নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, বৃহস্পতিবার ১১ অক্টোবর ২০১৮, ২৬ আশ্বিন ১৪২৫, ৩০ মহররম ১৪৪০
২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায়
বাবর-পিন্টুসহ ১৯ জনের ফাঁসি তারেকসহ ১৯ জনের যাবজ্জীবন
১১ আসামির বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড
বিশেষ প্রতিনিধি
২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনায় দায়ের হওয়া দুই মামলায় বিএনপি-জামায়াত সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর ও সাবেক উপমন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টুসহ ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে। অপরদিকে বিএনপি'র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান ও খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরীসহ ১৯ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

এছাড়া বাকি ১১ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়া হয়। বিস্ফোরক ও দণ্ড বিধির এই দুই মামলায় ৫২ আসামির মধ্যে ৩ জনের অন্য মামলায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ায় তাদের অব্যাহতি দেয়া হয়। গতকাল বুধবার পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডের পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে স্থাপিত ঢাকার এক নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিনের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

এদিন সকাল ১১টা ২০ মিনিটে প্রথমেই আসামি লুৎফুজ্জামান বাবরসহ সব আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। আসামিদের আদালতে উপস্থিত করার পর সাংবাদিকদের প্রবেশ করতে দেয়া হয় আদালতে। এরপর ১১টা ৩৭ মিনিটে বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিন এজলাসে ওঠেন। এ সময় মামলার রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান আইনজীবী সৈয়দ রেজাউর রহমান উপস্থিত সবাইকে স্বাগত জানিয়ে বক্তব্য দেন এবং রায় ঘোষণার জন্য আদালতের কাছে প্রার্থনা করেন।

রায় ঘোষণার জন্য বিচারক বক্তব্য শুরু করতেই ১১টা ৪০ মিনিটে বিদ্যুৎ চলে যায়। ফলে আদালতে উপস্থিত আইনজীবী, সাংবাদিক ও আসামিদের বিচারকের বক্তব্য শুনতে বেশ কষ্ট পোহাতে হয়। এ মামলার দীর্ঘ শুনানিতে সহযোগিতা করার জন্য উভয়পক্ষের আইনজীবীদের ধন্যবাদ জানান। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও গণমাধ্যমকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

বিদ্যুৎ না থাকায় মোবাইল ফোনের টর্চ জ্বালিয়েই রায় পড়া শুরু করেন আদালত। মূল রায় পড়া শেষের দিকে, ১২টা ৩ মিনিটে বিদ্যুৎ আসে। মিনিট পাঁচেক বিদ্যুৎ থাকার পর ফের ১২টা ৮ মিনিটে বিদ্যুৎ চলে যায়। পরে আদালত পর্যবেক্ষণ দিয়ে মামলার রায় ঘোষণা শেষ করেন। অবশেষে ১২টা ১৫ মিনিটে বিদ্যুৎ চলে আসে। এই মামলায় গ্রেনেড নিক্ষেপ ও বিস্ফোরণ ঘটিয়ে এবং এই অপরাধে সহায়তা করে হত্যার অভিযোগে মৃত্যুদ-ের সাজা পাওয়া আসামিরা হলেন- আলহাজ মাওলানা মো. তাজউদ্দিন, মো. লুৎফুজ্জামান বাবর, অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্দুর রহিম, মো. আব্দুস সালাম পিন্টু, হানিফ পরিবহণের মালিক মো. হানিফ, মাওলানা আব্দুস সালাম, মোহাম্মদ আব্দুল মাজেদ ভাট ওরফে মো. ইউসুফ ভাট, আব্দুল মালেক ওরফে গোলাম মোহাম্মদ ওরফে জি. এম, মাওলানা শওকত ওসমান ওরফে শেখ ফরিদ, মহিবুল্লাহ ওরফে মফিজুর রহমান ওরফে অভি, মাওলানা আবু সাঈদ ওরফে ডা. জাফর, আবুল কালাম আজাদ ওরফে বুলবুল, মো. জাহাঙ্গীর আলম, হাফেজ মাওলানা আবু তাহের, হোসাইন আহম্মেদ তামিম, মঈন উদ্দিন শেখ ওরফে মুফতি মঈন ওরফে কাজা ওরফে আবু জানদাল ওরফে মাসুম বিল্লাহ, মো. রফিকুল ইসলাম ওরফে সবুজ ওরফে খালিদ সাইফুল্লাহ ওরফে শামিম ওরফে রাশেদ ও মো. উজ্জ্বল ওরফে রতন। এর মধ্যে মাওলানা মো. তাজউদ্দিন পলাতক, বাকি সবাই আদালতে হাজির ছিলেন। এই ১৯ জনকে ১৯০৮ সালের বিস্ফোরক দ্রব্যাদি আইনের (সংশোধনী-২০০২) ৩ ও ৬ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে। সেইসাথে প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। রায়ে বলা হয়েছে, মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত আসামিদের গলায় ফাঁসি ঝুলিয়ে রাখার নির্দেশ দেয়া হলো।

