নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, মঙ্গলবার ২৭ জুলাই ২০২১, ১২ শ্রাবণ ১৪২৮, ১৬ জিলহজ ১৪৪২
দিনাজপুরে ধান খেতের পানিতে ছুটে বেড়াচ্ছে পুঁটি টেংরা কৈ মাগুর
দিনাজপুর প্রতিনিধি
দিনাজপুরে এবার শুরু হয়েছে আগাম বর্ষা। প্রায় জমিতেই জমেছে বৃষ্টির পানি। হিলিতে আমন ধান চাষের জন্যে জমি তৈরি করছে আমন চাষিরা। এই সব জমিতে জমে থাকা পানিতে ভেসে বেড়াচ্ছে বিভিন্ন প্রকারের দেশি মাছ। আর ভেসে বেড়ানো মাছ ধরতে উঠেপড়ে লেগেছে কৃষাণ-কৃষাণীরা।

গত শনিবার এমন দৃশ্য চোখে পড়লো হিলির জিলাপি পট্টি এলাকার আমন ধান ক্ষেতে। দেখা যায়, আমন চারা লাগানোর জন্য ট্রাক্টর দিয়ে জমি তৈরি করছেন কৃষকেরা। ওই জমিতে জমে আছে বর্ষার পানি। আর তাতেই মিলছে বিভিন্ন প্রজাতির দেশি মাছ পুঁটি, টেংরা, কৈ, মাগুর, শাটি, খোলসা, ডারকা ও মইয়া ঢেলা মাছ। গ্রামের কৃষাণ কৃষাণীসহ তাদের ছেলে-মেয়েরা ব্যস্ত হয়ে পড়েছে এই মাছ ধরতে। গত বর্ষার পানিতে ডিম ছেড়েছিলো আমন ক্ষেতে এসব মাছ। বর্ষা শেষে, পানি শুকিয়ে গেলে মাছের ডিম সুপ্ত অবস্থায় কাদার ভিতর লুকিয়ে ছিলো। চলতি বর্ষা মৌসুমে এই সব মাটিতে থাকা ডিমগুলো পানি পেয়ে আবারও জেগে ওঠে এবং ডিম থেকে মাছ পোনা ছেড়েছে। অল্প দিনেই পোনা মাছগুলো বড় হতে শুরু করেছে। আমন ধানের চারা রোপণের জন্য চাষিরা জমি তৈরি করতে গেলে তখন হাটু পানিতে থাকা মাছগুলো ভাসতে থাকে। তখন বিভিন্ন রকম ডালা, কুলা আর হাত দিয়ে মাছ ধরতে ব্যস্ত হয়ে উঠে কৃষকসহ গ্রামের ছেলে-মেয়েরা। এটি একটি গ্রাম-বাংলার পুরনো ঐতিহ্যের দৃশ্য। বর্ষাকালে মাঠে-ঘাটে চোখে পড়ে এই দৃশ্য। মাছ ধরতে আসা ছকিনা বেগম বলেন, বর্ষাকাল আসলেই আমি ডোবা, নালা, খাল বিল আর ধানের ক্ষেতে মাছ ধরে থাকি। এটি আমার ছোট বেলার অভ্যাস। ১০ বছর বয়সী সোহেল রানা কাদামাটি মাখা গায়ে জানায়, বাড়িতে মা জানে না আমি মাছ ধরতে আসছি। জানলে অনেক বোকা দেবে। তবে অনেকগুলো মাছ ধরেছি, তা দেখে মা আর গালাগালি করবে না। একজন কৃষাণী বলেন, এই জমিটা আমাদের। আমন ধান চাষ করবো, তাই জমি তৈরি করছি ট্রাক্টর দিয়ে। জমির পানিতে অনেক মাছ হয়েছে।

তাই ছেলে-মেয়েদের নিয়ে মাছ ধরছি, সকাল থেকে প্রায় দুই কেজির মতো বিভিন্ন জাতে দেশি মাছ পাইছি।

৭ বছরের রিয়া মনি বলে, ছোট ভাইকে রাস্তায় বসিয়ে রেখেছি, মাছ ধরছি আর ওর কাছে রেখে আসছি। ডালা, কুলা নাই তো, তাই হাত দিয়ে মাছ ধরছি। মইয়া, ডারকা আর পুঁটি মাছ অনেকগুলা ধরেছি। আমরা গরীব মানুষ, এখন তো লকডাউন? বাবার কাজ-কাম নেই, মাছ নিয়ে গেলে মা অনেক খুশি হবে।
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীসেপ্টেম্বর - ২৪
ফজর৪:৩২
যোহর১১:৫১
আসর৪:১২
মাগরিব৫:৫৬
এশা৭:০৯
সূর্যোদয় - ৫:৪৭সূর্যাস্ত - ০৫:৫১
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৭০০৯.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.