নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, শুক্রবার ৩১ জুলাই ২০২০, ১৬ শ্রাবণ ১৪২৭, ৯ জিলহজ ১৪৪১
করোনাভাইরাসে ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৪৮ জনের শনাক্ত ২৬৯৫
স্টাফ রিপোর্টার
দেশে দীর্ঘতর হচ্ছে করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) মৃত্যুর তালিকা। গত ২৪ ঘণ্টায় এ তালিকায় যুক্ত হয়েছে আরও ৪৮ জনের নাম। ফলে ভাইরাসটিতে মৃতের সংখ্যা এখন ৩ হাজার ৮৩ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় এ ভাইরাস পাওয়া গেছে আরও ২ হাজার ৬৯৫ জনের দেহে। এতে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল দুই লাখ ৩৪ হাজার ৮৮৯ জনে।

গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে করোনাভাইরাস বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের দৈনন্দিন বুলেটিনে এ তথ্য জানান অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা। তিনি পিসিআর-ল্যাবরেটরিতে নমুনা পরীক্ষার তথ্য তুলে ধরে জানান, করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় ১২ হাজার

৬৬৭টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় আগের কিছু মিলিয়ে ১২ হাজার ৯৩৭টি নমুনা। এ নিয়ে মোট নমুনা পরীক্ষা করা হলো ১১ লাখ ৬৪ হাজার ১৯৫টি। নতুন পরীক্ষায় করোনা মিলেছে দুই হাজার ৬৯৫ জনের মধ্যে। এ নিয়ে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল দুই লাখ ৩৪ হাজার ৮৮৯ জনে। আক্রান্তদের মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন আরও ৪৮ জন। ফলে ভাইরাসটিতে মোট মৃত্যু হলো তিন হাজার ৮৩ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরও দুই হাজার ৬৬৮ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল এক লাখ ৩২ হাজার ৯৬০ জনে।

মৃতদের বয়স বিভাজনের তথ্য তুলে ধরে নাসিমা সুলতানা বলেন, ২৪ ঘণ্টায় যারা মৃত্যুবরণ করেছেন, তাদের মধ্যে ৩১ থেকে ৪০ বছরের একজন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের চারজন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের ১৪ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের ১২ জন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের ১১ জন, ৮১ থেকে ৯০ বছরের পাঁচজন এবং ৯১ থেকে ১০০ বছরের মধ্যে একজন ছিলেন। এ পর্যন্ত বয়স বিভাজন ভিত্তিতে মৃতের সংখ্যা ও শতকরা হার তুলে ধরে তিনি বলেন, যারা মারা গেছেন, তাদের মধ্যে শূন্য থেকে ১০ বছরের ১৮ জন, যার হার দশমিক ৫৮ শতাংশ; ১১ থেকে ২০ বছরের ৩০ জন, হার দশমিক ৯৭ শতাংশ; ২১ থেকে ৩০ বছরের ৮৫ জন, হার ২ দশমিক ৭৬ শতাংশ; ৩১ থেকে ৪০ বছরের ২০২ জন, হার ৬ দশমিক ৫৫ শতাংশ; ৪১ থেকে ৫০ বছরের ৪৩৫ জন, হার ১৪ দশমিক ১১ শতাংশ; ৫১ থেকে ৬০ বছরের ৮৯০ জন, হার ২৮ দশমিক ৮৭ শতাংশ এবং ৬০ বছরের অধিক বয়সের ১ হাজার ৪২৩ জন ছিলেন, যার হার ৪৬ দশমিক ১৬ শতাংশ।

বিভাগভিত্তিক মৃতের সংখ্যা তুলে ধরে তিনি বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে ১৭ জন, চট্টগ্রামে ১২ জন, খুলনায় পাঁচজন, সিলেটে পাঁচজন, রাজশাহীতে তিনজন, বরিশাল, ময়মনসিংহ ও রংপুর বিভাগে দুজন করে মৃত্যুবরণ করেছেন।

