নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, রোববার ১৮ অক্টোবর ২০২০, ২ কার্তিক ১৪২৭, ৩০ সফর ১৪৪২
ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট নিত্যপণ্যের দাম বাড়াচ্ছে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস
২০ দিনের ব্যবধানে চালের বস্তায় বেড়েছে ২৫০ টাকা অধিকাংশ সবজি ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি
স্টাফ রিপোর্টার
রাজধানীসহ সারাদেশে ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটে নিত্যপণ্যের দাম দ্বিগুণ বেড়েছে। ব্যবসায়ীদের কারসাজির কারণেই পেঁয়াজের পর চাল এরপর আলুর দাম লাগামহীন। নিত্যপণ্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও অধিকাংশ সবজির দাম ৮০ থেকে ১০০ টাকার ওপরে। এছাড়াও ডাল, ভোজ্যতেল ও ডিমসহ বেশির ভাগ নিত্যপণ্য বাড়তি দরে বিক্রি হচ্ছে। ফলে এসব জিনিসপত্র কিনতে ভোক্তারা প্রতিনিয়ত দিশেহারা হয়ে পড়ছে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়ছে নিম্ন ও সীমিত আয়ের মানুষ।

জানা গেছে, রাজধানীর নয়াবাজার, মালিবাগ কাঁচাবাজার ও জিনজিরা বাজারে প্রতি কেজি মিনিকেট চাল বিক্রি হচ্ছে ৫৬-৫৮ টাকা। যা ২০ দিন আগে ছিল ৫৩-৫৪ টাকা। বিআর ২৮ চাল বিক্রি হয়েছে ৫৫ টাকা, আগে ছিল ৪৬-৪৭ টাকা। মোটা চালের মধ্যে স্বর্ণা জাতের প্রতি কেজি ৫০-৫২ টাকা, আগে ছিল ৪০-৪২ টাকা।

রাজধানীর সর্ববৃহৎ পাইকারি আড়ত বাদামতলী ও কাওরান বাজারে পাইকারি চাল বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পাইকারি পর্যায়ে প্রতি বস্তা (৫০ কেজি) মিনিকেট চাল বিক্রি হয়েছে ২ হাজার ৭০০ টাকা। যা ২০ দিন আগে ছিল ২ হাজার ৫৫০ টাকা। বিআর ২৮ চাল বিক্রি হয়েছে ২ হাজার ৩৫০ টাকা, আগে ছিল ২ হাজার ২০০ টাকা। আর স্বর্ণা জাতের চাল বিক্রি হয়েছে ২ হাজার ৩০০ টাকা, আগে ছিল ২ হাজার ৫০ টাকা।

কাওরান বাজারের আল্লাহর দান রাইস এজেন্সির মালিক ও পাইকারি চাল ব্যবসায়ী সিদ্দিকুর রহমান বলেন, নীরবে মিলাররা প্রতি বস্তা চালে ২০০-২৫০ টাকা পর্যন্ত বাড়িয়েছে। যার প্রভাবে পাইকারি বাজারে দাম বেড়েছে। তিনি জানান, কোনো অজুহাত পেলেই তারা দাম বাড়ায়। এবার সরকার বোরো ধান সংগ্রহ ঠিকমতো করতে পারেনি। মিলাররা যে যেভাবে পেরেছে ধান কিনেছে। তাই বাজার এখন তাদের নিয়ন্ত্রণে। যে কারণে মিলাররা সিন্ডিকেট

করে সব ধরনের চালের দাম বাড়িয়েছে। তিনি বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে চালের দাম নির্ধারণ করে দেয়া হলেও মিলাররা তা অমান্য করছে। তারা তাদের ক্ষমতা দেখিয়ে সরকারের বেঁধে দেয়া দামে চাল বিক্রি করছে না। যার কারণে বাজারে চালের দাম কমছে না। রাজধানীর খুচরা বাজারে খোঁজ নিয়ে আরো জানা গেছে, ৫ লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেল কোম্পানিভেদে সর্বোচ্চ ৫২০ টাকায় বিক্রি হয়েছে, যা এক মাস আগে ছিল সর্বোচ্চ ৫১০ টাকা। প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন বিক্রি হয়েছে ৯৪ টাকা, আগে ছিল ৮৮ টাকা। প্রতি লিটার পাম অয়েল (সুপার) বিক্রি হয়েছে ৮৯ টাকা, আগে ছিল ৭৫ টাকা। প্রতি কেজি আমদানি করা আদা বিক্রি হয়েছে ২৪০-২৬০ টাকা, এক মাস আগে ছিল ২২০-২৪০ টাকা। দেশি আদা প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে ১৬০ টাকা, আগে ছিল ১৪০-১৫০ টাকা। এছাড়া খুচরা বাজারে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৯০-১০০ টাকা। যা ১০ দিন আগে ছিল ৮৫-৯০ টাকা। আমদানি করা পেঁয়াজ ৭০-৮০ টাকা, আগে ছিল ৬৫-৭০ টাকা। প্রতি কেজি আলু বিক্রি হয়েছে ৪৫-৫০ টাকা, যা এক মাস আগে ছিল ৩৫ টাকা। প্রতি কেজি প্যাকেটজাত ময়দা বিক্রি হয়েছে সর্বোচ্চ ৪৮ টাকা, আগে ছিল ৪৪ টাকা। মসুর ডাল প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে ৯৫ টাকা। যা এক মাস আগে বিক্রি হয়েছে ৮০ টাকা। গত সপ্তাহে সবজির দাম কিছুটা কমলেও এখনও একাধিক সবজি ১০০ টাকার ওপরে বিক্রি হচ্ছে। গতকাল খুচরা বাজারে প্রতি কেজি টমেটো বিক্রি হয়েছে ১২০-১৪০ টাকা। প্রতি কেজি গাজর ৮০-১০০ টাকা, শিম ৮০-১২০ টাকা, শসা ৯০-১০০ টাকা। এছাড়া প্রতি কেজি বরবটি বিক্রি হয়েছে ৮০-১০০ টাকা, বেগুন ৮০-১১০, উস্তে প্রতি কেজি ৮০-১০০ টাকা।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক মো. আবদুল জব্বার ম-ল বলেন, নিত্যপণ্যের দাম কমাতে অধিদফতরের একাধিক টিম তদারকি করছে। কোনো অনিয়ম পেলে সঙ্গে সঙ্গে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে। কাউকেই ছাড় দেয়া হচ্ছে না। আশা করি কয়েকদিনের মধ্যে দাম কমে আসবে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক অর্থ উপদেষ্টা ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, নিত্যপণ্যের দাম যেভাবে বাড়ছে, তা সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে। এটি স্বাভাবিক নয়। তার মতে, জিনিসপত্রের দাম বাড়লে একজন আরেকজনের দোষ দেয়। তবে বিষয়টি নজরদারির দায়িত্ব সরকারের। তিনি আরো বলেন, কোনোরকম কারসাজি হলে তাদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নিতে হবে।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীঅক্টোবর - ২৩
ফজর৪:৪৩
যোহর১১:৪৩
আসর৩:৪৯
মাগরিব৫:২৯
এশা৬:৪২
সূর্যোদয় - ৫:৫৯সূর্যাস্ত - ০৫:২৪
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৬৮৮৩.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.