নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, শুক্রবার ৮ নভেম্বর ২০১৯, ২৩ কার্তিক ১৪২৬, ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪১
প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছের নীতিমালায় টাকা দেই : শেখ হাসিনা
স্টাফ রিপোর্টার
প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে বিভিন্নজনকে আর্থিক সহায়তা দেয়া নিয়ে কেউ কেউ প্রশ্ন তোলে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, স্বনামধন্য এক আইনজীবী প্রশ্ন করলেন, কোন নীতিমালায় এসব দেয়। আমি বলেছি, বলে দেন প্রধানমন্ত্রী ইচ্ছের নীতিমালায় দেয়। গতকাল বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে 'প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে দুস্থ ও অসচ্ছল সাংবাদিকদের আর্থিক সহায়তা প্রদান' আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের মালিকদের প্রতি ফান্ড গঠনের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি যতদিন আছি দিচ্ছি। কিন্তু আমি তো সবসময় থাকবো না। তাই মালিক বা সাংবাদিকদের নিজেদের গরজ থেকেও যদি কিছু দেয়া হয়। ভবিষ্যৎ চিন্তা করেই ব্যবস্থা নেয়া উচিত, একটা ফান্ড করা উচিত। সাংবাদিকদের ওয়েজবোর্ড প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মালিকরা চালু করতে চায় না, আমরা কী করবো। আর কোনো কোনো মালিক তো পেছনে লেগেই থাকে সারাক্ষণ। সাংবাদিকদের উৎসাহ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেক মানুষ পত্রিকা পড়ে। এ নিয়ে আলোচনা করে, কথা বলে। প্রধানমন্ত্রী হেসে বলেন, মানুষের সচ্ছলতা বেড়ে গেছে বলে চা খাওয়াও বেড়ে গেছে। তিনি বলেন, সাংবাদিকদের কাছে অনুরোধ করবো, স্বাধীনতার ইতিহাস মুছে ফেলা হয়েছে। ৭৫ এর পর ইতিহাস মুছে ফেলা হয়। ৭১ এ মা-বোনদের ওপর যেসব নির্যাতন হয়েছে, যারা এসব নির্যাতনের সাথে জড়িত ছিল, তাদের কথা হারিয়ে যাচ্ছে। ওই সময় অনেক বাবা-মা নির্যাতনের শিকার মেয়েদের নিতে চাননি। মেয়েরা ঠিকানাবিহীন হয়ে যায়। অনেকে তাদের আশ্রয় দিয়েছে, তবে অনেক সমাজে তাদের জায়গাও হয় নাই। বহু নির্যাতনের কাহিনী ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। এরকম নির্যাতন ও গণহত্যার খবর নিন। যুদ্ধাপরাধের অনেক ইতিহাস রয়ে গেছে। আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের এগুলো জানা প্রয়োজন। তথ্যগুলো সংগ্রহ করে প্রকাশ করা উচিত, সংরক্ষণ করা উচিত। তিনি বলেন, এখন নারীদের স্বাধীনতা আছে বলে তারা অত্যাচার-নির্যাতনের বিষয়গুলো মুখ ফুটে বলতে পারে। যারা অপরাধী তাদের নাম পরিচয় প্রকাশ করুন। এটার দিকে ফোকাস করতে হবে। অনেক নির্যাতনের ঘটনা সংবাদমাধ্যমে আসার কারণে ভুক্তভোগীরা বিচার পাচ্ছেন বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, নুসরাতের ঘটনাটা পত্রিকাগুলোতে না আসলে এটা ধামাচাপা দিয়ে দিতো। আমার কাছে অপরাধী অপরাধীই। তার বিচার হবেই। তিনি বলেন, আপনাদের লেখার মাধ্যমে অনেক কিছু জানতে পারি। এটা চালিয়ে যাবেন।
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীনভেম্বর - ১৯
ফজর৪:৫৬
যোহর১১:৪৪
আসর৩:৩৭
মাগরিব৫:১৫
এশা৬:৩১
সূর্যোদয় - ৬:১৫সূর্যাস্ত - ০৫:১০
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
২৮১৪.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.