নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, রোববার ২২ নভেম্বর ২০২০, ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, ৬ রবিউস সানি ১৪৪২
হযরত মুহাম্মাদ (সা.) এর মক্কা ও মদিনা জীবন
মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন
হযরত মুহাম্মাদ (সা.) তাঁর ৬৩ বছরের জীবনে নিজ জন্মভূমি মক্কা শরীফে কাটিয়েছেন ৫২ বছর এবং মদিনা শরিফে কাটিয়েছেন ১১ বছর। অর্থাৎ ৬২২ খ্রি. ২৭ সেপ্টেম্বর ১২ রবিউল আউয়াল শুক্রবার নবীজী হযরত মুহাম্মাদ (সা.) মদিনায় হিজরত করেন। ৬৩২ খ্রি. ৮ জুন একাদশ হিজরি ১২ রবিউল আউয়াল সোমবার সকালে ইন্তেকাল করেন। এই দুই পর্বে তিনি তাঁর ৬৩ বছর জীবন অতিবাহিত করেছেন। তিনি যখন মাতৃগর্ভে তখন তার পিতা আব্দুল্লাহ ব্যবসা উপলক্ষে সিরিয়ায় যান। সিরিয়া থেকে ফেরার পথে মদিনায় অসুস্থ হয়ে মাত্র ২৫ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে মহানবী (সা.)-এর পিতা আব্দুল্লাহ ৫টি উট, কিছু সংখ্যক ছাগল ও ভেড়া এবং উম্মে আয়মন নামে একজন দাসী রেখে যান। মহানবী (সা.)-এর দাদা আব্দুল মুত্তালিবের ১২ জন পুত্রসন্তান ছিল। এর মধ্যে দুইজনের নাম জানা যায় নাই। আর দশ পুত্রের মধ্যে আবু তালেব, আব্বাস, আবু হামজা, আবু লাহাব এবং মহানবী (সা.)-এর পিতা আব্দুল্লাহর নাম ইতিহাসে বেশ প্রসিদ্ধ লাভ করেছে। আব্রাহার মক্কা অভিযানের কিছু পূর্বে আব্দুল মুত্তালিব কুরাইশ গোত্রের বনি জোহরা নামক শাখার নেতা আব্দুল ওয়াহাবের সর্বগুণ সম্পন্ন কন্যা বিবি আমিনার সাথে পুত্র আব্দুল্লাহর বিবাহ হয়। হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্মের পর আরবের প্রথা অনুযায়ী বিবি হালিমার গৃহে মহানবী মুহাম্মাদ (সা.) ৫ বছর লালন-পালন হয়। ৬ বছর বয়সে মহজানবী (সা.) মায়ের কোলে ফিরে আসেন। মহানবী (সা.)কে নিয়ে তার মা বিবি আমিনা মদিনায় স্বামীর কবর জিয়ারত করে ফিরার পথে 'আবওয়া' নামক স্থানে এসে জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেন (৫৭৬ খ্রি.)। তারপর এই ইয়াতিম বালক বিশ্বস্ত পরিচারিকা উম্মে আয়মনের সাথে মক্কায় ফিরে আসেন। হযরত মুহাম্মাদ (সা.)-এর জীবনে চারবার বক্ষকে বিদীর্ণ করা হয়েছিল। একবার শৈশবে বিবি হালিমার গৃহে, ২য় বার বারো বছর বয়সে। তৃতীয়বার হেরা পর্বতের গুহায় এবং ৪র্থ শেষবার মেরাজ রজনীতে। পবিত্র কোরআনে এ সম্পর্কে স্পষ্ট প্রমাণ রয়েছে। মহান আল্লাহ বলেন, 'হে মুহাম্মাদ (সা.) আমি কি তোমার বক্ষকে উন্মুক্ত করি নাই। মায়ের ইন্তেকালের পর সাত বছর থেকে শিশু ইয়ামিত বালক মহানবী (সা.)