এ পর্যন্ত বিভাগভিত্তিক মৃতের সংখ্যা ও শতকরা হার তুলে ধরে তিনি বলেন, ঢাকা বিভাগে এক হাজার ৪৭৫ জন মারা গেছেন, যার হার ৪৭ দশমিক ৮৪ শতাংশ; চট্টগ্রামে ৭৫১ জন, হার ২৪ দশমিক ৩৬ শতাংশ; রাজশাহীতে ১৮২ জন, হার ৫ দশমিক ৯০ শতাংশ; খুলনায় ২১৯ জন, হার ৭ দশমিক ১০ শতাংশ; বরিশালে ১০২ জন, হার ৩ দশমিক ৯২ শতাংশ; সিলেটে ১৫১ জন, হার ৪ দশমিক ৯০ শতাংশ; রংপুরে ১৭৭ জন, হার ৩ দশমিক ৮০ শতাংশ এবং ময়মনসিংহ বিভাগে ৬৭ জন মারা গেছেন, যার হার ২ দশমিক ১৭ শতাংশ।

গতকাল বৃহস্পতিবারের বুলেটিনে জানানো হয়, ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ২০ দশমিক ৮৩ শতাংশ এবং এ পর্যন্ত শনাক্তের হার ২০ দশমিক ১৮ শতাংশ। আর রোগী শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৫৬ দশমিক ৬১ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৩১ শতাংশ।

২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেছেন ৪১ জন এবং বাড়িতে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে জানিয়ে নাসিমা সুলতানা বলেন, ঢাকা মহানগরীতে সাধারণ শয্যায় ভর্তি আছেন দুই হাজার ৮৪ জন এবং আইসিইউ শয্যায় ভর্তি আছেন ১৯৩ জন। সারাদেশের অন্যান্য হাসপাতালের সাধারণ শয্যায় রোগী ভর্তি আছেন এক হাজার ৫৩৭ জন এবং আইসিইউতে রোগী ভর্তি আছেন ১০৬ জন। সারাদেশে সব মিলিয়ে সাধারণ শয্যা সংখ্যা ২৪০টি, রোগী ভর্তি আছেন তিন হাজার ৯৭১ জন, শয্যা খালি আছে ১১ হাজার ২৬৯টি। সারাদেশে আইসিইউ শয্যার সংখ্যা ৫৪৯টি, রোগী ভর্তি আছেন ৩২৩ জন, শয্যা খালি আছে ২২৬টি। সারাদেশে অক্সিজেন সিলিন্ডারের সংখ্যা ১২ হাজার ৩৫২টি, হাই ফ্লো নেজাল ক্যানোলার সংখ্যা ৩১৪টি এবং অক্সিজেন কনসেনট্রেটরের সংখ্যা ১৫৭টি।

আইসোলেশনে গত ২৪ ঘণ্টায় যুক্ত হয়েছেন ৬৩৫ জন, এই সময় ছাড়া পেয়েছেন ৭৩৬ জন। এ পর্যন্ত সর্বমোট আইসোলেশনে গেছেন ৪৯ হাজার ৯৫১ জন এবং ছাড় পেয়েছেন ৩১ হাজার ৩৮৩ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ১৮ হাজার ৫৬৮ জন। ২৪ ঘণ্টায় কোয়ারেন্টাইনে যুক্ত হয়েছেন দুই হাজার ৪৫৩ জন এবং এ পর্যন্ত কোয়ারেন্টাইনে গেছেন চার লাখ ৩৪ হাজার ৩৯৭ জন। ২৪ ঘণ্টায় কোয়ারেন্টাইন থেকে ছাড়া পেয়েছেন দুই হাজার ২৭২ জন এবং এ পর্যন্ত কোয়ারেন্টাইন থেকে ছাড় পেয়েছেন তিন লাখ ৭৬ হাজার ৯৭২ জন। বর্তমানে কোয়ারেন্টাইনে আছেন ৫৭ হাজার ৪২৫ জন। বুলেটিনে বরাবরের মতো করোনা থেকে সুরক্ষিত ও সুস্থ থাকতে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানান ডা. নাসিমা।
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীআগষ্ট - ১১
ফজর৪:১১
যোহর১২:০৪
আসর৪:৪০
মাগরিব৬:৩৮
এশা৭:৫৬
সূর্যোদয় - ৫:৩২সূর্যাস্ত - ০৬:৩৩
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
১২৫৮৯.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.