নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, বৃহস্পতিবার ১২ অক্টোবর ২০১৭, ২৭ আশ্বিন ১৪২৪, ২১ মহররম ১৪৩৯
পোশাক রফতানিতে আয় : প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ
রেজাউল করিম খোকন
চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে (জুলাই-আগস্ট) রফতানি আয় দাঁড়িয়েছে ৬৬২ কোটি ৮৬ লাখ ডলার। এর আগের অর্থবছরের একই সময়ে যা ছিল ৫৮২ কোটি ২৯ লাখ ডলার। অর্থাৎ রফতানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৩ দশমিক ৮৪ শতাংশ। গত দুই মাসের রফতানির লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬১৪ কোটি ডলার। এ সময়ে রফতানি আয় লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে ৭ দশমিক ৯৬ শতাংশ। এদিকে অর্থ বছরের দুই মাসে পোশাক রফতানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৪ দশমিক ৫ শতাংশ। সাম্প্রতিক সময়ে রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। যা আমাদের স্বাভাবিকভাবেই উদ্দীফত করেছে।

ইপিবির প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে রফতানি আয় অর্জিত হয়েছিল ৩ হাজার ৪৬৫ কোটি ৫৯ লাখ ডলার। ২০১৭-১৮ অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার ৭৫০ কোটি ডলার। বাংলাদেশের পণ্য রফতানি আয়ের ৮০ শতাংশের ও বেশি আসে পোশাক খাত থেকে ২০১৭-১৮ অর্থবছরের জুলাই-আগস্ট মাসে ৫৫২ কোটি ৪২ লাখ মার্কিন ডলারের পোশাক রফতানি করেছে বাংলাদেশ। তার আগের অর্থ বছরের একই সময়ে ৪৮৪ কোটি ৩৮ লাখ ডলারের পোশাক রফতানি হয়েছিল। গত বছরের তুলনায় পোশাক রফতানিতে ১৪ দশমিক ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। জুলাই-আগস্ট মাসে রফতানির লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪৯৩ কোটি ৮২ লাখ ডলার। পোশাক রফতানিতে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে ১১ দশমিক ৮৭ শতাংশ।

গত বেশ কয়েক বছরে বিভিন্ন কারণে সক্ষমতা হারিয়ে প্রায় ১ হাজার ২০০টি পোশাক প্রস্তুতকারী কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। বিশেষ করে অ্যাকর্ড, অ্যালায়েন্সের পরিদশনের পর কিছু কারখানা আংশিক, সাময়িক ও পূর্নাঙ্গভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। ব্যাংক ঋণ ও বাড়ি ভাড়াসহ অন্যান্য ব্যয় মিটিয়ে অনেকের পক্ষে এ ব্যবসায় টিকে থাকা সম্ভব হচ্ছে না। অবকাঠামোগত নানা সমস্যা মোকাবিলা করেও আমাদের পোশাক রফতানির আয়ে প্রবৃদ্ধি ও লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা নি:সন্দেহে একটি ইতিবাচক দিক। এখনও পোশাক তৈরির উপকরণ বোঝাই জাহাজকে পণ্য খালাসের জন্য দিনের পর দিন অপেক্ষা করতে হচ্ছে, পণ্য খালাস করতে না পারায় কন্টেইনার ভাড়া বাবদ বন্দর ও জাহাজ কোম্পানিকে অতিরিক্ত জরিমানা প্রদান করতে হচ্ছে।

কম দামে পোশাক তৈরির জন্য বাংলাদেশের সুনাম বেশ পুরোনো। সে জন্যই বিশ্বের ক্রেতাদের কাছে আগামী পাঁচ বছর পোশাক সরবরাহে বাংলাদেশই পছন্দের শীর্ষে থাকছে। এরপরের অবস্থানে থাকবে ইথিওপিয়া, মিয়ানমার, ভিয়েতনাম ও ভারত। বিশ্ববাজারে সর্বোচ্চ পোশাক রফতানিকারক দেশ চীনের পোশাক রফতানি ইতিমধ্যে কমতে শুরু করেছে। বিশ্বখ্যাত ব্যবস্থাপনা পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ম্যাককেনজি অ্যান্ড কোম্পানির 'দ্য অ্যাপারেল সোর্সিং ক্যারাভ্যানস নেঙ্ট স্টপ ঃ ভিজিটাইজেশন' শীর্ষক এক প্রতিবেদনে এমন তথ্যই উঠে এসেছে। আগামী পাঁচ বছরে পোশাক সরবরাহের পছন্দের শীর্ষে কোন তিন দেশ থাকবে-এমন প্রশ্নের জবাবে এবার প্রায় অর্ধেক ব্র্যান্ড ও ক্রেতা প্রতিষ্ঠানের প্রধান কর্মকর্তা (সিপিও) বাংলাদেশের নামই বলেছেন। ম্যাককেনজি বলছে, ২০১৫ সালের জরিপেও একই পয়েন্ট পেয়েছিল বাংলাদেশ। আগামী পাঁচ বছরে পোশাক তৈরিতে ৪৯ শতাংশ সিপিও বাংলাদেশকে পছন্দ করেছেন বলে উক্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। তাদের এই পছন্দের পেছনে কাঁচামালের খরচ, মুদ্রার বিনিময় হার, শ্রমিকের পেছনে ব্যয়, বাণিজ্য চুক্তি, কমপ্লায়েন্সের ব্যয়, এবং ক্রেতা হিসেবে নিজেদের ক্রয় ক্ষমতা পরিবহন খরচ, কর্মীদের পেছনে ব্যয় ইত্যাদি নির্ভর করছে।

