নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, মঙ্গলবার ২৭ জুলাই ২০২১, ১২ শ্রাবণ ১৪২৮, ১৬ জিলহজ ১৪৪২
বেনাপোল দিয়ে ২৭ লাখ ৭৭ হাজার মেট্রিক টন পণ্য আমদানি
অযৌক্তিক শুল্ককর বৃদ্ধি অবকাঠামো উন্নয়নের উদ্যোগ নেই
পণ্য খালাসের স্থানাভাব
শার্শা (যশোর) থেকে নজরুল ইসলাম
যশোরে বেনাপোল বন্দর দিয়ে পণ্য আমদানি বাড়লেও রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হচ্ছে না। ২০১৯-২০ বছরের তুলনায় গেলো ২০২০-২১ অর্থবছরে ৭ লাখ মেট্রিক টন পণ্য বেশি আমদানি হয়েছে। কাস্টম কর্মকর্তারা বলছেন, শুল্কযুক্ত পণ্য আমদানি কমে যাবার কারণে রাজস্ব আদায়ে ধস দেখা দিয়েছে। তবে গত বছরের তুলনায় ২০২০-২১ অর্থবছরে ৫৭ শতাংশ বেশি রাজস্ব আদায় হয়েছে। ২০২০-২১ বছরটিতে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬ হাজার ২৪৪ কোটি ৬২ লাখ টাকা। আর রাজস্ব আদায় হয়েছে ৪ হাজার ১০০ কোটি টাকা। ২০১৯-২০ অর্থবছরে বেনাপোল কাস্টমসের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে রাজস্ব ঘাটতি হয়েছিল ৩ হাজার ৩৯২ কোটি টাকা। বেনাপোল কাস্টম অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯-২১ অর্থবছরে পণ্য আমদানি করা হয়েছিল ২০ লাখ ৩৮ হাজার ৬৪ মেট্রিক টন। আর গেল ২০২০-২১ অর্থবছরে আমদানি হয়েছে ২৭ লাখ ৭৭ হাজার ৬০৬ মেট্রিক টন।

২০১৩-১৪ অর্থবছরে বন্দরটি দিয়ে পণ্য আমদানি করা হয়েছে ১২ লাখ ৭১ হাজার ২৪ দশমিক ৮২ মেট্রিক টন, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে আমদানি হয়েছে ১৩ লাখ ৫৪ হাজার ৯৪২ দশমিক ৮৬ মেট্রিক টন, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ১২ লাখ ৮৩ হাজার ৮৭৫ দশমিক ৭৮ মেট্রিক টন, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ১৫ লাখ ১৯ হাজার ২২০ দশমিক ৮৪ মেট্রিক টন, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে পন্য আমদানি হয়েছে ১৯ লাখ ৮৮ হাজার ৩৯৭ দশমিক ৯৩ মেট্রিক টন, এবং গেল ২০১৮-১৯ অর্থবছরে পন্য আমদানি করা হয়েছে ২০ লাখ ১১ হাজার ৬ মেট্রিক টন পণ্য।

বেনাপোল আমদানি-রফতানি সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি আমিনুল হক জানান, দিন দিন আমদানি পণ্যের উপর অযৌক্তিকহারে শুল্ককর বাড়ছে। শুল্কহার স্বাভাবিক পর্যায়ে রাখা হলে বৈধপথে আমদানি বাড়াবে। এতে বাড়বে রাজস্ব আয়। বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান সজন বলেন, সব বন্দরে আমদানি পণ্যের ওপর রাজস্ব পরিশোধের নিয়ম এক হতে হবে। চট্টগ্রাম বন্দরে যে পণ্যের ওপর রাজস্ব ৪ ডলার, বেনাপোল বন্দরে ওই একই পণ্যের ওপর সাড়ে ৪ ডলার শুল্ক আদায় করা হচ্ছে। বন্দরের ধারণক্ষমতা ৩৮ হাজার টন। কিন্তু এখানে সব সময় পণ্য থাকে কমপক্ষে দেড় লাখ টন। জায়গার অভাবে পণ্য খালাস করতে না পেরে ভারতীয় ট্রাক বন্দরে দিনের পর দিন দাঁড়িয়ে থাকছে। খোলা আকাশের নিচে রোদ-বৃষ্টিতে মূল্যবান পণ্যসামগ্রী পড়ে থেকে নষ্ট হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা বৈধ সুবিধা পেলে এ বন্দর থেকে সরকারের রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হবে।

যশোর চেম্বার অব কমার্সের সাবেক সভাপতি মিজানুর রহমান খান জানান, বেনাপোল বৃহৎ বন্দর হলেও এর কেনো সুফল আমরা পাচ্ছি না। সপ্তাহে ৭ দিন বাণিজ্যসেবা চালু থাকলেও কাগজে-কলমে। বাণিজ্য প্রসার করতে হলে বৈধ সুবিধা ও অবকাঠামো উন্নয়নের বিকল্প নেই। বাণিজ্য প্রসার করতে হলে বেনাপোলে সব ধরনের হয়রানিমুক্ত করা প্রয়োজন। বেনাপোল বন্দর উপরিচালক (ট্রাফিক) মামুন কবীর তরফদার জানান, বন্দরের অবকাঠামো উন্নয়নে নতুন জায়গা অধিগ্রহণ ও আমদানি পণ্যের নিরাপত্তায় সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হচ্ছে। এসব কার্যক্রম চালু হলে এ বন্দর দিয়ে আমদানির সঙ্গে রাজস্বও বাড়বে বলে জানান তিনি।

এ ব্যাপারে বেনাপোল কাস্টমের কমিশনার মো. আজিজুর রহমান জানান, গত অর্থবছরের শেষের দিকে কম শুল্কযুক্ত অথবা শুল্কমুক্ত পণ্য বেশি আমদানি হয়েছে। যার মধ্যে চাল অন্যতম। এতে আমদানির পরিমাণ বাড়লেও রাজস্ব আদায় হয়নি। তারপরও আমাদের ৫৭ শতাংশ বেশি রাজস্ব আদায় করতে পেরেছি গতবছরের তুলনায়। করোনার দুর্যেগ কেটে গেলে আশা করছি বাণিজ্য স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীসেপ্টেম্বর - ২৪
ফজর৪:৩২
যোহর১১:৫১
আসর৪:১২
মাগরিব৫:৫৬
এশা৭:০৯
সূর্যোদয় - ৫:৪৭সূর্যাস্ত - ০৫:৫১
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৬৯৮০.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.