নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, বৃহস্পতিবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২৮ ভাদ্র ১৪২৬, ১২ মহররম ১৪৪১
বাংলাদেশ আদর্শ রাষ্ট্রে পরিণত হওয়াটা সময়ের ব্যাপার মাত্র
আলহাজ্ব মো. রবিউল হোসেন
মানব শিশু সম্পর্কে মনোবিজ্ঞানভিত্তিক একটি দর্শন আছে। সেই দর্শনটি হলো_ 'নার্স দ্যা-বেবি, প্রটেক্ট দ্যা চাইল্ড এন্ড ফ্রি দ্যা এডাল্ট।'

অর্থাৎ শিশুর জন্মের পর থেকেই নার্সিং-এর মাধ্যমে লালন-পালন করতে হয়, শিশুকে সকল প্রকার বাধা বিপত্তির হাত থেকে রক্ষা করতে হয়, অতঃপর শিশুর বয়োবৃদ্ধির পর (১৮ বছর বয়স) সে স্বাধীনভাবেই চলবে বা চলতে দাও।

তারপরও মনোবিজ্ঞানে মানব শিশু বা বয়স্ক মানব সম্পর্কেও গাইডেন্সের গুরুত্বের কথা বলতে যেয়ে বলা হয়েছে_ 'গাইডেন্স কভার্ডস দ্যা হোলগ্যামাট অব ইউথ্স প্রোবলেম'। অর্থাৎ শিশুর জন্ম থেকে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত গাইডেন্সের প্রয়োজন। কথাটি সকলের জন্য প্রযোজ্য না হলেও অধিকাংশ মানুষের জন্য জন্ম থেকে আজীবন গাইডেন্স খুবই জরুরি।

অর্থাৎ গাইডেন্স ছাড়া কেউই ভালো পথে বা সুপথে চলতে পারে না। জীবনের সকল ক্ষেত্রে শিক্ষা অর্জন, চাকরি-বাকরি, ব্যবসা-বাণিজ্য, খেলাধুলা, চিকৎসা, রাজনীতি, স্বাস্থ্য রক্ষা অফিস-আদালত, চাষ-বাস, সংসার জীবন, পারিবারিক জীবন এমনি সকল ক্ষেত্রেই চাই নির্দেশা না নিয়ম-নীতি এবং নিয়ম- নীতি বাস্তবায়নেও চাই গাইডেন্স। গাইডেন্স ছাড়া একপাও চলার উপায় নেই। আর যাদের বা যার গাইডেন্স লাগে না আল্লাহ পাক তাকে বা তাদের গাইড করে থাকেন। নবী, রসুল, সমাজ রাষ্ট্রের এমনি বহু প্রতিভাবান, রাজনীতিক, কবি, সাহিত্যিক, চিকিৎসক, বিজ্ঞানী, ধর্মপ্রাণ মানুষ, শিক্ষক, শিক্ষাবিদদেরও সন্ধান মেলে পুথি পুস্তকে। মোট কথা যেভাবেই হোক না কোনো জীবনের সফলতা, সকল কর্মের সফলতা নির্ভর করে সঠিক গাইডেন্সের ওপর ভিত্তি করে। গাইডেন্স ভালো না হলে কোনো কর্মেই সফলতা কামনা করা যাবে না।

বলাবাহুল্য দেশে এখন গাইডেন্সের বড়ই অভাব। প্রতিটি ক্ষেত্রে গাইডেন্স থাকলেও বেশিভাগ ক্ষেত্রে সততার অভাব। দেশপ্রেম জবাবদিহিমূলক কার্যক্রমের অভাব বা গাইডেন্সের অভাব।

