নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, মঙ্গলবার ২৭ জুলাই ২০২১, ১২ শ্রাবণ ১৪২৮, ১৬ জিলহজ ১৪৪২
আশ্রয়ন প্রকল্পের ঠিকাদারের টাকা পরিশোধ না করায় আমতলীর ইউএনওর বিরুদ্ধে অভিযোগ
আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্নের আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর নির্মাণকারী ঠিকাদারকে টাকা পরিশোধ না করায় আমতলীর ইউএনও আসাদুজ্জামানের বিরুদ্ধে বরগুনার জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগ দেয়া হয়েছে। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স নাঈম এন্টারপ্রাইজের স্বত্তাধিকারী মো. ফয়সাল হোসেন নয়ন গত সোমবার এ অভিযোগ দেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, তালতলী উপজেলায় হতদরিদ্রদের জন্য 'ক' শ্রেণীর ১১০টি এবং 'খ' শ্রেণীর জন্য ৫০টিসহ মোট ১৬০টি ঘর বরাদ্দ দেয় সরকার। ওই ঘর নির্মাণের জন্য তৎকালীন তালতলীর ইউএনও মো. আসাদুজ্জামান (বর্তমানে আমতলীতে কর্মরত) ভোলার নাঈম এন্টার প্রাইজ নামের একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী মো. ফয়সাল হোসেন নয়নের সাথে চুক্তি করে। ইউএনও ঠিকাদারকে তালতলীর 'ক' শ্রেণীর ৮৩টি এবং 'খ' শ্রেণীর ৪৯টি এবং আমতলীর 'ক' শ্রেণীর ৯টি ঘরের কাজ দেন। চুক্তিমত ঠিকাদায় নয়ন ঘরের কাজ সম্পন্ন করেন বলে দাবি করেন। তালতলীর দুই শ্রেণীর ১৩২ টি ঘরের নির্মাণ ব্যয় ২ কোটি ৪ লাখ ৫ হাজার টাকা এবং আমতলীর ৯টি ঘরের নির্মাণ ব্যয় ১৭ লাখ ১০ হাজার টাকা। দুই উপজেলার ১৪১টি ঘরের নির্মাণ ব্যয় ২ কোটি ২১ লক্ষ ১৫ হাজার টাকা। ওই সমুদয় নির্মাণ ব্যয়ের বিপরীতে ইউএনও মো. আসাদুজ্জামান বিভিন্ন সময়ে ঠিকাদার মো. ফয়সাল হোসেন নয়নকে ২ কোটি ৫ লাখ ৭ হাজার টাকা পরিশোধ করেছেন। অবশিষ্ট ১৬ লাখ ৮ হাজার টাকা পরিশোধ করেননি। ঠিকাদার নয়ন গত তিন মাস ধরে এ টাকার জন্য ইউএনওকে তাগাদা দিলেও তিনি টাকা দিতে অস্বীকার করেন। এ ঘটনায় ঠিকাদার ফয়সাল হোসেন নয়ন ইউএনও মো. আসাদুজ্জামানের বিরুদ্ধে সোমবার বরগুনার জেলা প্রশাসক বরাবওে লিখিত অভিযোগ দেন।

ঠিকাদার ফয়সাল হোসেন নয়ন বলেন, ইউএনও আসাদুজ্জামানের কাছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আশ্রয়ণের ঘর নির্মাণ বাবদ পাওনা ১৬ লাখ ৮ হাজার টাকা পরিশোধ করেনি। বর্তমানে তিনি টাকা পরিশোধ করতে অস্বীকার করছেন। তিনি আরো বলেন, ইউএনও ওই ১৪১ ঘরের মধ্যে ঘর প্রতি ১০ হাজার টাকা করে ১১৯ ঘর বাবদ আমার কাছ থেকে মোট ১১ লাখ ৯০ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছেন।

আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান ঘুষ নেয়ার কথা অস্বীকার করে বলেন, ঠিকাদার মো. ফয়সাল হোসেন নয়নকে সমুদয় টাকা পরিশোধ করে দিয়েছি বলেই তিনি ফোন কেটে দেন।

বরগুনার জেলা প্রশাসক মো. হাবিবুর রহমান অভিযোগ পাওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, আমতলীর ইউএনওকে ঠিকাদার ফয়সাল হোসেন নয়নের সাথে ঝামেলা মিটানোর জন্য মৌখিকভাবে নির্দেশ দিয়েছি।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীঅক্টোবর - ২৯
ফজর৪:৪৬
যোহর১১:৪৩
আসর৩:৪৫
মাগরিব৫:২৫
এশা৬:৩৯
সূর্যোদয় - ৬:০৩সূর্যাস্ত - ০৫:২০
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৮৯২২.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.