নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, বুধবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১ আশ্বিন ১৪২৭, ২৭ মহররম ১৪৪২
ধুনটে হারিয়ে যেতে বসেছে মৃৎ শিল্প
বগুড়া প্রতিনিধি
বগুড়ার ধুনট উপজেলায় মৃৎশিল্প (কুমার শিল্প) তৈরির প্রচলন ছিল। কালের প্রবর্তনে দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে সে মৃৎ শিল্প। বর্তমানে ধাতব তৈজসপত্র বাজারে সহজলভ্য হওয়ায় মাটির তৈজসপত্রের চাহিদা কমে গেছে। বগুড়া ধুনট উপজেলার সদর ইউনিয়নের বিলকাজুলী গ্রামে মৃৎশিল্পের (কুমার শিল্প) প্রধান ব্যবসা কেন্দ্র হিসেবে ।

মৃৎশিল্প (কুমার শিল্প) ব্যবসায়ী শ্রী. মাখন পাল জানান, এক সময় নিজেদের এলাকার জমি থেকে মাটি তুলে এ শিল্পে ব্যবহার করা হতো। আর এখন অনেক দূর থেকে বাড়তি দামে মাটি কিনে এনে বানাতে হয়।

তাছাড়া মাটির দামও আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে প্রতিটি ভটভটি মাটির দাম ১ হাজার টাকা ও মাটি মাড়াইয়ের জন্য ৪শ টাকা দিতে হয়। মৃৎশিল্প শ্রীমতি লিপি পাল বলেন বর্তমানে বাজারে প্লাস্টিক, সিরামিক, মেলামাইন, সিলভার, এমনকি লোহার তৈরি সামগ্রীর সহজলভ্যতা, কম দামের কারণে মানুষ মৃৎশিল্প (কুমার শিল্প) ব্যবহারে অনীহা দেখায়। ফলে শিল্পীরা তাদের উৎপাদনের উৎসাহ হারিয়ে ফেলছে। পৌচিবাড়ি গ্রামে মৃৎশিল্পের কারিগর শ্রী সন্তোষ পাল বলেন, এ পেশায় আয় কম।

আমাদের গ্রামের অনেক কুমারের কাজ করতো। কুমারের কাজে আয় কম, সংসার চলে না তাই এখন অন্য পেশা বেছে নিয়েছে তারা। সরকার আমাদেরকে সহযোগিতা করলে একটু ভালো থাকতে পারতাম। এ ব্যবসায় এখন আর সংসার চলে না। যা আয় হয় তা দিয়ে টেনে-হিঁচড়ে সংসার চালাতে হয়। বাপ-ঠাকুরদার পেশা ছাড়তে পারছি না। তাই এ শিল্প নিয়েই পড়ে আছি।

ধুনট সদর ইউনিয়নের সদস্য শ্রী প্রফুল্ল চন্দ্র সরকার বলেন আরো অনেকেই পেশা ছেড়ে দিয়ে অন্য কাজ করতে শুরু করেছে। আগে মানুষ মাটির হাঁড়ি-পাতিল কলসি, টালী ইত্যাদি ব্যবহার করতো।

বাজারে প্লাস্টিক সহজলভ্য হওয়ায় মাটির তৈজসপত্রের চাহিদা কমে গেছে। আদি মৃৎশিল্প (কুমার শিল্প) গবেষকরা বলেছেন, মৃৎশিল্প একটি আদি পেশা। এ পেশার মানুষরা আমাদের প্রথম সভ্যতার তৈজসপত্রের চাহিদা পূরণ করা ছাড়াও বাড়ির দেয়ালে টেরাকোঠার নান্দনিক টাইলস তৈরি করে সুনামের সঙ্গে ব্যবসা করতো।

বর্তমানে ধাতব তৈজসপত্র বাজার দখল করায় এবং এর স্থায়িত্ব বেশি হওয়ায় মানুষ মাটির তৈজসপত্রের ব্যবহার ছেড়ে দিয়েছে। তবে এই মৃৎশিল্পীদের তৈরি বিভিন্ন শো-পিস, পাতিল, কলসি, টাইলস, মাইট, রসের হাড়ি ইত্যাদি দৃষ্টিনন্দন দ্রব্য তৈরি করে রফতানি করা গেলে এই পেশায় জড়িত শিল্পীরা মানবেতর জীবন থেকে সচ্ছলতায় ফিরে আসতে পারবে। সরকারিভাবে উদ্যোগ নিয়ে এই পেশাকে বাঁচিয়ে রাখা প্রয়োজন বলে মনে করেন।
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীসেপ্টেম্বর - ২৬
ফজর৪:৩৪
যোহর১১:৫১
আসর৪:১১
মাগরিব৫:৫৪
এশা৭:০৭
সূর্যোদয় - ৫:৪৮সূর্যাস্ত - ০৫:৪৯
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৫৯২৮.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.