নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, বৃহস্পতিবার ১২ অক্টোবর ২০১৭, ২৭ আশ্বিন ১৪২৪, ২১ মহররম ১৪৩৯
রোহিঙ্গাদের স্রোত আরো বাড়বে
আশঙ্কা জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থার : মহামারি আকার ধারণ করতে পারে কলেরা
জনতা ডেস্ক
মায়ানমার সেনাবাহিনীর নির্যাতনের হাত থেকে বাঁচতে রাখাইন থেকে নতুন করে বাংলাদেশমুখী রোহিঙ্গার ঢল নামায় সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। সামনে এই ঢল আরও বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছে শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর। এর মধ্যেই ইউরোপীয় ইউনিয়ন জানিয়েছে, মায়ানমারে দায়িত্ব পালনরত ইউরোপীয় ত্রাণকর্মীরা নিরাপত্তা ঝুঁকিতে রয়েছেন। এদিকে মায়ানমারে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে সম্পর্কোন্নয়নে সেখানকার সব ধর্মের মানুষের অংশগ্রহণে ইয়াঙ্গুনে এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রাখাইন পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে এবং সেখানকার বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের সাথে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর সম্পর্কোন্নয়নের লক্ষ্যে গত মঙ্গলবার ইয়াঙ্গুনে এক সম্প্রীতি সমাবেশে যোগ দেন হাজার হাজার মানুষ। দেশটির ক্ষমতাসীন দল আয়োজিত এ সমাবেশে বৌদ্ধ ও মুসলমানের পাশাপাশি অংশ নেন হিন্দু ও খ্রিস্ট ধর্মের অনুসারীরাও। তারা মায়ানমারে স্থিতিশীলতা ফেরানোর উদ্যোগ নিতে দেশটির সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

রোহিঙ্গারা বলেন, আমরা সবাই শান্তি চাই। আমরা সব ধর্মের মধ্য ঐক্য চাই। এটা ঠিক আমাদের মধ্যে জাতিগত ভিন্নতা রয়েছেন কিন্তু যেটি সত্য তাহলো আমরা সবাই মায়ানমারের নাগরিক। আমরা চাই এখানে সব ধর্মের মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি বজায় থাকুক, যেমনটা আগে ছিল। ইয়াঙ্গুনের ঠিক ভিন্ন চিত্র রাখাইনে। সেখানে অব্যাহত সংঘাতের কারণে বাংলাদেশমুখী রোহিঙ্গা ঢল বেড়েই চলছে। মায়ানমার সেনাবাহিনী নির্যাতন আর গণহত্যার হাত থেকে বাঁচতে প্রতিদিনই সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে ঢুকছে হাজার হাজার রোহিঙ্গা।

এ অবস্থায় গত মঙ্গলবার, সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় এক সাংবাদিক সম্মেলনে জাতিসংঘ শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা জানায়, বাংলাদেশে নতুন করে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ঢল নামায় সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় রয়েছে জাতিসংঘ। একইসঙ্গে, সোমবার একদিনেই ১১ হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে বলেও জানানো হয়।

কয়েকদিন ধরেই আমরা দেখছি, সীমান্ত অতিক্রম করে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে পালিয়ে আসার হার হঠাৎ বেড়ে গেছে। রোহিঙ্গাদের এই ঢল ঠেকাতে করণীয় নিয়ে আমরা বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে কাজ করছি। আমাদের আশঙ্কা সামনের দিনগুলোতে শরণার্থীদের এই স্রোত আরও বাড়তে পারে। আর এ কারণেই আমরা সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় আছি।

এদিকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা লাখ লাখ রোহিঙ্গাদের মধ্যে বহু সংখ্যক কলেরায় আক্রান্ত হওয়ায় এটি যাতে মহামারি আকার ধারণ করতে না পারে, সেজন্য বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা এবং ইউনিসেফের যৌথ উদ্যোগে কাজ চলছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ।

জাতিসংঘের একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, আমি আগেই জানিয়েছি বাংলাদেশে কলেরা মোকাবিলায় সেদেশের সরকারের সহায়তায় জাতিসংঘ এ যাবৎকালের দ্বিতীয় বৃহত্তম কলেরা টিকাদান কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। এর আওতায় প্রায় ২শ স্বেচ্ছাসেবী ৯ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন বিতরণ করবে।

এদিকে মায়ানমারে রাখাইনে দায়িত্বপালন ইউরোপীয় ত্রাণকর্মীরা মারাত্মক নিরাপত্তা ঝুঁকিতে রয়েছে বলে জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। একইসঙ্গে, রাখাইনের কিছু স্থানীয় ব্যবসায়ী ত্রাণ সরবরাহ কর্মসূচিতে বাঁধা দিচ্ছে বলেও জানানো হয়। গত মঙ্গলবার, ইউরোপীয় পার্লামেন্টারি কমিটির বৈঠকে এ কথা জানান ইইউ মুখপাত্র আন্দ্রোলা কামিনারা।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীঅক্টোবর - ২৪
ফজর৪:৪৩
যোহর১১:৪৩
আসর৩:৪৮
মাগরিব৫:২৯
এশা৬:৪২
সূর্যোদয় - ৫:৫৯সূর্যাস্ত - ০৫:২৪
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
২৮৩৪.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.