রায়ে যাবজ্জীবন কারাদ-ের আদেশ পাওয়া আসামিরা হলেন- তারেক রহমান ওরফে তারেক জিয়া (পলাতক), হারিছ চৌধুরী (পলাতক), শাহাদাৎ উল্লাহ ওরফে জুয়েল (উপস্থিত), মাওলানা আব্দুর রউফ ওরফে আবু ওমর আবু হোমাইরা ওরফে পীর সাহেব (উপস্থিত), মাওলানা সাবি্বর আহমেদ ওরফে আব্দুল হান্নান সাবি্বর (উপস্থিত), আরিফ হাসান ওরফে সুমন ওরফে আব্দুর রাজ্জাক (উপস্থিত), হাফেজ মাওলানা ইয়াহিয়া (উপস্থিত), আবু বকর ওরফে হাফেজ সেলিম হাওলাদার (উপস্থিত), মো. আরিফুল ইসলাম ওরফে আরিফ (উপস্থিত), মুহিবুল মুত্তাকিন ওরফে মুত্তাকিন (পলাতক), আনিসুল মুরছালিন ওরফে মুরছালিন (পলাতক), লিটন ওরফে মাওলানা লিটন (পলাতক), মো. খলিল (পলাতক), জাহাঙ্গীর আলম বদর (পলাতক), মো. ইকবাল (পলাতক), কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ (পলাতক), মুফতি শফিকুর রহমান (পলাতক), মুফতি আব্দুল হাই (পলাতক) ও রাতুল আহমেদ বাবু ওরফে রাতুল বাবু (পলাতক)।

