নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, রোববার ১৩ আগস্ট ২০১৭, ২৯ শ্রাবণ ১৪২৪, ১৯ জিলকদ ১৪৩৮
দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে ফের বন্যার রুদ্ররূপ
স্টাফ রিপোর্টার
গত ৩ দিনে টানা বর্ষণে ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। উজান থেকে পানি আসা ও বৃষ্টিপাত বেড়ে যাওয়ায় দেশের বিভিন্ন স্থানে নদ-নদীর পানি বাড়ছে। নতুন করে প্লাবিত হতে শুরু করেছে উত্তরবঙ্গের নিম্নাঞ্চলের জেলাগুলো। এছাড়া হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, লালমনিরহাট, দিনাজপুর, কুড়িগ্রাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া, চট্টগ্রাম ও নালিতাবাড়ীর নিম্নাঞ্চল পানিতে ডুবে গেছে। টানা বৃষ্টিতে বিষিয়ে উঠেছে জনজীবন। হাঁটু ও কোমর পানিতে ডুবে গেছে সড়ক, বাসাবাড়ি ও হাসপাতাল। ভোগান্তিতে পড়েছে কর্মজীবী, শিক্ষার্থী ও রোগীরা। গতকাল শনিবার সরকারি ছুটির দিন হলেও রাজধানীতে বেশিরভাগ বেসরকারি অফিস ও বেশ কিছু স্কুল খোলা ছিল। সকালে মোহাম্মদপুরের স্কুলগুলোর সামনে গিয়ে দেখা যায়, মর্নিং শিফটের ক্লাস শেষে বেরিয়ে আসা শিশুরা বৃষ্টিতে ভিজে বাড়ির পথে রওনা দিয়েছে। এমন ১ শিশুকে নিতে আসা মা লায়লাতুন নেসা বলেন, শ্রাবণে তো বৃষ্টি হবেই। গত শুক্রবারও আমরা বর্ষার কবিতা পড়লাম অনুষ্ঠানে। কিন্তু বর্ষা উপভোগের শহর ঢাকা না। এখন খানাখন্দ পার হয়ে বাসার দিকে যাবো কী করে সেটাই ভাবছি।

গত শুক্রবার বৃষ্টি হওয়ায় বাজারে আসেননি আনিসুর রহমান। গতকাল শনিবারও সেই বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় বাজারে আসতে বাধ্য হয়েছেন। তিনি হেসে বলেন, ছাতা নিয়ে হাঁটবো সে উপায়ও নাই। ফুটপাতে একে অপরের গায়ে ছাতার গুতো লাগে। আর পাড়া মহল্লার সব ফুটপাতে তো সস্নাবগুলো তোলা। ফলে মেইন রাস্তা দিয়েই হাঁটা লাগে। সব মিলিয়ে এ শহরে বর্ষা অভিশাপ। এরপর রাস্তায় ভিড় ছিল অন্যান্য শনিবারের মতোই। মানুষ কাজে বেরিয়েছেন, শিশুরা স্কুলে গেছে, মা কাজে বেরিয়েছেন শিশুকোলে। রাজধানীতে বেশিরভাগ এলাকায় জ্যাম না থাকলেও পানি জমে যাওয়া পুরান ঢাকার বেশকিছু এলাকায় চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে।

জানা গেছে, আগস্টে বড় বন্যা আসছে বলে আগেই সতর্ক করেছিলেন পানিসম্পদ মন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ। মন্ত্রীর সতর্কবাণী সত্যি হতে চলেছে। দেশের সীমান্তবর্তী জেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলায় ৪টি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল ও চট্টগ্রামের রাউজানে নতুন করে কমপক্ষে ৩০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এছাড়া সুনামগঞ্জ, লালমনিরহাটে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে।

আখাউড়া প্রতিনিধি জানান, টানা বর্ষণ এবং ত্রিপুরা রাজ্যের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ব্রাক্ষণবাড়িয়ার সীমান্তবর্তী আখাউড়া উপজেলার ৪টি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে কৃষকের রোপা আমন ও আউশ ধানের ফসলি জমি, বসতঘরসহ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। তাছাড়াও পানিতে ডুবে গেছে গ্রামীণ সড়ক। ভেসে গেছে পুকুরের মাছ। এতে অন্তত ৫শ হেক্টর রোপা আমন ও আউশ পাকা ধানের ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে যায়।

