নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, বুধবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১ আশ্বিন ১৪২৭, ২৭ মহররম ১৪৪২
চুরি করতে গিয়ে গৃহবধূকে হত্যা
জনতা ডেস্ক
চুরি করতে গেলে চোরকে চিনে ফেলেন গৃহবধূ জান্নাতুল ফেরদৌস (২৫)। চোর মনির ছিল ওই ভবনেরই নির্মাণ শ্রমিক। এ কারণে চোর প্রথমে গৃহবধূর মুখ চেপে ধরে। তারপর পিঠে সাতটি ছুরিকাঘাত করে। তারপরও বাঁচার জন্য এক ঝটকায় ছুটে চিৎকার করে বেডরুমে যান জান্নাতুল। চোর তাকে সেখানে গলা কেটে হত্যা করে। তারপর পেছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে চলে যায় ছাদে। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে রক্তের দাগ অনুসরণ করে গ্রেফতার করে চোর মনিরকে। সোমবার রাতে নৃশংস এই ঘটনাটি ঘটেছে রাজধানীর সবুজবাগ থানাধীন নন্দীপাড়ায়। সবুজবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব আলম জানান, নন্দীপাড়ার লাল মসজিদ সংলগ্ন সাত তলা বাড়ির চারতলায় স্বামী মোস্তাফিজ ও এক সন্তানকে নিয়ে থাকতেন গৃহবধূ জান্নাতুল ফেরদৌস। মোস্তাফিজ গুলশানের একটি হোটেলের ম্যানেজার হিসেবে কাজ করেন। তারা যে বাসায় থাকেন ওই বাড়িটির নির্মাণকাজ শেষ হয়নি এখনও। চারতলার উপরের ফ্লোরগুলোর কাজ চলছিল। সেখানে নির্মাণশ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন মনির। সোমবার রাত ৯টার দিকে মনির গৃহবধূ জান্নাতুলের বাসার পেছনের গেট দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে। সে সময় গৃহবধূ তাকে দেখে ফেলে। সঙ্গে সঙ্গেই মনির তার মুখ জাপটে ধরে। গৃহবধূ চিৎকার করতে চাইলে হাতে থাকা ছুরি দিয়ে পিঠে একে একে সাতটি আঘাত করে। তারপরও এক ঝটকায় গৃহবধূ মনিরের হাত থেকে ছুটে গিয়ে চিৎকার করতে করতে দৌড়ে গিয়ে বেডরুমে ঢোকেন। মনিরও দৌড়ে যায় সেখানে। বিছানায় ফেলে গলা কেটে জান্নাতুলের মৃত্যু নিশ্চিত করে। গলা কাটতে গিয়ে নিজের হাতের আঙুলও কেটে যায় মনিরের। এর মধ্যে চিৎকার শুনে তিন তলাসহ আশেপাশের লোকজন দৌড়ে উপরে চলে আসে। নিচে গেলে ধরা পড়ার ভয়ে মনির পেছনের দরজা দিয়ে আবার উপরে চলে যায়। নিজের রুমে গিয়ে শুয়ে থাকার ভান করে। প্রাথমিকভাবে এমন তথ্য জানা গেছে। পুলিশ কর্মকর্তা মাহবুব আলম বলেন, 'খবর পেয়ে আমরা ওই বাড়িতে ছুটে যাই। গিয়ে দেখি পেছনের দরজার কাছে ফোটা ফোটা রক্ত। এমনকি চারতলা থেকে পাঁচ তলায় ওঠার সিঁড়িতেও লেগেছিল রক্ত। পরে উপরে উঠে মনিরকে পাওয়া যায়। তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে সে হত্যাকা-ের কথা স্বীকার করে। বলে, 'চুরি করতে গিয়ে বাধা পেয়ে সে এই হত্যাকা- ঘটিয়েছে।' পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, নিহত গৃহবধূর স্বামী প্রতিদিন রাত ১০টা থেকে সাড়ে ১০টার মধ্যে বাসায় ফিরতেন। বাসায় গৃহবধূ তার ছোট্ট শিশু সন্তানকে নিয়ে থাকতেন। এই বিষয়টি জানতো খুনি মনির। মনির প্রায় ছয় মাস ধরে ওই বাসায় নির্মাণশ্রমিক হিসেবে কাজ করছিল। বর্তমানে সাময়িকভাবে নির্মাণকাজ বন্ধ থাকলেও মনির একাই ভবনে পানি দেওয়ার কাজ করতো। ডিএমপির সবুজবাগ জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার রাশেদ হাসান জানান, মনির চুরি করতেই ওই বাসায় ঢুকেছিল নাকি অন্য কোনও উদ্দেশ্য ছিল তা জানার জন্য তদন্ত চলছে। তবে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে চুরির জন্য ঢুকেছিল বলে স্বীকার করেছে। আমরা নিহত গৃহবধূর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছি। ময়নাতদন্তের পর বিষয়টি আরও পরিষ্কার হবে।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীসেপ্টেম্বর - ২৭
ফজর৪:৩৩
যোহর১১:৫০
আসর৪:১০
মাগরিব৫:৫৩
এশা৭:০৬
সূর্যোদয় - ৫:৪৮সূর্যাস্ত - ০৫:৪৮
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৬১৪৬.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.