বিশ্ববাজারে বর্তমানে পোশাক রফতানিতে চীনের পরই বাংলাদেশের অবস্থান। বিশ্ববাজারে ক্রেতারা কম দামের পাশাপাশি অল্প সময়ে বিপুল পরিমাণ পোশাক তৈরির দক্ষতাও দেখতে চায়। এ দুটি বিষয়ে অন্য যে কোনো প্রতিযোগী দেশের চেয়ে বাংলাদেশ এগিয়ে। তাই বাংলাদেশ ক্রেতাদের পছন্দের শীর্ষে থাকবে, এটাই স্বাভাবিক।

ইউরোপীয় ইউনিয়নে সর্বোচ্চ ডেনিম বা জিন্স পণ্য সরবরাহকারী দেশ হিসেবে স্থান করে নিয়েছে বাংলাদেশ। ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ২৮ জাতির বস্নকই ইউর মোট ডেনিম পণ্য আমদানির ২১ দশমিক ১৮ শতাংশ বাংলাদেশ একাই রফতানি করেছে। অন্যদিকে গত ৭ বছরে আমেরিকায় বাংলাদেশ ডেনিম শিপমেন্ট ক্রমান্বয়ে কমেছে। এর একটি বড় কারণ হলো, প্রতিযোগিতামূলক দাম এবং স্বল্প লিড টাইমের কারণে মেঙ্েিকা থেকে ডেনিম আমদানি বাড়িয়েছে আমেরিকা। এ ছাড়া মেঙ্েিকা থেকে আমদানির ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের আমদানিকারকরা শুল্ক সুবিধা পেয়ে থাকে। বাংলাদেশ থেকে পোশাক আমদানির ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের আমদানিকারকদের ১৫ দশমিক ৬২ শতাংশ হারে শুল্ক পরিশোধ করতে হয়। যেখানে মেঙ্েিকা থেকে আমদানির ক্ষেত্রে কোনো শুল্কই দিতে হয় না। আরেকটি কারণ হলো গত কয়েক বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্র নিজেই ডেনিম পোশাক তৈরি করেছে। যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের জিন্স পণ্য রফতানি কমে যাওয়ার আরেকটি বড় কারণ, সেখানকার পোশাক ক্রেতারা চীন থেকে কমদামে এক সাথে বিশাল পরিমাণে কিনতে পারছে। তবে মজার বিষয় হলো, এতোকিছুর পরও বাংলাদেশ এখনও যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে তৃতীয় বৃহত্তম ডেনিম পোশাক সরবরাহকারী দেশ। বর্তমানে বাংলাদেশে ৩০টি ডেনিস কারখানা রয়েছে। কারখানাগুলোর সন্মিলিত উৎপাদন ক্ষমতা বছরে ৪৩৫ মিলিয়ন গজ। ডেনিম পণ্য বিক্রির দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্রে এবং যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের জন্য দুটি বাজার। বাংলাদেশের উদ্যোক্তারা বিশ্বের বড় বড় নামি দামি ব্র্যান্ডের জন্য ডেনিম পোশাক তৈরি করে থাকে। এসব বিশ্ববিখ্যাত জনপ্রিয় ব্র্যান্ডের মধ্যে রয়েছে লেভিস, ডিজেল, জি-স্টার র, এইচ অ্যান্ড এম ইউনিক্লো, টেসকো, র‌্যাঙলার, এস, অলিভার, হুগো বস, ওয়ালমার্ট এবং গ্যাপ।

