নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, শুক্রবার ৮ নভেম্বর ২০১৯, ২৩ কার্তিক ১৪২৬, ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪১
চিনিশিল্পকে বাঁচান
চিনি নিত্য প্রয়োজনীয় ও আবশ্যকীয় একটি খাবার। পরিবারে শিশু, বৃদ্ধ, অসুস্থ থেকে সব বয়সীদের জন্য চা-নাস্তাসহ প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় না থাকলেই চলে না যেটি, তা হলো চিনি। আর এ চিনি তৈরির মূলরসদ 'আখ'; তার উৎপাদনও হয়ে থাকে আমাদের দেশেই। ব্যাপক চাহিদার পরও বাজারে নেই দেশি চিনি। কাজেই চিনির চাহিদা মেটাতে আমাদের পুরোপুরিই নির্ভর করতে হয় অন্য দেশের ওপর। চিনির মিলগুলো এখন মরা শিল্পে পরিনত হয়েছে। চিনিশিল্পে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ কি, তা হয়তো বিশ্বখ্যাত কোনো জ্যোতিষবিজ্ঞানী বলতে পারবেন না! এখনতো বাজারে দেশি চিনি পাওয়াই যাচ্ছে না। ব্যবসায়ীরা সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, 'আগে ডিলাররা গাড়ি নিয়ে এলেও তাদের এখন দেখা মেলে না।' ডিলারদের সিন্ডিকেটের কারণে গোডাউনে চিনি নষ্ট হচ্ছে। অথচ বাজারে চিনি নেই। এ ব্যাপারে খোদ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান অজিত কুমার পাল গণমাধ্যমকে বলেন, 'ডিলাররা বেশি করে লাভ করতে চায়। তাই ছোট ছোট বাজারে বিক্রি করছে না তারা। আগোড়া, স্বপ্নসহ বড় বড় সুপারসপে যান দেখেন পান কিনা।' তার অর্থ সিন্ডিকেটের দখলে চিনি! তাহলে চিনির ডিলাররা কত শক্তিশালী? দেশের সরকারও ওদের সাথে পেরে উঠছে না! অথচ প্রতি বছর সরকারকে শত কোটি টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছে!

এসব টালবাহানার কথা আমরা কিছুতেই মানতে চাই না, বিশ্বাস করতে চাই না। দেশদ্রোহী এসব সিন্ডিকেটের দখল থেকে চিনিকে মুক্ত করে, সর্বসাধারণ যাতে চাহিদা মাফিক চিনি পেতে পারে সে ব্যবস্থা করতে হবে। দেশি আখের চিনি খুবই ভালো মানের হওয়ায় চাহিদাও ব্যাপক। বাজারে না পাওয়ায় বাধ্য হয়ে ক্রেতারা সাদা চিনি কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। রাজধানীসহ সারা দেশের ব্যবসায়ী ও ভোক্তাদের একই অভিযোগ। দেশীয় আখ থেকে উৎপাদিত চিনি বিশুদ্ধ ও প্রাকৃতিক চিনি। নেই কোনো কেমিক্যাল। দাম একটু বেশি দিয়ে হলেও ক্রেতারা কিনতে আগ্রহী।

বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশনের অধীনে চিনিকল আছে ১৫টি। এর মধ্যে একমাত্র কেরু অ্যান্ড কোম্পানি লাভের মুখ দেখলেও বাকি ১৪টি সুগারমিলই লোকসান গুনছে। কেরু অ্যান্ড কোম্পানি ২০১২ সালে জৈবসার কারখানা চালুসহ মোলাসেস বা চিটাগুড়, ব্যাগাস বা ছোবড়া, প্রেসমাড বা গাদ কাজে লাগাচ্ছে। এছাড়া এই চিনিকলে তৈরি হয় দুই ধরনের ভিনেগার, স্পিরিট। জানা যায়, কেরুতে এই মদ তৈরির কারণেই লাভে আছে। চিনির দিক দিয়ে সব মিল লোকসানে।

আমরা আশা করি, দক্ষ শ্রমিক ও আধুনিক মেশিন নিয়ে ক্যাপাসিটি বিল্ডআপ করে ঘুরে দাঁড়াতে হবে চিনিশিল্পকে। এর কোনো বিকল্প ভাবার সুযোগ নেই। সংশ্লিষ্টদের ফিজিবিলিটি স্টাডি করে সম্পূর্ণভাবে ঢেলে সাজালেই এগোনো সম্ভব। না হলে হয়তো আজকের পেঁয়াজের বাজারের যে দশা হয়েছে, একসময় চিনির বাজার নিয়ে সরকারকে সে দশায় পড়তে হবে।
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীনভেম্বর - ১৯
ফজর৪:৫৬
যোহর১১:৪৪
আসর৩:৩৭
মাগরিব৫:১৫
এশা৬:৩১
সূর্যোদয় - ৬:১৫সূর্যাস্ত - ০৫:১০
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
২৮১৮.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.