নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, শুক্রবার ৩১ জুলাই ২০২০, ১৬ শ্রাবণ ১৪২৭, ৯ জিলহজ ১৪৪১
জমে উঠেছে রাজধানীর পশুর হাট বেশি চাহিদা মাঝারি গরুর
জাহাঙ্গীর খান বাবু
আগামীকাল শনিবার ঈদুল আজহা। রাজধানীতে গত ২৫ তারিখ থেকেই কোরবানির পশুর হাট বসেছে। হাটে ২২ তারিখেই পশু উঠানো শুরু হলেও গতকাল বৃহস্পতিবার থেকেই শুরু হয়েছে বেচাকেনা। আজ শুক্রবার পুরোদমে বেচাকেনা চলবে বলে বিক্রেতারা আশা করছেন।

এবার রাজধানীর ডিএনসিসি এলাকায় ৬টি ও ডিএসসিসিতে ১১টি হাটের ইজারা দেয়া হয়েছে। এছাড়াও সারাদেশে গরু কেনাবেচার জন্য রয়েছে এক হাজার অনলাইন প্ল্যাটফর্ম। বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাসের কারণে অন্যবারের তুলনায় এবার হাটে ক্রেতা কম এলেও, পশু বেচাকেনা শুরু হয়েছে। হাটে পর্যাপ্ত কোরবানির পশু থাকলেও ক্রেতারা বলছেন, ব্যাপারীরা দাম ছাড়ছেন না। দাম বেশি চেয়ে বসে থাকছেন। অন্যদিকে ব্যাপারীরা বলছেন, বড় গরুর তুলনায় ছোট ও মাঝারি গরুর চাহিদা বেশি। বড় গরুর ক্রেতা কম আসছে। উত্তরখান মৈনারটেক হাউজিং প্রকল্পের হাটে কুষ্টিয়া থেকে ২০টি গরু নিয়ে এসেছেন মোবারক হোসেন। তিনি জানান, প্রায় এক সপ্তাহে শুধু দুইটা গরু বিক্রি হয়েছে। আজ থেকে ক্রেতা বাড়ায় বাকি গরুগুলো বিক্রি হবে বলে আশা করছি। হাটের দামের তুলনা করতে গিয়ে তিনি বলেন, গরুগুলোর দাম গত বছর ১ লাখ থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকার মধ্যে হলেও এবার দাম প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে।

এদিকে এখন পর্যন্ত যারা কোরবানির গরু কিনেছেন তাদের অনেকেই বলেছেন, অন্য বছরের তুলনায় গরুর দাম এবার অনেকটাই কম। হাটে আসা এক ক্রেতা জানান, গরুর দামাদামি চলছে। ব্যাপারীরা বেশি দাম চাইছেন বলে মনে হচ্ছে। হাটে পর্যাপ্ত গরু আছে। সুবিধা মতো পেলে একটা কিনে নেবো। ডিএসসিসির মেরাদিয়া বাজার পশু হাটে সিরাজগঞ্জ থেকে ১০০টি ছাগল নিয়ে এসেছে রানা ম-ল। তিনি জানান, ৫ দিন ধরে হাটে আসছি। মাত্র ১২টি ছাগল বিক্রি হয়েছে, তাও প্রায় কেনা দামে। আজ ক্রেতা আসা শুরু করেছে। আশা করছি শুক্রবারের মধ্যে সব ছাগল বিক্রি হয়ে যাবে। তবে হাটে এবার গরু, মহিষ ও ছাগলের বাইরে অন্য পশু তেমন দেখা যায়নি। হাটের মাইক থেকে বারবার ঘোষণা করা হচ্ছে, ১৫ বছরের নিচের কাউকে হাটে প্রবেশ না করার জন্য। মাস্ক ছাড়াও হাটে প্রবেশ না করার জন্য বলা হচ্ছে। এদিকে শনিরআখড়া পশুর হাটের ইজারাদার মো. কামরুজ্জামান বলেন, এখন পর্যন্ত বেচাকেনা খুবই কম। আশা করছি আজ ও কাল, দুদিনের কেনাবেচায় ইজারা মূল্য উঠবে। তিনি বলেন, আমরা নিয়ম মেনে হাট পরিচালনা করছি।

