নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, শুক্রবার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৩০ ভাদ্র ১৪২৫, ৩ মহররম ১৪৪০
মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় জামালগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে তদন্ত
জামালগঞ্জ (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি
সুনামগঞ্জ জেলার জামালগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান সামছুল আলম তালুকদার ঝুনু মিয়ার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত যুদ্ধাপরাধী ও মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার তদন্ত শুরু হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দিনব্যাপী তদন্ত করেন ঢাকা থেকে আগত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্তকারী কর্মকর্তা মোঃ নূর হোসেন। সকালে দক্ষিণ কামলাবাজ থেকে শুরু করে

কালীপুর, লালপুর, শরীফপুর ও কাজিরগাঁওয়ের বিভিন্ন জায়গায় তদন্ত কাজ পরিচালিত হয়। মামলা সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ১২ এপ্রিল জামালগঞ্জ উপজেলার সদরকান্দি গ্রামের মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক মৃত আব্দুল গনির ছেলে মোঃ আব্দুল জলিল বাদী হয়ে আমল গ্রহণকারী জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত সুনামগঞ্জে উপজেলা চেয়ারম্যান সামছুল আলম তালুকদার ঝুনু মিয়া, সদর ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর গ্রামের মফিজ আলীর ছেলে মজনু মিয়া (৬৬) ও একই গ্রামের আবুল খয়েরের ছেলে এনাম উদ্দিন (৬২) সহ রাজাকার, আলবদর, আল-শামস ও শান্তি কমিটির অজ্ঞাতনামা ১৫-২০ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা রুজু করেন। মামলাটি বিজ্ঞ আদালত আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধী ট্রাইব্যুনাল ঢাকাকে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ প্রদান করেন। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ১নং আসামি ও তার মরহুম পিতা আবুল মনসুর আহমদ (লাল মিয়া) ছিলেন পাকিস্তানী পাক হানাদার বাহিনীর দোসর, ভয়ংকর সন্ত্রাসী, স্বাধীনতা বিরোধি রাজাকার বাহিনীর প্রধান এবং শান্তি কমিটি, আল-বদর, আল-শামস বাহিনীর প্রধান পৃষ্ঠপোষক। জামালগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান ঝুনু মিয়া ও তার পিতা লাল মিয়া পাক বাহিনীর সাথে হাত মিলিয়ে জামালগঞ্জ, তাহিরপুর, ধরমপাশা ও মধ্যনগর এলাকায় ব্যাপক গণহত্যা, লুণ্ঠন, অগি্নসংযোগ, নারী নির্যাতনে প্রধান ভূমিকা পালন করেন। স্বাধীনতা যুদ্ধে নির্মম নির্যাতনের কথা তদন্তকারী দলের কাছে তুলে ধরতে গিয়ে দক্ষিণ কামলাবাজ গ্রামে পরিচালিত শহীদ ১১ জনের হত্যাপর্ব থেকে কোনোরকম বেঁচে যাওয়া একমাত্র প্রত্যক্ষদর্শী আব্দুল কুদ্দুস (৭০) বলেন, 'স্যার আমি নিজের চোখে দেখছি, আমারে সহ ১২ জনরে ধইরা আইন্না এইখানে দাঁড় করাইছে, একটু পরে ওই ঘরডাত আরো মুক্তি আছে কি না এইডা দেখার লাগি আমারে পাঠায়, ওইখানে গিয়া জীবন বাঁচানির লাগি ঘরের পেছনের ভাঙ্গা অংশ দিয়া গাঙে ঝাঁপ মাইরা ঐপারে চইলা যাই। এই কারণে কোনোরকমে বাঁইচা যাই আমি স্যার।' এছাড়া দক্ষিণ কামলাবাজ গ্রামের শহীদ জব্বার কমান্ডারের ছেলে রেজাউল, তাহেব আলীর ছেলে জামাল মিয়া, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক আব্দুল হামিদ মাস্টারের ছেলে আবুল কালাম সরকার এবং কালীপুর গ্রামের শহীদ নাগর আলীর ছেলে আম্বর আলী, ক্ষতিগ্রস্ত আব্দুল গফুরের ছেলে নবী হোসেন, কাজিরগাঁওয়ের শহীদ দেওয়ান আলী ও সফর আলীর পরিবারসহ ধর্ষিতা কয়েকজনের বক্তব্য নেন তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. নূর হোসেন।

তদন্তকালীন সময়ে উপস্থিত ছিলেন জামালগঞ্জ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার এড. আসাদ উল্লাহ সরকার, উপজেলার বেশ কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা, মামলার বাদী আব্দুল জলিল, মো. ফারুক মিয়া, গণমাধ্যমকর্মী ও জামালগঞ্জ থানার এসআই সাইফুল্লাহসহ সঙ্গীয় ফোর্স। এ ব্যাপারে তদন্তকারী কর্মকর্তা নূর হোসেন বিপিএম বলেন, ধর্ষিতা ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সাথে কথা বলে প্রাথমিকভাবে অপরাধের সত্যতা পাওয়া গেছে।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীসেপ্টেম্বর - ২৬
ফজর৪:৩৪
যোহর১১:৫১
আসর৪:১১
মাগরিব৫:৫৪
এশা৭:০৭
সূর্যোদয় - ৫:৪৮সূর্যাস্ত - ০৫:৪৯
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
২৫০৭.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.