নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, শুক্রবার ৯ নভেম্বর ২০১৮, ২৫ কার্তিক ১৪২৫, ২৯ সফর ১৪৪০
৬ জনের নামে মামলা
পাংশায় হেবা দলিল বাতিল করার কথা প্রকাশ করায় শ্বশুরকে হত্যা
রাজবাড়ী থেকে শিহাবুর রহমান
রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের বলরামপুরে ৬০শতাংশ জমির হেবা দলিল বাতিল করার কথা প্রকাশ করায় ইনজেকশনের মাধ্যমে শরীরে বিষাক্ত ওষুধ প্রয়োগ করে শ্বশুরকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নিহত ব্যক্তির নাম আফসার ম-ল। এমন অভিযোগে গত ৬ নভেম্বর রাজবাড়ীর ২নং আমলী আদালতে ৩০২/২০১/৩৪ দঃবিঃ ধারায় মামলা করেছেন নিহতের ছোট মেয়ে হাওয়া বেগম (৩৫)। আদালত মামলাটি এজাহার হিসেবে গ্রহণ করার জন্য পাংশা থানার ওসিকে নির্দেশ

প্রদান করেছেন। মামলায় আফসার মন্ডলের অপর মেয়ে জামাই ইকবাল ফারুক মুক্তার (৪০), মেয়ে জবেদা খাতুন (৩৮), নাতনি মুক্তি বেগম (২১) ও রবিন ম-ল (২০) এবং একই এলাকার ডাক্তার আইয়ুব (৪০) ও আ. আজিজ মন্ডল (৫০) আসামি করা হয়েছে।

মামলা সুত্রে প্রকাশ, আফসার মন্ডলের বাড়িতে ঘর জামাই হিসেবে বসবাত করতেন ইকবাল ফারুক মুক্তার। ঘর জামাই থাকার সুযোগে ২০১৪ সালের ২৩ ডিসেম্বর আফসার ম-লকে ভুল বুঝিয়ে বা কোন প্রকার অচেতন করার ওষুধ খাওয়ায়ে তার কাছ থেকে ৬০ শতাংশ জমি হেবা ঘোষণা দলিল মূলে রেজিস্ট্রি করে নেন জামাই মুক্তার ও সেজো মেয়ে জবেদা খাতুন। জমিটি রেজিস্ট্রি করে নেয়ার পর বিষয়টি তারা গোপন রাখেন। দীর্ঘ দিন সেটা গোপন থাকার পর জানাজানি হয়ে গেলে আফসার মন্ডল তাদেরকে জানান তিনি কোন জমি হেবা দলিল করে দেননি। এমনকি তিনি ওই জমির দলিল বাতিলের কথাও প্রকাশ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে জামাই মুক্তার, মেয়ে জবেদা, নাতনি মুক্তি ও রবিন যোগসাজস করে ডাক্তার আইয়ুব ও আ. আজিজ মন্ডলের মাধ্যমে গত ২৫জুলাই দুপুরে শরীরে ইনজেকশন দিয়ে বিষাক্ত ওষুধ প্রয়োগ করে আফসার মন্ডলকে হত্যা করে। এ ঘটনার পর তারা আফসার মন্ডল স্টোক করে মারা গেছে বলে প্রচার করে। ওই সময়ে তাদের কথায় হাওয়া বেগমসহ আফসার মন্ডলের অন্যান্য মেয়েরা বিশ্বাস করে বলরামপুর গোরস্থানে তার দাফন করেন। পরবর্তীতে হাওয়া বেগম জানতে পারেন তার পিতাকে ইনজেকশনের মাধ্যমে বিষাক্ত ওষুধ প্রয়োগ করে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনার পর হাওয়া বেগম তার পিতাকে হত্যার অভিযোগে উল্লেখিতদের আসামি করে ও কবর থেকে তার লাশ উত্তোলন করে ময়না তদন্ত এবং ফরেনসিক পরীক্ষার মাধ্যমে মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ণয়ের দাবি জানিয়ে গত ১০ অক্টোবর পাংশা থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে থানা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে অভিযুক্তদের সাথে ২/৩বার শালিস হয়। কিন্তু থানা কর্তৃপক্ষ তার পিতার লাশ কবর থেকে উত্তোলন বা অভিযোগটি নিয়মিত মামলা হিসেবে রেকর্ড না করায় তিনি আদালতে মামলাটি দায়ের করেন।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীনভেম্বর - ১৬
ফজর৪:৫৬
যোহর১১:৪৪
আসর৩:৩৭
মাগরিব৫:১৬
এশা৬:৩১
সূর্যোদয় - ৬:১৪সূর্যাস্ত - ০৫:১১
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
২৭২১.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.