দেশের শিক্ষা বিভাগের ঊর্ধ্বতন শিক্ষা প্রশাসন, আছেন শিক্ষা সচিব, অনুরূপ, আইন বিভাগ, কৃষি বিভাগ, ব্যাংক, বীমা, চিকিৎসা, পরিবহণ, স্বাস্থ্য, রাষ্ট্র, বিমান হজ, পররাষ্ট্র, ব্যবসা-বাণিজ্য, রেল, বিমান এমনি দেশের গুরুত্বপূর্ণ বিভাগগুলোতে, স্থানীয়, জেলা, বিভাগীয় প্রশাসনিক প্রধান, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো সচিব পর্যায় থেকে গুরুত্বপূর্ণ সমস্যার সমাধান, নজরদারি, দিকনির্দেশনার অভাবে দেশের প্রায় প্রতিটি বিভাগ বা কর্মক্ষেত্রে দেখা দিয়েছে কর্মে শিথিলতা, অনিয়ম এবং দুর্নীতি জেঁকে বসেছে বা বসছে দিনে দিনে। দেশে দুর্নীতি, অনিয়ম, খুন, ধর্ষণ, চুরি, পুলিশের নজরদারির অভাব, প্রশাসনের নজরদারির অভাবজনিত কারণে, দেশের ছোট-বড় সকল ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রতিরোধ বর্তমানে_ হয় প্রধানমন্ত্রী না হলে হাইকোর্টের নজরদারি যেন দেশব্যাপী প্রধান হয়ে দাঁড়িয়েছে, একটি বাস্তব উদাহরণ দেই। গণমাধ্যমের এক খবর শিরোনামে উল্লেখ করা হয়েছে 'সড়কে এত মানুষ মারা যাচ্ছে। বিবেক একটুও জাগে না'? বিআরটিএ ও পুলিশের ভূমিকা নিয়ে হাইকোর্ট।

উল্লেখ্য, সড়ক-মহাসড়কে ফিটনেসবিহীন যান অবাধে চলাচল করায় বিআরটিএ ও পুলিশের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছে হাইকোর্ট। অর্থাৎ হাইকোর্টের বক্তব্য হলো- এক্ষেত্রে বিআরটিএ প্রশাসন এবং অনিয়ম দেখার জন্য পুলিশের ভূমিকাই বা কী?

মহামান্য আদালতের বক্তব্য হচ্ছে, দেশের উন্নয়নের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিন-রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন-ভাতা দ্বিগুণ করা হয়েছে। এমনকি বাড়ি-গাড়িও দেয়া হয়েছে। এরপরেও দুর্নীতি কমছে না। আমাদের সকলের জবাবদিহিতা থাকা দরকার। বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ গত ২৪ জুন সোমবার এ মন্তব্য করেন।

আদালতে উপস্থিত বিআরটিএর প্রতিনিধির উদ্দেশে হাইকোর্ট বলেন, আপনারা কী করেন? আদালত বলেন, সড়কে শৃঙ্খলা ফেরানোর জন্য কেন কোর্টকে আদেশ দিতে হবে? আপনাদেরও তো দায়িত্ব রয়েছে। আদালত আরও বলেন, পুলিশের নাকের ডগা দিয়ে ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল করছে। এত মানুষ মারা যাচ্ছে, তাদের বিবেক কি একটুও জাগে না? এভাবে চলতে পারে না। আমাদের একটা সিস্টেমের মধ্যে আসতে হবে।

যে অনিয়ম, দুর্নীতি সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তা, কর্মচারীদের দেখার কথা পুলিশ বা পুলিশ প্রশাসনের সেই নজরদারি (ছোট-খাটো) যদি দেশের প্রধানমন্ত্রী বা আদালতকে করতে হয় তাহলে প্রধানমন্ত্রী বা আদালতের মূল কাজ বা প্রধান দায়িত্ব পালন করবেন কখন এবং কিভাবে যার কাজ সেই যদি না করে গাইডেন্স দুর্বল ও দুর্নীতিযুক্ত হলে দেশ-বাঁচবে কীভাবে?