শুল্কমুক্ত বাণিজ্য সুবিধা পাওয়ায় চীনের বাজারে ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রফতানি ১৪ দশমিক ৭৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৩৯১ দশমিক ৫৯ মিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। রফতানিকারকরা এটাকে একটি নতুন সুযোগ হিসেবে দেখছেন। চীনের রয়েছে বিশাল জনগোষ্ঠী, যাদের মধ্যে নিম্ন থেকে মধ্যম আয়ে উন্নীত পরিবারের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। ফলে এখন চীন বাংলাদেশের জন্য একটি রফতানি গন্তব্যে পরিণত হতে চলেছে। কাছাকাছি দূরত্ব হওয়ায় চীনে পণ্য পৌঁছাতে লিড টাইমও অনেক কম লাগে। চীনা খুচরা এবং পাইকারি বাজারে, বিভিন্ন ব্র্যান্ডগুলোর কাছ থেকে দামও ভালো পাওয়া যায়। চীন জ্যাকেট এবং মহিলাদের অর্ন্তবাস (লিনজারি) পণ্য উৎপাদনে বেশ শক্তিশালি অবস্থানে রয়েছে। এসব পণ্য রফতানিতে বাংলাদেশের অবস্থান খুব জোরালো নয়। ক্রমবর্ধমান চীনা মধ্যবিত্ত শ্রেণি বাংলাদেশে প্রস্তত পোশাক সামগ্রীর প্রধান ভোক্তা। চীনে পোশাক রফতানি দিনে দিনে বৃদ্ধি পাচ্ছে বাংলাদেশ থেকে। এ ক্ষেত্রে ডেনিম এবং ট্রাউজার রফতানি বাড়ছে। এইচ অ্যান্ড এম, গ্যাপ এবং জারার মতো ব্র্যান্ডগুলো চীনা বাজারে প্রধান ক্রেতা। এ ছাড়া চীনের নিজস্ব খুচরা বিক্রেতা এবং আলাদা ব্র্যান্ড রয়েছে। যারা বাংলাদেশ থেকে প্রচুর পরিমাণে তৈরি পোশাক কিনে থাকে। বাংলাদেশ থেকে চীনে খুব বেশি পরিমানে যায় ট্রাউজার, ডেনিম, নন ডেনিম এবং টি শার্ট। সুইজারল্যান্ড ভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল টেঙ্টাইল ম্যানুফ্যাকচারার্স ফেডারেশনে (আইএমএফ) তাদের সাম্প্রতিক এক গবেষণায় বলেছে যে, ২০২০ সালের শেষ নাগাদ চীন ৭৫০ বিলিয়ন ডলারের পোশাক উৎপাদন করবে, যা বর্তমানের ৩০০ বিলিয়ন ডলারের দ্বিগুনেরও বেশি। এর মধ্যে অর্ধেক রফতানি হবে। বাকিটুকু দেশেই ব্যবহৃত হবে। বর্তমানে চীনে পোশাক উৎপাদনের ৮০ শতাংশই স্থানীয় ভোক্তাদের জন্য তৈরি হয়, সুতরাং এশিয়ার অর্থনীতি পরাশক্তি এই দেশটির প্রতি বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রফতানি প্রবৃদ্ধির জন্য এখনই দৃষ্টি দেওয়া উচিত। চীনের জনসংখ্যা ১৩৫ কোটি, তাই অনেক চীনা উৎপাদনকারী রফতানী নিয়ে কোনো চিন্তাই করে না, যা উঠে এসেছে এই সমীক্ষায়। চীনা উৎপাদনকারীরা উচ্চমূল্যের পোশাক উৎপাদন করে থাকে, যা মধ্যবিত্ত শ্রেণির ভোক্তারা খুব কমই ব্যবহার করতে পারে।

ফলে কম দামের বাংলাদেশি গার্মেন্টসের চাহিদা সেখানে খুবই বেশি। যেহেতু চীনা উৎপাদনকারীরা ইতোমধ্যেই উচ্চমূল্যের পোশাক উৎপাদনের দিকে ঝুঁকে গেছে, তাই সরকার মধ্যবিত্ত শ্রেণির ভোক্তাদের জন্য একটি বিকল্প বাজার খুঁজছে। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে ২০১১ সালের এপ্রিলে চীনা সরকার ৪ হাজার ৭২১ টি পণ্য শুল্ক মুক্ত সুবিধায় সে দেশে প্রবেশের অনুমতি দিয়েছে। যার বেশিরভাগই গার্মেন্টস পণ্য। তখন থেকেই বাংলাদেশ থেকে চীনে পোশাক রফতানি বেড়ে চলেছে। আগামীতে চীনের বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রফতানি স্বয়ংক্রিয়ভাবেই বাড়বে বলে ধারনা করা যায়। তারা মৌলিক পণ্য (বেসিক আইটেম) উৎপাদন থেকে ইতিমধ্যেই দূরে সরে গেছে। অন্যদিকে বাংলাদেশের পোশাক রফতানিকারীরা চীনে রফতানির ক্ষেত্রে ৩ শতাংশ হারে নগদ প্রনোদনা সুবিধা (ক্যাশ ইনসেনটিভ) পেয়ে থাকে। নতুন বাজার ধরার স্বার্থে সরকার ২০০৯ সাল থেকে এ সুবিধা কার্যকর করেছে। চীনা সরকারের 'বেল্ট অ্যান্ড রোড' উদ্যোগে বাংলাদেশকে অন্তর্ভুক্ত করায় চীনের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন এবং বেসরকারি খাতের উগ্যোক্তারাও বাংলাদেশের ব্যাপারে খুব আগ্রহ প্রকাশ করছেন।