লালমনিরহাট প্রতিনিধি জানান, লালমনিরহাটে ভারী বর্ষণ ও ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তিস্তার পানি ফের বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে তিস্তা নদীর পানি দোয়ানী ব্যারেজ পয়েন্টে গত শুক্রবার ভোর ৬টায় বিপদসীমার দুই সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও দুপুরে বিপদসীমা ছুঁই ছুঁই। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় যেকোনো সময় বিপদসীমা অতিক্রম করতে পারে বলে পাউবো কন্ট্রোল রুম সূত্র জানিয়েছে। এছাড়া ভারী বর্ষণে জেলার ছোট-বড় সব কয়েকটি নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। পানি বৃদ্ধি পেয়ে তিস্তা নদীর চরাঞ্চল ও তীরবর্তী কয়েকটি এলাকায় পানি ঢুকে পড়েছে। ফলে নিম্নাঞ্চলের শত শত বিঘা জমির সদ্য রোপণকৃত আমন ধান, সবজিসহ নানা ফসল তলিয়ে গেছে।

ডালিয়া (দোয়ানী ব্যারেজ) পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমান জানান, গত শুক্রবার সকাল থেকেই তিস্তার পানি প্রবাহ বিপদসীমার কাছাকাছি অবস্থান করছিল। পানি বৃদ্ধি পেয়ে গতকাল শনিবার সকাল থেকেই বিপদসীমার ২৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। তবে পানি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ব্যারেজের সবগুলো গেট খুলে দেয়া হয়েছে।

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, সিলেট বিভাগের সুনামগঞ্জে গত কয়েক দিনের টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। ফলে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়ে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে জেলার বিভিন্ন উপজেলার সাথে সড়ক যোগাযোগ। ফলে বাড়ি থেকে বের হতে পারছেন না সাধারণ মানুষ।

জানা যায়, জেলার পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টির পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বিশ্বম্ভরপুর, জামালগঞ্জ, ধর্মপাশা, মধ্যনগর, দোয়ারা, ছাতক, দিরাই-শাল্লা উপজেলায় ১০ হাজার হেক্টরের অধিক রোপা আমন ক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে। নিম্ন অঞ্চলের স্কুল, হাট-বাজার, বসতবাড়ি, রাস্তা-ঘাট ও নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। জেলার সুরমা নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় শতাধিক প্রাথমিক বিদ্যালয়, হাসাপাতাল, বিভিন্ন হাট-বাজার ও নিম্ন অঞ্চলগুলোর বসতবাড়ি পানিতে প্লাবিত হয়েছে। ডুবে যাওয়া হাট-বাজারের দোকানের মালামাল অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছে ও স্কুলগুলোতে ছাত্ররা আসতে না পারায় ক্লাস বন্ধ রয়েছে।

আরও জানা যায়, তাহিরপুর উপজেলার ২৩টি হাওর ও নদ-নদীগুলোতে বিপদসীমার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। সপ্তাহখানেকের ভারি বর্ষণে সীমান্তের ছোট-বড় ২০ ছড়া দিয়ে প্রবল বেগে পাহাড়ি ঢলের পানি প্রবাহিত হওয়ার কারণে পাহাড় ধসের আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে চারাগাঁও, চাঁনপুর, রজনী লাইন, বড়ছড়া, বাগলী সীমান্তে বসবাসকারী মানুষ।

এদিকে যাদুকাটা নদী দিয়ে পাহাড়ি ঢলের পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবল বেগে প্রবাহিত হওয়ায় নদী তীরবর্তী বিন্নাকুলি, আনোয়ারপুর বাজার ভেঙে যাচ্ছে। এছাড়াও বসতবাড়িগুলো রক্ষা করার জন্য ওই এলাকার লোকজন পানির সাথে যুদ্ধ করছে। অব্যাহত ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে বন্যা দেখা দিয়েছে তাহিরপুর উপজেলার-পাতারগাঁও, ইছুবপুর, টেন্ডারপাড়া, সোহালা, সত্রিশ, ইসলামপুর, লামাগাঁও, লামাগাঁওসহ ৪০ গ্রামের মানুষের বসতবাড়ির চারপাশে পানিবন্দি হয়ে আছে ও রাস্তাঘাট ডুবে গেছে।