কচুখেত থেকে হাটে গরু কিনতে এসেছেন ব্যবসায়ী মো. সারোয়ার। তিনি বলেন, আজকে গরুর দাম একটু বেশি। হাটে দুই ঘণ্টা ঘুরে একটা গরু আর একটা ছাগল কিনেছি। গরুর দাম নিয়েছে হাসিলসহ এক লাখ ২৩ হাজার টাকা আর ছাগলের দাম নিয়েছে ১৪ হাজার টাকা। মনে হচ্ছে এবার ঈদের আগের রাতে দাম কমে যাবে।

পোস্তগোলা থেকে গাবতলী হাটে এসেছেন ব্যবসায়ী মো. আলম। তিনি বলেন, সকাল ১১টায় হাটে এসেছি। তিন ঘণ্টা ঘুরে গরু কিনলাম। আমি গরু কিনেছি এক লাখ ৩৬ হাজার টাকা দিয়ে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হাটে গরুর দাম বাড়ছে।

মো. জামাল মিরপুর ১৪ নাম্বার থেকে এসেছে গরু কিনতে। তিনি বলেন, আমি হাট ঘুরে দেখলাম পর্যাপ্ত গরু আছে। ব্যাপারীরা দাম চেয়ে বসে থাকছেন। দাম ছাড়ছেন না। তিন ঘণ্টা বাজার ঘুরে গরু কিনেছি। আমার গরুর দাম হাসিলসহ পড়েছে ৬৮ হাজার টাকা।

মেহেরপুর থেকে হাটে এসেছেন মো. আমিনুল ব্যাপারী। তিনি বলেন, আমি এবার হাটে দশটি গরু নিয়ে এসেছি। আমার সবগুলো গরু ছিল গৃহস্থের। বুধবার রাত থেকে সকালের মধ্যে আমার সব গরু বিক্রি করে ফেলেছি। গতবারও হাটে গরু এনেছিলাম, কিন্তু লাভ করতে পারিনি। এবার যে দাম পেয়েছি কোনোমতে অল্প লাভে বিক্রি করে দিয়েছি সব গরু। ক্ষতির ভয়ে দুইদিন আগে বিক্রি করে ফেলেছি। আমার দশটা গরু ১৭ লাখ টাকায় বিক্রি করেছি। ছোট বড় মাঝারি মিলিয়ে আমার সব ধরনের গরু ছিল। বড় গরুটা বিক্রি করছি সাড়ে তিন লাখ টাকা। হাটে বড় গরুর চেয়ে মাঝারি আর ছোট গরুর চাহিদা অনেক বেশি। কাস্টমাররা খালি মাঝারি আর ছোট গরু খোঁজেন।

মানিকগঞ্জের গরু ব্যাপারী আব্দুল্লাহ আল মামুন। তিনি বলেন, আজকে হাটে ভালো ক্রেতা আছে। কিন্তু ক্রেতারা বড় গরুর দাম বলছে না। বেশিরভাগ ক্রেতাই ছোট আর মাঝারি গরু খুঁজছেন। ছোট গরুর চাহিদা খুব বেশি। আমি পাঁচটি বড় গরু মানিকগঞ্জ থেকে এনেছি। গরুগুলোর দাম খুব কম ক্রেতা জানতে চাচ্ছেন, বলছেন।

গাবতলী পশুর হাট পরিচালনা কমিটির সদস্য মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, বেচাকেনা ভালো হচ্ছে। আজকে রোদ উঠেছে। আমাদের আশা অনুযায়ী বেচাকেনা হচ্ছে না। ঈদের আগের রাতে কী হবে আগে থেকে কিছু বলা যাচ্ছে না। করোনাভাইরাস আর বৃষ্টির কারণে শেষ দিন বেচাকেনা কম হতে পারে।
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীআগষ্ট - ১১
ফজর৪:১১
যোহর১২:০৪
আসর৪:৪০
মাগরিব৬:৩৮
এশা৭:৫৬
সূর্যোদয় - ৫:৩২সূর্যাস্ত - ০৬:৩৩
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
১২৫৭৬.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.