নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, বুধবার ১৫ নভেম্বর ২০১৭, ১ অগ্রহায়ণ ১৪২৪, ২৫ সফর ১৪৩৯
যশোরে অপহরণের পর গুমের অভিযোগে ১৬ পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা
স্টাফ রিপোর্টার/ যশোর প্রতিনিধি
যশোর কোতোয়ালি থানার ৭ পুলিশ কর্মকর্তাসহ ১৬ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছেন হিরা খাতুন নামের এক নারী। অপহরণের পর টাকা দাবি এবং টাকা না পেয়ে ছেলেকে গুমের অভিযোগ এনে গতকাল মঙ্গলবার পুলিশের বিরুদ্ধে এ মামলা করেন তিনি। আদালত অভিযোগ আমলে নিয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলায় আসামিরা হলেন- যশোর কোতোয়ালি থানার এসআই এইচএম শহিদুল ইসলাম, এসআই আমির হোসেন, এসআই হাসানুর রহমান, এএসআই রাজন গাজী, এএসআই সেলিম মুন্সি, এএসআই বিপ্লব হোসেন, এএসআই সেলিম আহম্মেদ, কনস্টেবল আরিফুজ্জামান, কনস্টেবল রফিকুল ইসলাম, কনস্টেবল মো. রমজান, কনস্টেবল হাবিবুর রহমান, কনস্টেবল আবু বক্কার, কনস্টেবল মিজান শেখ, কনস্টেবল মাহমুদুর রহমান, কনস্টেবল রাজিবুল ইসলাম ও কনস্টেবল টোকন হোসেন।

যশোর শহরের শংকরপুর এলাকার হিরা খাতুন মামলার বিবরণে উল্লেখ করেন, গত ৫ এপ্রিল সকাল ১০টার দিকে তার একমাত্র ছেলে সাইদ ও তার বন্ধু শাওন শহরের পৌর পার্কে বেড়াতে যায়। ঐদিন বেলা ১২টার দিকে সাবি্বর হোসেন নামে এক যুবক তাকে মোবাইল ফোনে জানায়, পুলিশ সাইদ ও শাওনকে আটক করেছে। সাথে সাথে তিনি পৌর পার্কে যান এবং দেখতে পান যে সাইদ ও শাওনকে পুলিশ গাড়িতে করে নিয়ে যাচ্ছে। এসময় তিনি দৌড়ে গাড়ির কাছে গিয়ে পুলিশের কাছে আটকের কারণ জানতে চাইলে তারা তাকে থানায় গিয়ে কথা বলতে বলেন। পরে থানার সামনে গিয়ে সন্ধ্যা পর্যন্ত বসে থাকলেও তাকে থানায় ঢুকতে দেয়া হয়নি। সন্ধ্যা ৭টার দিকে ২ পুলিশ সদস্য তাকে ডেকে ছেলেকে ছাড়ানোর জন্য ২ লাখ টাকা দাবি করেন। এরপর ৭ এপ্রিল তিনি পত্রিকা মারফত জানতে পারেন যে, তার ছেলে সাইদ ও শাওন পুলিশের কাছ থেকে পালিয়ে গেছে। সাথে সাথে তিনি থানায় গিয়ে এ বিষয়ে কিছু জানতে পারেননি। পরে কোর্টে গিয়ে জানতে পারেন পুলিশ একটি মামলা করেছে। ঐ মামলায় তার ছেলে ও শাওন পালিয়ে গেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এরপর তার ছেলের সন্ধানে তিনি বারবার পুলিশের কাছে গেলেও তার সাথে খারাপ ব্যবহার করা হয়। এক পর্যায়ে ছেলের সন্ধান চেয়ে তিনি গত ৩০ মে যশোর প্রেসক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলন করেন। কিন্তু আজ পর্যন্ত তার ছেলে ও ছেলের বন্ধুর কোনো খোঁজ মেলেনি। ২ লাখ টাকা ঘুষ না পেয়ে পুলিশের ঐ সদস্যরা ক্ষিপ্ত হয়ে ছেলে ও ছেলের বন্ধুকে পরিকল্পিতভাবে অপহরণ ও তাদের লাশ গুম করেছে বলে সন্দেহ করছেন হিরা খাতুন।

যশোর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্টেট আমলী আদালতের বিচারক শাহিনুর রহমান পিটিশনটি গ্রহণ করে এ ব্যাপারে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছেন।

কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবুল বাশার মিয়া জানিয়েছেন, যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দেয়া হয়েছে তাদের অনেক অফিসার কোতোয়ালি থেকে পোস্টিং হয়ে অন্য থানায় কাজ করছেন। সাঈদ হত্যাসহ ডজন খানেক মামলার আসামি। পুলিশের কাছ থেকে পালিয়ে যাওয়ার পর তার কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি।

এদিকে এ অভিযোগকে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যমূলক দাবি করে যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সালাহউদ্দিন শিকদার বলেন, কুচক্রি মহলের ইন্ধনে পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার জন্যই মামলাটি করা হয়েছে।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীনভেম্বর - ২৫
ফজর৫:০১
যোহর১১:৪৬
আসর৩:৩৫
মাগরিব৫:১৪
এশা৬:৩০
সূর্যোদয় - ৬:২০সূর্যাস্ত - ০৫:০৯
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
২৭০৫.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.