রায়ে বলা হয়, গ্রেনেড নিক্ষেপ ও বিস্ফোরণ ঘটিয়ে এবং এই অপরাধে সহায়তা করে হত্যার অভিযোগে ১৯০৮ সালের বিস্ফোরক দ্রব্যাদি আইনের (সংশোধনী-২০০২) ৩ ও ৬ ধারায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় এদের প্রত্যেককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হলো। জরিমানা না দিলে আরও একবছর কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় আহতদের অভিন্ন অভিপ্রায়ে পরিকল্পনা ও অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে গুরুতর জখম করার অভিযোগে ১৯০৮ সালের বিস্ফোরক দ্রব্যাদি আইনের (সংশোধনী-২০০২) ৪ ও ৬ ধারায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় ২০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে ১৯ জনকে। এরা হলেন- আলহাজ মাওলানা মো. তাজউদ্দিন (পলাতক), মাওলানা শেখ আব্দুস সালাম (উপস্থিত), মো. আব্দুল মাজেদ ভাট ওরফে মো. ইউসুফ ভাট (উপস্থিত), আব্দুল মালেক ওরফে গোলাম মোহাম্মদ ওরফে জি. এম (উপস্থিত), মাওলানা শওকত ওসমান ওরফে শেখ ফরিদ (উপস্থিত), মহিবুল্লাহ ওরফে মফিজুর রহমান ওরফে অভি (উপস্থিত), মাওলানা আবু সাঈদ ওরফে ডা. জাফর (উপস্থিত), আবুল কালাম আজাদ ওরফে বুলবুল (উপস্থিত), মো. জাহাঙ্গীর আলম (উপস্থিত), হাফেজ মাওলানা আবু তাহের (উপস্থিত), হোসাইন আহম্মেদ তামিম (উপস্থিত), মঈন উদ্দিন শেখ ওরফে মুফতি মঈন ওরফে খাজা ওরফে আবু জানদাল ওরফে মাসুম বিল্লাহ (উপস্থিত), মো. রফিকুল ইসলাম ওরফে খালিদ সাইফুল্লাহ ওরফে শামিম ওরফে রাশেদ (উপস্থিত), মো. উজ্জ্বল (উপস্থিত), মো. লুৎফুজ্জামান বাবর (উপস্থিত), অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী (উপস্থিত), ব্রিগ্রেডিয়ার জেনারেল আব্দুর রহিম (উপস্থিত), আব্দুস সালাম পিন্টু (উপস্থিত) ও মোহাম্মদ হানিফ (উপস্থিত)।

এই ১৯ জনকে ২০ বছরের সশ্রম কারাদ-ের পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানাও করা হয়েছে। জরিমানা না দিলে তাদের আরও একবছর করে কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

অন্যদিকে, মামলার আসামি শাহাদাৎ উল্লাহ ওরফে জুয়েল (উপস্থিত), মাওলানা আ. রউফ ওরফে আবু ওমর আবু হোমাইরা ওরফে পীর সাহেব (উপস্থিত), মাওলানা সাবি্বর আহমেদ ওরফে আব্দুল হান্নান সাবি্বর (উপস্থিত), আরিফ হাসান ওরফে সুমন ওরফে আব্দুর রাজ্জান (উপস্থিত), হাফেজ মাওলানা ইয়াহিয়া (উপস্থিত), আবু বকর ওরফে হাফেজ সেলিম হাওলাদার (উপস্থিত), মো. আরিফুল ইসলাম ওরফে আরিফ (উপস্থিত), মুহিবুল মুত্তাকিন ওরফে মুত্তাকিন (পলাতক), আনিসুল মুরছালিন ওরফে মুরছালিন (পলাতক), মো. খলিল (পলাতক), জাহাঙ্গীর আলম বদর (পলাতক), মো. ইকবাল (পলাতক), লিটন ওরফে মাওলানা লিটন (পলাতক), তারেক রহমান ওরফে তারেক জিয়া (পলাতক), হারিছ চৌধুরী (পলাতক), কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ (পলাতক), মুফতি শফিকুর রহমান (পলাতক), মুফতি আব্দুল হাই (পলাতক) ও রাতুল আহমেদ বাবু ওরফে রাতুল বাবুর (পলাতক) বিরুদ্ধে এই মামলায় জখম হওয়া ভিকটিমদের অভিন্ন অভিপ্রায়ে পরিকল্পনা ও অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে গুরুতর জখম করার অভিযোগ আনা হয়েছে। এই অভিযোগে ১৯০৮ সালের বিস্ফোরক দ্রব্যাদি আইনের (সংশোধনী-২০০২) ৪ ও ৬ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে প্রত্যেককে ২০ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। সেইসঙ্গে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা ও অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

রায়ে বলা হয়েছে, মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে যাদের ২০ বছরের কারাদণ্ড াদেশ দেয়া হয়েছে, তাদের এই ২০ বছরের কারাদণ্ড াদেশ কার্যকর হবে না। একইভাবে ১৯০৮ সালের বিস্ফোরক দ্রব্যাদি আইনের (সংশোধনী-২০০২) ৩ ও ৬ ধারা এবং ৪ ও ৬ ধারায় আসামিদের দেয়া যাবজ্জীবন কারাদ-ের সাজা ও ২০ বছরের সাজা একযোগে কার্যকর হবে।

