নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, রোববার ১৩ আগস্ট ২০১৭, ২৯ শ্রাবণ ১৪২৪, ১৯ জিলকদ ১৪৩৮
বর্ষার ছন্দে বিভোর
পদ্মনাভ অধিকারী
প্রখর দারুণ তাপ শেষে আসে বরষা, বরষার নবীন ধারায় প্রকৃতিতে পড়ে যায় সাড়া। আর বরষার অমিত সম্ভাবনার ভরসায় উজ্জীবিত হয় দেশের মানুষ, তখন মনানন্দে গুন গুনিয়ে ওঠে- 'বর্ষা এলো রিমঝিমিয়ে/রুপোর নূপুর-পায়, সেই ধারা যায় গো বয়ে/শহর নগর গাঁয়...'। বরষা ঋতুর আগমন মানুষের মনে আলাদা এক অনুভূতির সঞ্চার করে, বিশেষ করে শিশু-কিশোরদের একটা আন্দোলিত হবার সুযোগ করে দেয়, নতুন ধারায় তারা সিক্ত হতে চায়, সিক্ত হয় মাটি; শুরু হয় ছোটাছুটি-লুটোপুটি।

'নীল নব ঘনে আষাঢ় গগনে

তিল ঠাঁই আর নাহিরে।

ও গো, আজ তোরা যাস নে ঘরের বাহিরে।

বাদলের ধারা ঝরে ঝর ঝর,

কালি-মাখা মেঘ ওপারে আঁধার

ঘনিয়েছে দেখ চাহিরে।

ও গো, আজ তোরা যাসনে ঘরের বাহিরে...'।

(আষাঢ়-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)

শিশু-কিশোরেরা মানে কি সে মানা, বরষার উৎসবে, নবীন ধারায় স্নান ও গানে ওঠে মেতে।

আবার যখন অলস মেঘের দিন মন রয় না ঘরে, মনানন্দে-খুঁজে ফেরে_

'বৃষ্টি নামে রিম ঝিমিয়ে/রিমঝিমিয়ে রিমঝিমিয়ে/টিনের চালে, গাছের ডালে,/হাওয়ার তালে গাছের ডালে/বৃষ্টি ঝরে তালে তালে,/বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর,/বৃষ্টি নামে মিষ্টি মধুর,/

জুঁই চামেলি ফুলের বোঁটায়/বৃষ্টি নামে ফোঁটায় ফোঁটায়,/বাদলা দিনের একটানা সুর/বৃষ্টি নামে ঝুমুর ঝুমুর'

(শ্রাবণের বৃষ্টি-ফররুখ আহমদ)

আবার শিশু-কশোরেরা যখন দেখে, সব জলমগ্ন তখন-আওড়ে যায়-

বর্ষার ঝরঝর সারাদিন ঝরছে

মাঠ ঘাট থৈ থৈ খালবিল ভরছে-।

গুরু গুরু ডাকে দেয়া

ফুটেছে কদম কেয়া

ময়ূর পেখম মেলে সুখে তাল ধরছে,

বর্ষার ঝরঝর সারাদিন ঝরছে-।

(বর্ষার ঝরঝর-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।)

বর্ষার অবিশ্রান্ত ধারায় কি শহর কি গাঁ, সব জায়গা জলমগ্ন। ডিঙ্গি নৌকা ছাড়া চলাচলের উপায় থাকে না, তবুও-

'জল ঝরে জল ঝরে সারা দিন সারা রাত

অফুরান নামতায় বাদলের ধারাপাত।

আকাশের মুখ ঢাকা ধোঁয়া মাখা চারি ধার,

পৃথিবীর ছাতা পিটে ঝমাঝম বারিধারা।

স্নান করে গাছপালা প্রাণ খোলা বরষায়,

নদী নালা ঘোলাজলে ভরে ওঠে বরষায়।

উৎসব ঘনঘোর উন্মাদ শ্রাবণের

শেষ নাই শেষ নাই বরষার প্লাবণের-।

(শ্রাবণ-সুকুমার রায়)

কিন্তু বরষা শিশু-কিশোরদের আবেগকে, তারা যেমন ধরে রাখতে পারে না তেমন বরষা ও নিজেরে নিয়ন্ত্রণ রাখতে না পেরে অবিরাম ঝরতে থাকে। যা শিশু-কিশোরদর মাতিয়ে রাখে বাদল দিনের খেলায়।

তাই_

'বরর্ষরা আকাশে মেঘের ভেলা

সূর্যকে নিয়ে লুকোচুরি খেলা,

রংধনু সাত রঙের মেলা

কদম কেতকী ফুলের গন্ধে

বৃষ্টির রিমঝিম ছন্দে

পায়রার বাক বাকুম সুরে

মন চলে যায় অচিন পুরে-'

(ছড়া-প্রদোৎ)

যে ছন্দ-লয়ের ঘোরে ডুবে থাকে শিশু-কিশোরেরা, শহর নগর-গাঁও।
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীনভেম্বর - ১৬
ফজর৫:১২
যোহর১১:৫৪
আসর৩:৩৯
মাগরিব৫:১৭
এশা৬:৩৫
সূর্যোদয় - ৬:৩৩সূর্যাস্ত - ০৫:১২
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৩১৩৬.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.