নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, বৃহস্পতিবার ১১ অক্টোবর ২০১৮, ২৬ আশ্বিন ১৪২৫, ৩০ মহররম ১৪৪০
ইন্দোনেশিয়ায় শেষ মুহূর্তেও মরদেহ খুঁজে বেড়াচ্ছেন উদ্ধারকারীরা
জনতা ডেস্ক
ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্প ও সুনামির পর থেকে শুরু হওয়া উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত হচ্ছে বৃহস্পতিবার আর তার আগে কোনও মরদেহ পাওয়া যায় কিনা তার জন্য বুধবার মরিয়া হয়ে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে উদ্ধারকারী দল। সরকারি হিসেবে ২৮ সেপ্টেম্বরের ভয়াবহ ওই ভূমিকম্প ও সুনামিতে এ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ২ হাজার ১০ জন। এখনও ৫ হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, তাদের বেশিরভাগই কাদামাটির নিচে চাপা পড়েছে।

২৮ সেপ্টেম্বর ৭ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্পের পর ভয়াবহ সুনামিতে ইন্দোনেশিয়ার সুলাবেসি প্রদেশ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। উদ্ধার হতে থাকে একের পর এক মরদেহ। বেশিরভাগ মরদেহ উদ্ধার হয় সমুদ্র তীরবর্তী শহর পালু থেকে। দুর্যোগের বেশ কয়েকদিন অতিবাহিত হয়ে যাওয়ার কারণে ধ্বংসস্তূপ থেকে রোগ ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছে কর্তৃপক্ষ। সেকারণে মরদেহ উদ্ধারের জন্য সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার সে সময়সীমা শেষ হচ্ছে।

এরপর শুরু হবে ধ্বংসস্তূপ পরিষ্কার করার কাজ। যেসব জায়গায় মরদেহ কাদামাটির নিচে চাপা পড়ে গেছে সেসব এলাকাগুলোকে ধীরে ধীরে পার্ক, স্পোর্ট ভেন্যু ও স্মৃতি সৌধ এলাকায় পরিণত করা হবে।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানায়, বুধবার ১০ হাজারেরও বেশি উদ্ধারকর্মী ধ্বংসস্তুপ সরানোর কাজ করছে, বিশেষ করে ভূমিকম্পের কারণে কাদামাটির নিচে তলিয়ে যাওয়া তিনটি এলাকায় জোরেসোরে অভিযান চলছে। বালারোয়া এলাকায় নয়টি খনন যন্ত্র দিয়ে কাজ চলছে। আহমদ আমিন নামে এক উদ্ধারকর্মী আল জাজিরাকে বলেন, এরপর কী হবে সে ব্যাপারে আমরা নিশ্চিত নই। সেকারণে আমরা যত দ্রুত সম্ভব কাজ করার চেষ্টা করছি। আমিন আরও বলেন, 'অনেক শিশু এখনও নিখোঁজ, আমরা দ্রুত তাদের খুঁজে বের করতে চাই।

উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত করার সিদ্ধান্তটি নিখোঁজদের কারও কারও স্বজনকে ক্ষুব্ধ করেছে। তবে তারপরও নিয়তির পরিহাসকে মেনে নিয়েছেন ট্যাঙ্ িচালক রুডি রহমান। ৪০ বছর বয়সী এ চালক জানান তিনি তার তিন ছেলেকে হারিয়েছেন। দুইজনের মরদেহ উদ্ধার হলেও একজন এখনও নিখোঁজ। আল জাজিরাকে রুডি বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত তারা উদ্ধার অভিযান চালাবে ততক্ষণ পর্যন্ত আমি এখানে আমার ছেলেকে খুঁজে যাব। এ একটি কাজই এখন আমি করতে পারি। তা না করলে আমি পাগল হয়ে যাব।

তারা যদি উদ্ধার কাজ বন্ধ করে দেয় তবে আমা কীইবা করার আছে। চার মিটার মাটির নিচে এলাকা তলিয়ে গেছে। আমি একা একা তো আর তা সরাতে পারব না।'

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীনভেম্বর - ১০
ফজর৫:০৮
যোহর১১:৫১
আসর৩:৩৭
মাগরিব৫:১৬
এশা৬:৩৩
সূর্যোদয় - ৬:২৯সূর্যাস্ত - ০৫:১১
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৩৩১৮.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.