আদালত আরও বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে দেশ স্বাধীন হয়েছে প্রায় ৪৮ বছর। অনেক কিছুই এখনো শৃঙ্খলার মধ্যে আসছে না। দেশকে ভালোবাসতে হবে। দেশের জন্য কাজ করতে হবে। আমাদের সকলের দায়িত্ব রয়েছে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দেশ ও দেশের মানুষের জন্য আর্পিত দয়িত্ব পালন করা। আর দেশ নিয়ে স্বপ্ন দেখতে হলে অবশ্যই আইনের শাসন বাস্তবায়ন করতে হবে।

২৪ জুন বিআরটিএর পক্ষ থেকে দাখিল করা এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। নিবন্ধন আছে কিন্তু ফিটনেস নেই- এমন যানবাহনের সংখ্যা সারাদেশে ৪ লাখ ৫৮ হাজার ৬৯টি। এর মধ্যে ঢাকা-মহানগরে রয়েছে_ এক লাখ ৬৮ হাজার ৩০৮টি। বিআরটিএর রোড সেফটি বিভাগের পরিচালক শেখ মোহাম্মদ মাহবুব-ই-রাববানী সশরীরে আদালতে হাজির হয়ে ফিটনেস ও রেজিস্ট্রেশনবিহীন গাড়ির এ তালিকা দাখিল করেন।

জনৈক ম্যাজিস্ট্রেট সমগ্র ঢাকা শহর অভিযান চালিয়ে জানতে পেরেছেন যে ঢাকার ৯৩% দেখা নেই। মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রয়েছে এবং তা বিক্রি করা হচ্ছে। অপর এক মিডিয়ার খবরে জানা গেছে। এই মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধের পরিমাণ নাকি ৬৩%। মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সারাদেশ থেকে এক মাসের মধ্যে তুলে নিয়ে ধ্বংস করার নির্দেশ দিয়েছেন মহামান্য আদালত, হাইকোর্ট। হাইকোর্টকে অভিনন্দন। কিন্তু সবই যদি হাইকোর্টকে করতে হয় তাহলে ওষুধ কোম্পানি, ওষুধ প্রশাসন কী করেন? তাদেরই বা কাজ কী? হায়রে অভাগা জাতি- একজন সচিব মার্কিনযুক্ত রাষ্ট্রের প্রশিক্ষণে গিয়ে প্রশিক্ষণে অংশ না নিয়ে ঘুরে বেড়ানোয় মার্কিন সরকারের রোষানলে পড়ে খরচের সমুদয় অর্থ ফেরত দিতে বাধ্য হয়ে জাতিকে সীমাহীন লজ্জায় ফেলেছিলেন এক সময় সেই সচিব।

১ জুলাই বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকার খোলা কলামে লেখক : সম্পাদক, দৈনিক ঢাকা টাইমস, ঢাকা টাইমস-২৪ ডটকম ও সাপ্তাহিক এ সময়_ আরিফুর রহমান দোলন, তার এক লেখার শিরোনাম সচিবরা কাজ করেন, করেন না! লেখাটি পড়লাম। তিনি তার লেখার শুরুতেই লিখেছেন, নজিবুর রহমান জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান থাকাকালে রাজস্ব আহরণে ইতিবাচক পরিবর্তন হয়। কাস্টমস, কর কর্মকর্তারা যেমন কথাটি মাঝে মধ্যেই বলেন, তেমনি ব্যবসায়ী ও অন্য পেশাজীবীরাও বিষয়টি একবাক্যে স্বীকার করেন। ওই সময়ের পরিসংখ্যানও সেই কথাই বলে : শুনেছে রাত এগারোটা- বারটা অবধি কাজ করতেন সরকারের তৎকালীন সিনিয়র এ সচিব। যতদিন রাজস্ব বোর্ডের শীর্ষ পদে ছিলেন ততদিন একইভাবে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে গিয়েছেন, এখনো এটি এনবিআরের সংশ্লিষ্ট সবার মুখে মুখে।

লেখক আরিফুর রহমান দোলন তিনি তার লেখায় উল্লেখ করেছেন, সরকারের একজন নীতিনিধারকের কাছে শুনেছি, আবু আলম শহিদ খান সরকার বিভাগের সচিব থাকাকালীন দিন-রাত কাজ করতেন। তিনি সৃষ্টিশীল এবং দক্ষ কর্মকর্তা হিসেবে বেশ পরিচিত হয়ে উঠেছিলেন।

