নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, বৃহস্পতিবার ১১ অক্টোবর ২০১৮, ২৬ আশ্বিন ১৪২৫, ৩০ মহররম ১৪৪০
মায়ানমারের ঔদ্ধত্যে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন
যদিও মায়ানমার তাদের ওয়েবসাইট থেকে ওই মানচিত্রটি সরিয়ে নিয়েছে, যদিও ঢাকায় মায়ানমারের রাষ্ট্রদূত ভুল স্বীকার করেছে। তবুও মায়ানমারের এসব ঔদ্ধত্য সম্পর্কে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। সেন্ট মার্টিন বাংলাদেশের একমাত্র প্রবালদ্বীপ। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কারণে এই দ্বীপ বাংলাদেশের অন্যতম পর্যটনকেন্দ্রও। টেকনাফ থেকে মাত্র ৯ কিলোমিটার দূরে সাগরের বুকে জন্ম নেয়া এই দ্বীপ শুরু থেকেই বাংলাদেশ ভূখ-ের অংশ হিসেবে স্বীকৃত। তা সত্ত্বেও সমপ্রতি মায়ানমারের জনসংখ্যা বিভাগের মানচিত্রে দ্বীপটিকে মায়ানমারের অংশ হিসেবে দেখানো শুধু ধৃষ্টতা নয়, দুরভিসন্ধিমূলকও। অনেক বিশেষজ্ঞের মতে, রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে পরিচালিত গণহত্যার প্রেক্ষাপটে বৈশ্বিক চাপের মুখে থাকা মায়ানমার নতুন ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেও এমনটি করে থাকতে পারে। যদিও ঢাকায় মায়ানমারের রাষ্ট্রদূত বলেছেন, এটি ভুলক্রমে হয়ে থাকতে পারে। তবু বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বাংলাদেশকে এ ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে এবং অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট মানচিত্রের ভুল সংশোধনের জন্য মায়ানমারকে চাপ দিতে হবে।

ব্রিটিশ শাসনামলে ১৯৩৭ সালে বার্মা ও ভারত ভাগ হওয়ার সময় সেন্ট মার্টিন তৎকালীন পূর্ববঙ্গের অংশ ছিল। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের সময় এটি তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তানের অংশ ছিল। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকে এটি বাংলাদেশের অংশ। ১৯৭৪ সালে দ্বীপটিকে বাংলাদেশের অংশ ধরে নিয়েই মায়ানমারের সঙ্গে সমুদ্রসীমা বিষয়ে চুক্তি হয়। পরবর্তীকালে সমুদ্রসীমাবিষয়ক আন্তর্জাতিক আদালতের রায়েও দ্বীপটি বাংলাদেশের অংশ হিসেবে স্বীকৃত হয়েছে। কাজেই মায়ানমার কোনো বিচারেই দ্বীপটিকে তাদের অংশ বলে দাবি করতে পারে না। তাই মায়ানমারের এমন মানচিত্র প্রকাশের কারণে মায়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কড়া প্রতিবাদ জানানো হয়েছে এবং তার হাতে একটি প্রতিবাদপত্র তুলে দেয়া হয়েছে। জানা গেছে, সেখানেই মায়ানমারের রাষ্ট্রদূত জানিয়েছেন, ভুলবশত এমনটি হয়ে থাকতে পারে। মানচিত্রে মায়ানমার ও বাংলাদেশের জন্য ভিন্ন ভিন্ন রং ব্যবহার করা হয়। সেন্ট মার্টিনকে মায়ানমারের রঙে চিত্রায়িত করা হয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে রাষ্ট্রদূতকে এ ব্যাপারে মায়ানমারের গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কেও দ্রুত জানাতে বলা হয়েছে।

অনেক বিশেষজ্ঞই মনে করছেন, রোহিঙ্গা সংকটকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতেই মায়ানমার বাংলাদেশের সঙ্গে উত্তেজনা ছড়াতে চায়। এর আগেও মায়ানমার সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার অনেকবার বাংলাদেশের আকাশসীমা লঙ্ঘন করেছে। বাংলাদেশ ভূখ-ে তারা কামানের গোলাবর্ষণ করেছে। কিন্তু বাংলাদেশ অতীতে কখনো তাদের উসকানির ফাঁদে পা দেয়নি। আর সে কারণেই তারা নতুন ক্ষেত্র হিসেবে সেন্ট মার্টিন নিয়ে উত্তেজনা ছড়াতে চাইছে। তাই সব বিষয় বিবেচনায় রেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীঅক্টোবর - ২৩
ফজর৪:৪৩
যোহর১১:৪৩
আসর৩:৪৯
মাগরিব৫:২৯
এশা৬:৪২
সূর্যোদয় - ৫:৫৯সূর্যাস্ত - ০৫:২৪
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
২৭৪৯.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.