নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, শুক্রবার ৯ নভেম্বর ২০১৮, ২৫ কার্তিক ১৪২৫, ২৯ সফর ১৪৪০
গাছ না কেটে রাস্তার উন্নয়ন করা হোক
দেশের বিভিন্ন স্থানে রাস্তা প্রশস্ত বা রাস্তার উন্নয়নে প্রায়ই বিপুল পরিমাণ গাছ কাটার খবর পাওয়া যায়। গাছ না কেটে রাস্তার উন্নয়ন যে অধিকতর কল্যাণকর, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। মাওনা-ফুলবাড়িয়া-কালিয়াকৈর-ধামরাই-নবীনগরকে যুক্ত করেছে যে সড়কটি, সেটি প্রশস্ত করার জন্য একটি প্রকল্প নেয়া হয়েছে। জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটিরি সভায় প্রকল্পটির অনুমোদন দেয়া হয়েছে। ৫২ কিলোমিটার সড়কটি প্রশস্ত করতে খরচ ধরা হয়েছে ২৮২ কোটি টাকা। এই সড়কের ফুলবাড়িয়া থেকে কালিয়াকৈর পর্যন্ত ১৭ কিলোমিটার অংশে বন বিভাগের জমি রয়েছে। এই সড়কের ধারে রয়েছে প্রায় সাত হাজার শালগাছ। সড়ক প্রশস্ত করতে গেলে এসব গাছ কাটা পড়বে। সাত হাজার গাছ কাটা পড়লে সেখানকার বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য হুমকিতে পড়বে। এমনিতেই বন বিভাগের জমি অবৈধভাবে অনেকে দখল করে আছে। গাছ কেটে রাস্তা প্রশস্ত করলে দখলদারি বাড়বে। পুরো ভাওয়ালগড়ের অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়বে বলে বন বিভাগের আশঙ্কা। আর সে কারণেই গাছ কাটায় আপত্তি জানিয়েছে বন বিভাগ। বন বিভাগের কর্মকর্তারা মনে করছেন, সড়কটি প্রশস্ত করা তেমন জরুরি নয়। বিকল্প ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরকে অনুরোধ জানিয়ে চিঠি দিয়েছে বন বিভাগ। অন্যদিকে এই প্রকল্প অনুমোদনের সময় বলা হয়েছিল, গাজীপুর, মানিকগঞ্জ ও ঢাকা এলাকার অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক কর্মকা-ে সড়কটি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে। সড়কটি প্রশস্ত করা হলে যোগাযোগব্যবস্থা উন্নত হবে। আবার বনের কোনো জমি নিতে চাইলে কিংবা গাছ কাটার প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নিতে হয়। এ ক্ষেত্রে তার ব্যতিক্রম ঘটেছে। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অনুমতি না নিয়েই রাস্তা প্রশস্ত করার প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

ভাওয়ালগড়কে ১৯৮২ সালে জাতীয় উদ্যান ঘোষণা করা হলেও এখানে জমি দখল থেমে নেই। একসময় এই বনে চিতা, ময়ূর ও হাতি ছিল বলে শোনা যায়। বন উজাড় হতে হতে অনেক বন্য প্রাণীই বিলুপ্ত হয়ে গেছে। শুধু ভাওয়ালগড় নয়, দেশের অনেক এলাকা থেকেই উজাড় হয়েছে বন। বিলুপ্ত হয়ে গেছে অনেক বন্যপ্রাণী। বনাঞ্চলে গড়ে উঠেছে জনপদ। বনের জমি বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার হচ্ছে। গড়ে তোলা হচ্ছে নানা ধরনের শিল্প-কারখানা, যা বনের পরিবেশ নষ্ট করছে। নষ্ট হচ্ছে জাতীয় সম্পদ।

অন্যান্য দেশে যেখানে পরিবেশ রক্ষা করতে গিয়ে লাভজনক বড় বড় শিল্প-কারখানা বন্ধ করে দেয়া হয়, সেখানে আমাদের দেশে বাণিজ্যিক কারণে বন উজাড় করার উদাহরণ সৃষ্টি হয়। আমরা আশা করব, প্রকল্পের কাজ শুরুর আগে বনের বিষয়টি আরেকবার ভেবে দেখা হবে। যেমনটি হয়েছিল যশোর-বেনাপোল সড়ক প্রশস্ত করার সময়। বাঁচানো সম্ভব হয়েছিল প্রাচীন গাছ। এ ক্ষেত্রেও সেভাবে ভেবে দেখা যেতে পারে।
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীনভেম্বর - ১৬
ফজর৪:৫৬
যোহর১১:৪৪
আসর৩:৩৭
মাগরিব৫:১৬
এশা৬:৩১
সূর্যোদয় - ৬:১৪সূর্যাস্ত - ০৫:১১
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
২৭০৯.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.