নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, শুক্রবার ৯ নভেম্বর ২০১৮, ২৫ কার্তিক ১৪২৫, ২৯ সফর ১৪৪০
জনতার মত
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ বর্তমানে কতটুকু যুক্তিপূর্ণ?
শরিফুল ইসলাম শিপন
জাতিসংঘের ছয়টি অঙ্গের অন্যতম একটি অঙ্গ হলো নিরাপত্তা পরিষদ। সদস্য দেশগুলোতে শান্তিশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা, বিরোধ নিষ্পত্তি করা, নতুন সদস্য গ্রহণ করাই মূলত নিরাপত্তা পরিষদের কাজ। কাগজে কলমে এর উদ্দেশ্য ভালো লেখা থাকলেও, বাস্তবে আমরা সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র দেখতে পাচ্ছি। নিরাপত্তা পরিষদের ক্ষমতা ৫টি স্থায়ী দেশের হাতে জিম্মি। সিদ্ধান্ত ভালো হোক আর মন্দ হোক, কোনো একটা দেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে গেলেই ভেটো দিয়ে দিচ্ছে। ফলে আর আইনটি পাস করা যাচ্ছে না। যে ৫টি দেশের হাতে ক্ষমতা দেয়া হয়েছে, তারা সবাই অর্থনৈতিক, সামাজিক, রাজনৈতিকভাবে অনেক শক্তিশিলী। তাদের মর্জির উপরেই গোটা বিশ্ব পরোক্ষভাবে চলছে। তাদের স্বার্থ অথবা ব্যবসার সাথে সাংঘর্ষিক কোনো বিষয়ই তারা অনুমোদন দিবে না, যদিও, সেখানে অধিকাংশ মানুষের কল্যাণ নিহিত থাকে।

আমরা যদি বর্তমান বাংলাদেশের রোহিঙ্গা ইস্যুর দিকে তাকাই তাহলে দেখতে পাবো, রাশিয়া এবং চীন অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক ফায়দা লুটে নেয়ার জন্য অন্যায়ভাবে মায়ানমারকে সমর্থন দিচ্ছে। যার দরুন অন্য ৩টা দেশ বাংলাদেশের পক্ষে থাকলেও মায়ানমারের ওপরে যথার্থভাবে চাপ সৃষ্টি করা যাচ্ছে না। আমরা যদি ইরাকের দিকে তাকাই, আমরা যদি ফিলিস্তিনের দিকে তাকাই তাহলেও একই চিত্র দেখতে পাবো। বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশ যেখানের সমাধান চায়, এ পাঁচটি দেশের পত্যক্ষ পরোক্ষ বাদানুবাদের ফলে এর মীমাংসা হচ্ছে না। নতুন সদস্য রাষ্ট্র গ্রহণও এই পাঁচটি দেশের মর্জির উপরে নির্ভশীল। কোনো একটি রাষ্ট্র ভেটো দিলে সে জাতিসংঘের সদস্য পদ পাবে না। যেটা, আমরা বাংলাদেশের সদস্যপদ পাওয়ার সময় প্রত্যক্ষ করছি। অনেক চড়াই উৎরাই-এর পরে বাংলাদেশকে সদস্য পদ দেয়া হয়। এখন যদি একটি সংগঠন ভালোর জন্য সৃষ্টি হয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করে তাহলে সেই সংগঠনটা রাখার যৌক্তিকতা কতটুকু? বর্তমান বিশ্বরাজনীতির পরিপ্রেক্ষিতে এই সিস্টেম চেইনজ করা উচিত। নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী যে ৫টি ভেটো ক্ষমতাসম্পন্ন রাষ্ট্র আছে, এই স্থায়ী রাষ্ট্র নামক শব্দটিকে উপড়ে ফেলা উচিত। নিরাপত্তা পরিষদের আরো দশটা রাষ্ট্র যেভাবে ভোটের মাধ্যমে দুই বছরের জন্য নির্বাচিত হয়, তেমনিভাবে ভেটো ক্ষমতা সম্পন্ন ৫টি রাষ্ট্রেরও সদস্য রাষ্ট্রের ভোটের মাধ্যমে দুই বছর অথবা ৩ বছর অথবা ৪ বছরের জন্য নির্বাচিত করা দরকার। যেসকল রাষ্ট্রসমূহ বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখতে পারবে, তাদেরকেই ভোটের মাধ্যমে নেতৃত্বে নিয়ে আসা উচিত। তাহলে কোনো রাষ্ট্র নিজেদের ব্যবসায়িক এবং রাজনৈতিক স্বার্থে এই সংগঠনটিকে আর ব্যবহার করতে পারবে না। বর্তমানে নিরাপত্তা পরিষদ বিশ্বের কোনো সমস্যার ভালো কোনো সমাধান দিতে পারছে না। সকল সদস্য রাষ্ট্রগুলোর এই ব্যাপারে সচেতন হওয়া দরকার।

শরিফুল ইসলাম শিপন : লেখক

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীনভেম্বর - ১৬
ফজর৪:৫৬
যোহর১১:৪৪
আসর৩:৩৭
মাগরিব৫:১৬
এশা৬:৩১
সূর্যোদয় - ৬:১৪সূর্যাস্ত - ০৫:১১
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
২৭৭০.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.