কে তার দাদা আবু মুত্তালিব লালন-পালনের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দাদার গৃহে আসার দুই বছর পর তার দাদা আবু মুত্তালিব ইন্তেকাল করেন (৫৭৯ খ্রি.)। তারপর থেকে তার পিতৃব্য আবু তালিবের গৃহে লালন-পালন হন। শৈশবকালে আরবের লোকেরা তার মহানুভবতা, সত্যবাদিতা, ন্যায়পরায়ণতা, কর্তব্য ও নিষ্ঠা দেখে তাকে আল আমিন উপাধিতে ভূষিত করেন। কোমল স্বভাব ও অমায়িক ব্যবহারের জন্য সকলে তাকে খুব ভালো বাসত এবং শ্রদ্ধা করতো। ৫৮২ খ্রি. মাত্র বারো বছর বয়সে তার পিতৃব্য আবু তালেবের সাথে ব্যবসার কাজে সিরিয়া গমন করেন। এ সময় বহিরা নামক খ্রিস্টান সাধুর সাথে তার সাক্ষাৎ হয়। ওই সাধু মুহাম্মাদ (সা.)কে শেষ নবী চিনতে পেরে আরবের পৌত্তলিক ইহুদিদের কবল থেকে তাকে রক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয় উপদেশ দিয়েছিলেন। সিরিয়া থেকে ফিরে এসে মহানবী (সা.) উকাজ মেলার সংঘর্ষ দেখে ৫৯৫ খ্রি. শান্তি সংঘ অর্থাৎ হিলফ-উল-ফুজুল গঠন করেন। কুরাইশদের বিভিন্ন গোত্রের মধ্যে যখন কৃষ্ণপাথর স্থানান্তর নিয়ে সংঘর্ষ দেখা দিয়েছিল তখন শিশুনবীর (সা.) সিদ্ধান্তে দিয়ে হাজরে আসওয়াদ অর্থাৎ কৃষ্ণপাথর সঠিক স্থানে স্থানান্তরিত হয়েছিল। মহানবী (সা.)-এর প্রত্ত্যুৎপন্নমতি সিদ্ধান্তের ফলে এক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের হাত থেকে আরব গোত্রগুলো বেঁচে গিয়েছিল (৬০৫ খ্রি.)। হযরত মুহাম্মাদ (সা.)-এর সততা, ন্যায়পরায়ণতা, আস্থা এবং বিশ্বাস দেখে বিবি খাদিজা (রা.) তাকে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেন। বিবি খাদিজা (রা.) জাগতিক ধন সম্পদের দিকে লক্ষ্য না করে আত্মিক অগাধ গুণাবলীর দিকে ঝুঁকে পড়লেন। বিবি খাদিজা (রা.) নাফিসা নামি এক সহচারীর মাধ্যমে হযরত মুহাম্মাদ (সা.)কে বিবাহের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তিনি তার পিতৃব্য আবু তালিবের সম্মতিতে এ প্রস্তাব সানন্দে গ্রহণ করেছিলেন। হজরত মুহাম্মাদ (সা.)-এর পক্ষে তার চাচা আবু তালিব এবং বিবি খাদিজার (রা.)-এর পক্ষে তার চাচা ওমর বিন আসাদ বিবাহ মজলিসে উপস্থিত ছিলেন। নিদারুন হতাশা ও দুঃখ বেদনার সময় বিবি খাদিজা (রা.) ছিলেন হযরত মুহাম্মাদ (সা.)-এর সান্ত্বনার একমাত্র উৎস। দীর্ঘ ২৫ বছর তিনি হযরত মুহাম্মাদ (সা.)