নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, শুক্রবার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৩০ ভাদ্র ১৪২৫, ৩ মহররম ১৪৪০
মনোহরদীর ডোমনমারা উচ্চ বিদ্যালয়
বাণিজ্য করতে না পেরে নিয়োগ ঠেকাতে আদালতে মিথ্যা মামলা
নরসিংদী থেকে কামরুল ইসলাম কামাল
নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার ডোমনমারা উচ্চ বিদ্যালয়ের নিয়োগ ঠেকাতে বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। নিজেকে বিদ্যালয়ের জমিদাতা দাবি করে শাহজাদা নামে এক প্রভাবশালীর নেতৃত্বে ৫ ব্যক্তি বাদী হয়ে জেলা আদালতে এই মামলা দায়ের করেছেন। বিদ্যালয়ের সভাপতির ভাষ্য, নিয়োগ বাণিজ্য করতে না পেরে নিয়োগ ঠেকাতে মিথ্যা তথ্য দিয়ে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। এতে করে ব্যাহত হচ্ছে বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে শিক্ষার্থীরা।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি ডোমনমারা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী গ্রন্থাগারিক, নিম্নমান সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর ও দফতরি পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়। সরকারি বিধি অনুযায়ী জাতীয় পত্রিকায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। সে মোতাবেক ১৫ জন চাকরি প্রার্থী আবেদন করেন। গত ৩ সেপ্টেম্বর স্থানীয় আব্দুল মজিদের ছেলে শাহজাদা, তার ছেলে হান্নান মিয়া, আব্দুল বাতেনের ছেলে মনির হোসেন, জিন্নত আলীর ছেলে আব্দুল মান্নান ও নাদির উদ্দিনের ছেলে আব্দুল খালেক বাদী হয়ে বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি এমদাদুল হক আকন্দসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে মনোহরদী সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে এই মামলা দায়ের করেছেন। শাহজাদা ও তার সহযোগীরা বিদ্যালয়ের জমিদাতা দাবি করে ও পরিচালনা কমিটি অবৈধ দাবি করে আদালতে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় নিষেধাজ্ঞার দাবি জানান।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. রমজান আলী বলেন, মামলার অভিযোগের ব্যাপারে আদালত আমার নিকট অভিযোগের ব্যাখ্যা চেয়েছেন। আমি গত ৯ সেপ্টেম্বর রোববার আদালতে ব্যাখ্যা প্রদান করেছি। মূলত নিয়োগ প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করতেই একটি প্রভাবশালী মহল আদালতে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য দিয়ে মামলা দায়ের করেছে। এ ব্যাপারে বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি ও কৃষ্ণপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো. এমদাদুল হক আকন্দ বলেন, শাহজাদা বিদ্যালয়ের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করার পর কয়েকজন চাকরি প্রার্থীর কাছ থেকে মোটা অর্থ হাতিয়ে নেয়। শাহজাদার এ অনৈতিক বিষয়টি নিয়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সাথে তার বিরোধ সৃষ্টি হয়। এরই জের ধরে পরবর্তীতে শাহজাদা আদালতে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। অথচ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে কোনো কমিটিতেই দাতা সদস্য হিসেবে শাহাজাদার নাম পাওয়া যায়নি। এ প্রসঙ্গে জানতে মামলার বাদী শাহজাদার সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীফেব্রুয়ারী - ১৭
ফজর৫:১৪
যোহর১২:১৩
আসর৪:১৮
মাগরিব৫:৫৮
এশা৭:১১
সূর্যোদয় - ৬:৩০সূর্যাস্ত - ০৫:৫৩
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৪২১০.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.