নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, শুক্রবার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৩০ ভাদ্র ১৪২৫, ৩ মহররম ১৪৪০
বাগেরহাটে মধুমতীর ভাঙনে বিলীন হচ্ছে বাজার
জনতা ডেস্ক
বাগেরহাটের চিতলমারীতে মধুমতি নদীর অব্যাহত ভাঙন দিনদিন তীব্র আকার ধারণ করেছে। এতে গত ৪ দিনের ব্যবধানে নদী সংলগ্ন শৈলদাহ বাজার ও খেয়াঘাটসহ তার আশপাশে বেশকয়টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নদী গর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। অনেকে ভাঙন কবলিত এলাকা থেকে তাদের দোকানপাট অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছেন।এ ঘটনায় স্থানীয় লোকজন চরম হতাশায় ভূগছেন। অবিলম্বে নদী ভাঙন রোধে স্থায়ী টেকসই বাঁধ নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসি। ক্ষতিগ্রস্তদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, উপজেলার কলাতলা ইউনিয়নের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া মধুমতি নদীর ভাঙন দিনদিন তীব্র আকার ধারণ করেছে। এতে গত ৪ দিনের ব্যবধানে নদী সংলগ্ন শৈলদাহ বাজার ও খেয়াঘাটসহ তার আশপাশে বেশকয়টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নদী গর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। অব্যাহত এ ভাঙ্গনের কবলে পড়ে শৈলদাহ বাজারটি এখন অস্তিত্ব সংকটে। এ পর্যন্ত প্রায় অর্ধ শতাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানও ঘর-বাড়ি নদীতে বিলিন হয়ে গেছে। পৈত্রিক বসত-বাড়ি হারিয়ে ক্ষতিগ্রস্থরা বাঁচার তাগিদে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছেন। আবার অনেকে ঘরবাড়ি সরিয়ে রাস্তার পাশের খাস জমিতে আশ্রয় নিয়েছেন। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে ভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের আশ্বাস দিলেও এখনো কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়নি। শৈলদাহ খেয়াঘাটের দোকান মালিক রোকা মিয়া সরদার হতাশা ব্যক্ত করে জানান, কিছু বুঝে উঠর আগেই গত মঙ্গলবার আকস্মিক ১০-১৫ মিনিটের মধ্যে আমার দোকান ঘরটি মালামাল সহ নদীগর্ভে চলে যায়।এতে প্রায় লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তিনি দোকানের জায়গা হারিয়ে এখন দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। এ ছাড়া বাজারের সেনেটারী দোকান মালিক সাহাদাৎ খান জানান, এই অব্যাহত ভাঙনে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটিও নদী গর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। তার প্রায় দেড়লক্ষাধিক টাকার মালামাল নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এ ছাড়া স্থনীয় লিন্টু শেখের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাঙনে পড়ে প্রায় আড়াই লক্ষ টাকার ক্ষয় ক্ষতি হয় বলে তিনি জানান। ভাঙন কবলিত এলাকার ব্যবসায়ী বাবুল শেখ তার প্রতিষ্ঠান সরাতে গিয়ে প্রায় ৪০/৫০হাজার টাকার মালামালের ক্ষয়ক্ষতি হয় বলেও তিনি জানান। বাজারের গ্রামীন চিকিৎসক মো. আঃ সোবাহান জানান ২০১৭ সালে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি নদীতে চলে গেছে। পরবর্তীতে তিনি পার্শবর্তী স্থানে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুললেও সেটি নিয়ে আতঙ্কে ভূগছেন। ক্ষতিগ্রস্থ শৈলদাহ বজারের রবিউল শিকদার জানান, বিগত ৩৮বছরের মধ্যে এখানকার প্রায় অর্ধশত ঘর-বাড়ী, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান মধুমতির গর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। শুধু আশ্বাসের বাণী শুনে আসছি কিন্তু বিষয়টি নিয়ে এখননো কার্যকার কোন পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়নি। স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতা মোঃ আল অমিন শেখ ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, এভাবে নদী ভাঙন অব্যাহত থাকলে এ বাজারকে কোনভাবে আর রক্ষাকরা সম্ভব হবে না। এখানকার খেয়াঘাটটি এখন চরম হুমকির মুখে। এই ঘাট থেকে প্রতিদিন গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়া, কোটালীপাড়া ও পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার শত শত লোক পারাপার হয়। বর্তমানে ভাঙনের কবলে পড়ে খেয়া পারাপারের সময় নানা রকমের দুর্ঘটনা ঘটছে। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আবুসাঈদের সাথে কথা হলে তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যানের সাথে আলাপ হয়েছে। তিনি পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে বিষয়টি নিয়ে কথা বলবেন। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সিকদার মতিয়ার রহমান জানান, এবিষয়টি নিয়ে আমার চেস্টা অব্যহত রয়েছে।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীসেপ্টেম্বর - ২৬
ফজর৪:৩৪
যোহর১১:৫১
আসর৪:১১
মাগরিব৫:৫৪
এশা৭:০৭
সূর্যোদয় - ৫:৪৮সূর্যাস্ত - ০৫:৪৯
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
২৪৩৭.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.