-এর সাথে জীবন অতিবাহিত করেন। বিবি খাদিজার গর্ভে তার তিন পুত্র (কাশেম, তাহের ও তৈয়ব) এবং চার কন্যা (জয়নব, রোকেয়া, উম্মে কুলছুম ও ফাতেমা) জন্মগ্রহণ করেন। পুত্র সন্তানগণ অতি শৈশবে ইন্তেকাল করেন। বিবি খাদিজা (রা.)-এর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার ১৫ বছর পর্যন্ত তিনি আল্লাহর বিভিন্ন ধ্যানে মশুগুল থাকতেন এবং আরববাসীদের পাপাচার, অনাচার ইত্যাদি নিয়ে চিন্তিত থাকতেন। এক রাতে মুহাম্মাদ (সা.) হেরাগুহায় ধ্যানে মগ্ন আছেন। এমন সময় হজরত জিব্রাইল (আ.) এসে বললেন, আপনি পড়ুন, 'ইকরা বিইসমি রাবি্বকাল্লাযি খালাক'... হযরত মুহাম্মাদ (সা.) কয়েকবার চেষ্টা করে পড়লেন এবং পাঠ করলেন। এভাবে পবিত্র আল কোরআন লৌহে মাহ্ফুজ থেকে পবিত্র রমজান মাসের ২৭ তারিখ পবিত্র লাইলাতুল ক্বদরের রাতে (৬১০ খ্রি.) সর্বপ্রথম মুহাম্মাদ (সা.)-এর উপর নাযিল হয়। চলি্লশ বছর বয়সে হযরত মুহাম্মাদ (সা.) নুবয়াত প্রাপ্ত হন (৬১০ খ্রি.) এবং হেরা পর্বতের গুহাতেই তার নিকট প্রথম ওহী নাযিল হয়। প্রথম ওহী প্রাপ্তির পর তিনি গভীরভাবে বিচলিত হয়ে পড়লেন। কম্পিত ও ভীত সন্ত্রস্ত হযরত মুহাম্মাদ (সা.) তার স্ত্রী বিবি খাদিজা (রা.) সমস্ত ঘটনা খুলে বললেন। বিবি খাদিজা (রা.) সমস্ত ঘটনা শুনে তাকে সাহস ও উৎসাহ যুগিয়েছিলেন। তারপর শুরু হলো মহানবী (সা.)-এর ইসলাম প্রচার। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ বলেন, 'হে আমার রসুল, তোমাকে তোমার প্রভু যে সত্য দান করেছেন, তা প্রচার কর'। প্রথমে তার পরিবার, আত্মীয়স্বজনদের ইসলামে দিক্ষিত করলেন। তারপর আল্লাহর আদশে প্রকাশ্যে ইসলাম প্রচার শুরু করার পর কুরাইশদের চক্ষুশুল হলেন এবং শত্রুতা বেড়ে গেল। যারা ইসলামে দিক্ষিত হয়েছিল, কুরাইশরা তাদের প্রতি অত্যাচার এবং নির্যাতন শুরু করে দিল। কুরাইশদের নির্যাতনের হাত থেকে মুসলমানদের রক্ষা করার জন্য প্রথমে অস্থায়ীভাবে আবিসিনিয়ায় এবং স্থায়ীভাবে পরে মদিনায় হিজরত করেছিলেন। মক্কায় ইসলাম প্রচারের অগ্রগতি না দেখে তিনি তায়েফে গিয়ে ইসলাম প্রচারের চেষ্টা করেন। কিন্তু তায়েফবাসীগণ তার কথার সাড়া না দিয়ে বরং মহানবীর প্রতি আরো ক্ষীপ্ত হয়ে অত্যাচার শুরু করে দেন। অবশেষে মহানবী (সা.) ব্যর্থ মনোরথ নিয়ে মক্কায় ফিরে আসেন। তায়েফ থেকে ফিরে এসে মহানবী (সা.) আল্লাহর আদেশে ওহী প্রাপ্ত হয়ে ৬২০ খ্রি. রজব মাসে মেরাজ এ গমন করেন। মেরাজে গিয়ে তিনি মহান আল্লাহর দিদার লাভ করে দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ এবং ৩০ দিন রোজা রাখার বিধান উম্মতের জন্য নিয়ে আসেন। হযরত আবু বক্কর (রা.) সর্বপ্রথম মহানবী (সা.)