নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, বুধবার ১৫ নভেম্বর ২০১৭, ১ অগ্রহায়ণ ১৪২৪, ২৫ সফর ১৪৩৯
মতলব উত্তরে ভেঙে পড়েছে গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবা
মতলব (চাঁদপুর) থেকে রাকিবুল ইসলাম সোহাগ
চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলার স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলোতে ডাক্তারের অভাবে গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবা একেবারে ভেঙে পড়েছে। ৫ লাখ লোকের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেঙ্ েনেই ডাক্তার নেই নার্স । কোটি টাকা দিয়ে কেনা এঙ্রে মেশিনটি পড়ে রয়েছে অবহেলায় । মাত্র ৩০ হাজার টাকা ও একটি রুমের জন্য বসানো যাচ্ছে না মেশিনটি । ডাক্তারা ব্যস্ত প্রাইভেট কিস্ননিকে । সামান্য অসুখে পাঠিয়ে দিচ্ছে নিজেদের পছন্দের ক্লিনিকে এবং চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে প্যাথলজি পরীক্ষার বোঝা। ফলে গ্রামের অসহায় গরিব প্রসূতি মা ও সঙ্কটাপন্ন রুগীদের জরুরি স্বাস্থ্য সেবা দিতে ঢাকা, কুমিল্লা কিংবা চাদঁপুরে নিতে হচ্ছে । অজপাড়াগায়ের অসহায় মানুষ বাধ্য হয়ে চিকিৎসার জন্য দূরে যাচ্ছে । ২ বছর আগেও সারা দেশের মধ্যে সেবার মান নির্ণয়ে সন্তোস জনক ছিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেঙ্টি । বর্তমানে এর অবস্থান ৪ শত ৭০ নম্বরে। জানা যায়, উপজেলায় মোট ৬টি উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র রয়েছে । প্রতিটি উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ১ জন মেডিকেল অফিসার, ১ জন উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার, ১জনর্ ফামাসিষ্ট, ১জন এমএলএসএস থাকার কথা। অথচ দুর্গাপুর ইউনিয়নের নিশ্চিন্তপুর উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ১ জন এমবিবিএস কাগজে কলমে থাকলেও তিনি হাসপাতালে আসেন না, ১ জন উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার রয়েছেন দীর্ঘ ছুটিতে। এমএলএসএস নেই ১০ বছর ধরে। ফলে ১ জন ফার্মাসিস্ট দিয়েই চলছে উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি। এদিকে টরকি উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, অনন্ত ২০ জন রোগি বসে আছে। এক জন এমএলএসএস রোগিদের ওষুধ দিচ্ছে। রোগিদের সামলাতে হিমসিম খাচ্ছেন তিনি। এমবিবিএস ডাক্তার নেই দীর্ঘ দিন ধরে। ১ জন উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার থাকলেও তিনি ব্যস্ত সুজাতপুর বাজারে নিজের ফার্মেসি নিয়ে। এলাকাবাসী জানায় তিনি নিয়মিত স্বাস্থ্য কেন্দ্রে আসেন না। মান্দারতলি উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের হাল আরো ভয়াবহ। গিয়ে দেখা যায়, হাসপাতালে তালা ঝুলছে। একজন উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার দিয়েই চলছে কেন্দ্রটি। তিনি আবার রয়েছেন জেএসসি পরীক্ষার কেন্দ্রে ডিউটিরত। স্বাস্থ্য কেন্দ্রের চারদিকে ঝোপ ঝাড় । দূর থেকে মনে হয় কোন পরিতেক্ত বাড়ি। দরজা জানালাগুলো খসে খসে পরছে । চারদিকে সুয়ারেজের দুর্গন্ধ। কোন রোগী নেই। এলাকাবাসী জানায়, দীর্ঘ দিন ধরে মেডিকেল অফিসার, ফার্মাসিস্ট, এমএলএসএস নেই। এদিকে ষাটনল, মহন পুর, ছেঙ্গারচর উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে গিয়ে একই চিত্র দেখা যায়। ফলে সরকারের অগ্রাধিকারমূলক গ্রামীণ স্বাস্থ্য সেবা মতলব উত্তর উপজেলায় একেবারে ভেঙে পড়েছে। উপজেলার একমাত্র ২৫ শয্যা বিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেঙ্ ে১২ জন ডাক্তার থাকার কথা থাকলেও রয়েছে ৮ জন । তাও অনেকে নিয়মিত হাসপাতালে আসেন না। রয়েছে নার্স ও এমএলএসএস সঙ্কট। নরমাল ডেলিভারি হয় না বললেই হয়। প্রসূতি মায়েদের পাঠিয়ে দেয়া হচ্ছে পছন্দের ক্লিনিকে। প্রসূতি মায়েরা তাই বাধ্য হয়ে ক্লিনিকে গিয়ে সিজারে বাচ্চা জন্ম দিচ্ছেন। যার কারণে প্রায়শই ঘটছে দুর্ঘটনা । আবার ডাক্তার সংকটের কারণে উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলো থেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেঙ্ েডাক্তার নিয়ে আসার কারনে সেখানকার রুগিরা চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শংকর কুমার সাহা জানান, আমরা সর্বোচ্চ সেবা দেয়ার চেষ্টা করছি। আমাদের ডাক্তার সংকট রয়েছে তাই উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলো থেকে ডাক্তার এনে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেঙ্ েডিউটি করাতে হচ্ছে।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীনভেম্বর - ২৫
ফজর৫:০১
যোহর১১:৪৬
আসর৩:৩৫
মাগরিব৫:১৪
এশা৬:৩০
সূর্যোদয় - ৬:২০সূর্যাস্ত - ০৫:০৯
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
২৬৫০.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.