বাংলাদেশ রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো তথ্য অনুযায়ী, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে চীনে ৯৪৯ দশমিক ৪১ মিলিয়ন ডলারের সার্বিক পণ্য রফতানি হয়েছে, যা আগের বছরের (২০১৫-১৬) তুলনায় ১৭ দশমিক ৪৯ শতাংশ বেশি। ২০১৫-১৬ রফতানি হয়েছিল ৮০৮ দশমিক ১৪ মিলিয়ন ডলারের পণ্য। সার্বিক অবস্থা বিশ্লেষণ করে বলা যায় জাপানের পর চীনই হবে বাংলাদেশের জন্য এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম রফতানি বাজার। যা এক বিলিয়ন ডলারের মাত্রা ছাড়িয়ে যাবে। তৈরি পোশাক রফতানিতে ২০১৬ সালে ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করে তৃতীয় অবস্থানে আছে বাংলাদেশ। তবে একক দেশ হিসেবে সর্বোচ্চ পোশাক রফতানিকারক দেশ হিসেবে বাংলাদেশের অবস্থান দ্বিতীয়।

বিশ্ববাণিজ্য সংস্থার (ডাবিস্নউটিও) ওয়ার্ল্ড ট্রেড স্ট্যাটেস্টিকস রিভিউ ২০১৭' প্রতিবেদন থেকে এ সব তথ্য জানা যায়। ঐ প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, বিভিন্ন দেশ থেকে গত বছর ৪৫ হাজার ৪০০ কোটি ডলারের পোশাক রফতানি হয়েছে। শীর্ষ দশ রফতানিকারক দেশ গত বছর ৩৪ হাজার কোটি ডলারের পোশাক রফতানি করেছে। বৈশি্বক মোট পোশাক রফতানির চার ভাগের তিনভাগই এই শীর্ষ দশ দেশের দখলে রয়েছে। ঐ প্রতিবেদন অনুযায়ী তৈরি পোশাক রফতানিতে বরাবরের মতো শীর্ষ অবস্থানে আছে চীন দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে যথাক্রমে ইইউ ও বাংলাদেশ। তবে ২৮ দেশের জোট ইউরোপীয় ইউনিয়নকে (ইইউ) বাদ দিলে এককভাবে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে বাংলাদেশ।

আন্তর্জাতিক পোশাক বাজারে ক্রেতাদের ধরে রাখতে কয়েকটি কাজ জরুরিভাবে করা দরকার। বাংলাদেশের পোশাক প্রস্ততকারীরা প্রতিনিয়ত লিডটাইমে মার খাচ্ছেন। সে জন্য গভীর সমুদ্রবন্দর যত দ্রুত সম্ভব নির্মাণ করা দরকার। এ ছাড়া চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি, গ্যাস বিদ্যুাতের সংকটের সমাধান, রেলে পণ্য পরিবহণ নিশ্চিত ও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানজট দূর করতে হবে।

একটি বিষয় বিশেষভাবে লক্ষ্যণীয় যে বিশ্ববাজারে ক্রেতাদের পছন্দের পোশাক সরবরাহকারী দেশের মধ্যে পরিবর্তন আসছে। তবে বাংলাদেশের ওপর ক্রেতাদের দৃষ্টি বেশ ভালভাবেই আছে। এতে করে চীন থেকে সরে আসা ক্রয়াদেশ নেয়ার সুযোগ পাবেন আমাদের উদ্যোক্তারা। সুযোগ কাজে লাগাতে হলে পোশাকশিল্প উদ্যোক্তাদের উৎপাদনক্ষমতা বাড়াতে হবে। এ ছাড়া রফতানির তালিকায় নতুন নতুন পোশাক পণ্য যুক্ত করতে হবে।

রেজাউল করিম খোকন ঃ ব্যাংকার

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীনভেম্বর - ১৬
ফজর৫:১২
যোহর১১:৫৪
আসর৩:৩৯
মাগরিব৫:১৭
এশা৬:৩৫
সূর্যোদয় - ৬:৩৩সূর্যাস্ত - ০৫:১২
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৩০৫৮.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.