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি জানান, গত জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহে প্রথম দফা বন্যায় প্রায় আড়াই লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়েছিল। নদী ভাঙনের শিকার হয়েছিল সাড়ে ৪ হাজার পরিবার। সেই রেষ কাটতে না কাটতে ফের প্লাবিত হতে শুরু করেছে উত্তরবঙ্গের নিম্নাঞ্চলের জেলাগুলো। গতকাল শনিবার সকাল থেকে বিপদসীমার ২৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে তিস্তা নদীর পানি। গত ২৪ ঘণ্টায় নীলফামারীতে ১৮৬ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। কয়েক দিনের ভারি বৃষ্টি আর উজানের ঢলে গত শুক্রবার সকাল থেকে পানি বাড়তে থাকে। এতে তিস্তার আশপাশের এলাকা ও নীলফামারী, লালমনিরহাটের বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। তিস্তার পাশাপাশি বুড়ি তিস্তা, কুমলাই, দেওনাই, চুড়ালকাটা ও নাউতরা নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে নদীর দু'পাশে বসবাসরত শত শত পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

এদিকে টানা তিনদিন ধরে বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্র, ধরলা ও তিস্তাসহ প্রধান প্রধান নদ-নদীর পানি দ্রুতগতিতে বাড়ছে। ফলে দ্বীপচর ও নদ-নদী তীরবর্তী এলাকা দ্বিতীয় দফা বন্যার কবলে পড়েছে। ইতোমধ্যে চর, দ্বীপচর ও নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের দেড় শতাধিক গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে গতকাল ৫০ হাজার মানুষ। গতকাল শনিবার দুপুরে ধরলা নদীর পানি ব্রিজ পয়েন্টে বিপদসীমার ৪১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

চট্টগ্রাম ব্যুরো জানায়, ২ দিনের বৃষ্টিতে বিষিয়ে উঠেছে বন্দরনগরী চট্টগ্রামের জনজীবন। বৃষ্টিতে আবার তলিয়ে গেছে নগরীর এক তৃতীয়াংশ এলাকা। হাঁটু ও কোমর পানিতে ডুবে গেছে সড়ক, বাসাবাড়ি ও হাসপাতাল। ভোগান্তিতে পড়েছে কর্মজীবী, শিক্ষার্থী ও রোগীরা।

অমাবস্যার প্রভাবে মৌসুমি বায়ু সক্রিয় হয়ে উঠায় গত বৃহস্পতিবার থেকে চট্টগ্রামে টানা বৃষ্টি শুরু হয়। এর মধ্যে থেমে থেমে কয়েকদফা ভারি বৃষ্টি হওয়ায় চট্টগ্রামের নিচু এলাকা ডুবে যায়। এর আগে গত জুলাইয়ের মাঝামাঝি সময়ে ভরা পূর্ণিমায় টানা ভারী বর্ষণে চার থেকে পাঁচ দিন জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয় চট্টগ্রাম মহানগরজুড়ে।

চট্টগ্রামের পতেঙ্গা আবহাওয়া দপ্তর সূত্র জানিয়েছেন, গতকাল শনিবার সকাল নয়টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় ৮৩ দশমিক ৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় আরও ভারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

নালিতাবাড়ী (শেরপুর) প্রতিনিধি জানান, কয়েকদিনের টানা ভারি বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার ভোগাই, চেল্লাখালি নদীর পানি অস্বাভাবিক বেড়েছে। গতকাল শনিবার দুপুর পর্যন্ত ভোগাই নদীর পানি ছিটপাড়া পয়েন্টে ৭৩ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। মধ্য রাতে ভোগাই নদীর হাতিপাগার, নয়াবিল, শিমুলতলা, খালভাংগা, নিজপাড়া এলাকায় এবং চেল্লাখালি নদীর গোল্লাপাড় এলাকায় কমপক্ষে ১০ জায়গায় নদীতীর রক্ষা বাঁধ ভেঙে প্রবল বেগে পানি প্রবেশ করে পৌরসভাসহ ৬টি ইইনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। তলিয়ে গেছে আমনের বীজতলা, সদ্য রোপণকৃত আমনের ক্ষেত, শাকসবজি এবং শতাধিক পুকুর। বিধস্ত ৮/১০ টি ঘরবাড়ি। ভেসে গেছে ঘরের মালামাল। ঘর-বাড়িতে পানি প্রবেশ করে অর্ধলক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে।

আবহাওয়াবিদ বজলুর রশিদ বলেন, গতকাল শনিবার দুপুর পর্যন্ত ঢাকায় বৃষ্টি হয়েছে ১৬ মিলিমিটার। এ বৃষ্টিপাত ৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীনভেম্বর - ১৬
ফজর৫:১২
যোহর১১:৫৪
আসর৩:৩৯
মাগরিব৫:১৭
এশা৬:৩৫
সূর্যোদয় - ৬:৩৩সূর্যাস্ত - ০৫:১২
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৩১৩১.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.