণু ড্রেন, খাল-নদীনালায় আটকে তৈরি করছে জলাবদ্ধতা। কিছু কিছু কঠিন বর্জ্য হতে উৎপন্ন হচ্ছে দুর্গন্ধ, বিকিরিত হচ্ছে তেজস্ক্রিয় রশ্মি যা পরিবেশ এবং মানবদেহ উভয়ের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। আবার প্লাস্টিক, পলিথিন, কাচ জাতীয় পদার্থ মাটি দূষণের জন্য দায়ী। যার ফলে মাটির উর্বরতা হরাস পাচ্ছে। এই সকল সমস্যার জন্যই দায়ী হচ্ছে কঠিন বর্জ্য। কিন্তু আমরা যদি এই সকল বর্জ্যের উৎপাদন সম্পর্কিত ধারণা রাখতে পারি তাহলে সহজেই এর উৎস এবং গঠন সম্পর্কে বুঝতে পারবো। এতে করে গঠন ও উৎপত্তি অনুসারে আলাদা আলাদা ভাবে এই সকল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সম্ভব। আবার সঠিক ধারণা থাকলে প্লাস্টিক, পলিথিন, কাচ, কাঠ, ইলেক্ট্রনিক্স কঠিন বর্জ্য গুলো পুনরায় ব্যবহার করা যায় এবং মেরামতের মাধ্যমে নতুন পর্ণ্য তৈরি করা যায়। শুধু তাই নয় উৎপাদন সম্পর্কিত সঠিক ধারণাই পারে কঠিন বর্জ্যের উৎপাদন হরাস করতে। আবার জৈব কঠিন বর্জ্যের ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে জৈব স্যার উৎপাদন করা যায়। যার ফলে একদিকে উৎপাদন সম্পর্কিত ধারণার ফলে কঠিনং বর্জ্য হতে পরিবেশকে সুন্দর রাখা যায়, অপরদিকে পুনব্যবহার, মেরামতের মাধ্যমে ব্যয় হরাস, বর্জ্যের পরিমাণ হরাস করা যায় একই সাথে উৎপন্ন হয় নতুন কর্মসংস্থান। যা আমাদের জন্য নতুন সম্ভাবনাই বটে।

বিশেষ করে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে কঠিন বর্জ্যের সমস্যা সমাধানের জন্য বর্জ্যের উৎপাদন হরাসের জন্য এবং উৎপাদিত বজ্র্যের থেকে উৎস অনুসারে বর্জ্য আলাদা করণের মাধ্যমে তা পুনব্যবহারের মাধ্যমে দেশের পরিবেশ ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য কঠিন বর্জ্যের উৎপাদন সম্পর্কিত সঠিক ধারণা অর্জনের বিকল্প নেই। এখনই সুযোগ এবং উৎকৃষ্ট সময় কঠিন বর্জ্য নামক সমস্যাকে সম্ভাবনায় পরিণত করার। এরই মাধ্যমে দেশ তথা বিশ্ব আরেক ধাপ উন্নত হবে বলে আশা করা যায়।

ইসতিয়াক আহমেদ ইমন : লেখক

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীসেপ্টেম্বর - ২৪
ফজর৪:৩২
যোহর১১:৫১
আসর৪:১২
মাগরিব৫:৫৬
এশা৭:০৯
সূর্যোদয় - ৫:৪৭সূর্যাস্ত - ০৫:৫১
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৬৯৭৭.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.