ভালো যারা তারা ভালোই। তাদের প্রশংসা রয়েছে মানুষের মুখে মুখেই। লেখক লিখেছেন, ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক উম্মে সালমা জিয়ার কাজের প্রশংসা করতে শুনেছি বিভিন্ন মহলে। বাল্যবিবাহ বন্ধ, মাদক নিয়ন্ত্রণ, ভেজাল খাদ্য রোধ, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার প্রসার, পরিবেশ বিপর্যয় রোধসহ বিভিন্ন কাজে নেয়া তার নানামুখী উদ্যোগের খবর বিভিন্ন সময় গণমাধ্যমে এসেছে। আলফাডাঙ্গার এক সময়ের ইউএনও আবুল খায়েরও একইভাবে সাধারণ মানুষদের খুবই আস্থাভাজন হয়ে উঠেন। আলমডাঙ্গার ভারপ্রাপ্ত ইউএনও আসাদুজ্জামান একইভাবে কাজের মাধ্যমে মানুষের আস্থা অর্জন করেন। বোয়ালমারীর সদ্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাকির হোসেন, নড়িয়ার জয়ন্তী রুপা রায় কাজ করে একইভাবে জনমত অর্জনে সক্ষম হন। কিন্তু ব্যতিক্রম ঘটনাও দেশে কম নেই। যে কারণে ৪৮ বছর দেশ স্বাধীন হওয়ার পরও যতটুকু উন্নতি-আশা করা হচ্ছিল ততটুকু উন্নতি এ পর্যন্ত হয়নি। হয়নি তার কারণও রয়েছে দেশে ভুরি ভুরি। দৃষ্টান্ত : এক সময়ের সাবেক একজন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সচিবের একটি ঘটনার কথা উল্লেখ করেছেন লেখক। সাবেক একজন উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তার মুখ থেকে শোনা গল্পটি। যিনি এক সময় সরকারের একটি সেক্টর কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী হিসেবে কাজ করেছেন। নিজের অভিজ্ঞতার বর্ণনা দিয়ে ওই উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তা দুঃখের সঙ্গে বলেছিলেন, সচিবের গৃহকর্মীর বেতন সেক্টর কর্পোরেশনের বাজেট থেকে দিতে বাধ্য করা হতো। বিস্ময়কর হলেও সত্য যে, বেতনের টাকা নাকি গ্রহণ করতেন ওই সচিবের স্ত্রী, যিনি কিনা গ্রহণকৃত বেতনের চেয়েও কম দিতেন গৃহকর্মীকে। পাপ বাপকেও ছাড়ে না। মুক্তিযুদ্ধের সার্টিফিকেট জটিলতায় ওই সচিবের চাকরি হারানোর ঘটনা এক সময় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছিল! আলোচিত এমন বহু ঘটনার আবর্তে দেশের উন্নতি-অবনতি বাধাগ্রস্ত। যে কারণে কর্ম ও কাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে জবাবদিহিতা বাড়াতে বাঙালিকে হাইকোর্ট দেখাতে হচ্ছে।

পাদটিকা ঃ গাইডেন্স সঠিক হলে, অর্থাৎ দেশের প্রশাসনযন্ত্র দক্ষ, দায়িত্বশীল, সৃজনশীল হলে ও সৎ দেশপ্রেমিক হলে বাংলাদেশ বিশ্বের মানচিত্রে একটি আদর্শ বাংলাদেশ হিসেবে পরিচিতি লাভ করাটা সময়ের ব্যাপার মাত্র। বর্তমানে দেশের বেশির ভাগ মানুষের প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রীর দেশ গড়ার স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করতে হলে দেশের সকল প্রশাসন যন্ত্রকে দক্ষ, দায়িত্বশীল হতে হবে এবং দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে জনসাধারণকে নিয়ে দেশ গড়ার কাজে আত্ম নিয়োগ করতে হবে।

আলহাজ্ব মো. রবিউল হোসেন : সাংবাদিক ও কলামিস্ট
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীনভেম্বর - ১৭
ফজর৪:৫৬
যোহর১১:৪৪
আসর৩:৩৭
মাগরিব৫:১৬
এশা৬:৩১
সূর্যোদয় - ৬:১৪সূর্যাস্ত - ০৫:১১
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৩৭৩২.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.