দণ্ড প্রাপ্ত আসামিদের হাজত বাসের সময় ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫-এ ধারা অনুযায়ী প্রদত্ত দণ্ড াদেশ থেকে বাদ যাবে বলেও আদেশ দেন আদালত। একইসঙ্গে পালিয়ে থাকা দণ্ড পাওয়া আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারিরও আদেশ দেয়া হয়।

রায়ে উল্লেখ করা হয়, যে আসামিরা পালিয়ে আছেন, তারা যেদিন আত্মসমর্পণ করবেন বা যেদিন তাদের গ্রেফতার করা হবে, সেদিন থেকেই তাদের দণ্ড াদেশ কার্যকর হবে। মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আসামিরা চাইলে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আইন-২০০২-এর ১৪ ধারা অনুযায়ী হাইকোর্ট ডিভিশনে রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবেন। এছাড়া মামলায় জব্দ করা আলামত পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত সংরক্ষণ করারও নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

রায় ঘোষণার সময় আদালতে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক শ ম রেজাউল করিম, ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস, দুদকের আইনজীবী এডভোকেট মোশাররফ হোসেন কাজলসহ রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের আইনজীবীরা উপস্থিত ছিলেন। পুরো কোর্ট রুম সাংবাদিক ও আইন?শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতিতে ছিল কানায় কানায় পূর্ণ।

ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ এই গ্রেনেড হামলার ১৪ বছর এবং এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রথম অভিযোগপত্র দাখিলের ১০ বছর পর রায় ঘোষণা হলো।

এর আগে, গত ১৮ সেপ্টেম্বর গ্রেনেড হামলার ঘটনায় দায়ের করা দুই মামলার যুক্তিতর্ক শেষ হয়। যুক্তিতর্ক শেষে রাষ্ট্রপক্ষ সব আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি এবং আসামিপক্ষ সব আসামির বেকসুর খালাস দাবি করে। সেদিনই এই মামলার রায় ঘোষণার জন্য তারিখ ঠিক করেন ট্রাইব্যুনাল। মামলাটি প্রমাণে রাষ্ট্রপক্ষে ৫১১ জনের মধ্যে ২২৫ জন সাক্ষীকে আদালতে হাজির করা হয়। এই মামলায় মোট আসামি ছিলেন ৫২ জন। এই মামলার বিচার চলাকালে আসামি জামায়াত নেতা আলী আহসান মুহাম্মাদ মুজাহিদের মানবতা বিরোধী অপরাধের মামলায় এবং হরকাতুল জিহাদ নেতা মুফতি হান্নান ও শরিফ শাহেদুল ইসলাম বিপুলের ব্রিটিশ হাই কমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর ওপর হামলার মামলায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ায় তাদের এই মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়। বর্তমানে মামলা দু'টিতে আসামির সংখ্যা ৪৯ জন।

এই মামলায় মোট ৩১ জন আসামি কারাগারে থাকলেও বাকি ১৮ জন পলাতক। আর আসামিদের মধ্যে ৮ জন জামিনে থাকলেও রায়ের দিন নির্ধারণ করার আগে তাদের জামিন বাতিল করে কারাগারে আটক রাখার আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। রায় ঘোষণার সময় পলাতক ১৮ জন ছাড়া বাকি ৩১ আসামির সবাইকে আদালতে হাজির করা হয়।
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীনভেম্বর - ১৬
ফজর৫:১২
যোহর১১:৫৪
আসর৩:৩৯
মাগরিব৫:১৭
এশা৬:৩৫
সূর্যোদয় - ৬:৩৩সূর্যাস্ত - ০৫:১২
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৩৪২৩.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.