-এর মিরাজের সকল ঘটনা বিনা বাক্যে বিশ্বাস করেছিলেন। আল আকাবার প্রথম ও দ্বিতীয় শপথের পর মহান আল্লাহর আদেশ পেয়ে মহানবী (সা.) ইয়াসরিববাসীদের আগ্রহ উদ্দীপনা দেখে তিনি মদিনায় স্থায়ীভাবে হিজরত করার জন্য তৈরি হন। ৬২২ খ্রি. ২২ সেপ্টেম্বর তিনি মদিনার কয়েক মাইল দূরে কোবা নামক স্থানে পৌঁছেন এবং সেখানে একটি মসজিদ স্থাপন করেন। এর চারদিন পর ৬২২ খ্রি. ২৭ সেপ্টেম্বর ১২ রবিউল আউয়াল শুক্রবার মদিনায় অর্থাৎ ইয়াসরিবে গিয়ে পৌঁছেন। মহানবী (সা.) মদিনায় যাওয়ার পর তার মক্কা জীবন শেষ হয় এবং মদিনার জীবন শুরু হয়। জন্মগ্রহণ করার পর ৫২টি বছর তিনি যে জন্মভূমিতে ছিলেন সে জন্মভূমি ছেড়ে যেতে মহানবী (সা.)-এর বেশ কষ্ট লেগেছিল। মহানবী (সা.)-এর মদিনা জীবন অতিসংক্ষেপে পাঠক মহলের উদ্দেশে নিবেদন করছি- ১ হিজরি ৬২২ খ্রি. মদিনায় মহানবী (সা.) মসজিদের ভিত্তি স্থাপন করেন। মদিনায় অন্যান্য সম্প্রদায়ের সাথে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করার জন্য একটি লিখিত চুক্তি বাস্তবায়ন করেন। ২য় হিজরি (৬২৩ খ্রি.) আজান বা নামাজ পড়ার জন্য আহ্বান প্রবর্তিত হয়। যাকাত প্রদান বাধ্যতামূলক করা হয়। কিবলা জেরুজালেম থেকে কাবার দিকে পরিবর্তন করা হয়। রমজানের রোজা ফরজ করা হয়। ১৮ রমজান বদর যুদ্ধ সংঘটিত হয় (১৭ মার্চ ৬২৪ খ্রি.) ৩য় হিজরি (৬২৪ খ্রি.) সাওয়াল মাসের ৬ তারিখে ওহুদের যুদ্ধ সংঘটিত হয়। উত্তরাধিকারী আইন প্রবর্তিত হয়। ৪র্থ হিজরি (৬২৫ খ্রি.) বানু নাজাইর যুদ্ধ সংঘটিত হয়। পর্দা প্রথা প্রবর্তিত হয়। মদ বেআইনি ঘোষণা করা হয়। ৫ম হিজরি (৬২৬ খ্রি.) কোনো কোনো অপরাধমূলক আইন প্রবর্তিত হয়। পর্দা পালন সম্পর্কে আরো কিছু আইন প্রবর্তিত হয়। খন্দকের যুদ্ধ সংঘটিত হয়। বিশ্বাসঘাতকতার জন্য ইহুদি গোত্রের বানু কুরাইযাকে শাস্তি দেয়া হয়। ৬ষ্ঠ হিজরি (৬২৭ খ্রি.) হোদায়বিয়ার সন্ধি স্বাক্ষরিত হয়। হযরত খালিদ (রা.) ও হযরত অমর বিন-আস ইসলাম ধর্মগ্রহণ করেন। ৭ম হিজরি (৬২৮ খ্রি.) বিশ্ব নবী ইসলাম গ্রহণ করার জন্য বিদেশি শাসকদের নিকট পত্র পাঠান। খাইবার যুদ্ধ সংঘটিত হয়। বিবাহ ও তালাকের জন্য আইন প্রবর্তিত হয়। মুতার যুদ্ধ সংঘটিত হয়।

৮ম হিজরি (৬২৯ খ্রি.) মক্কা বিজয় সম্পন্ন হয়। সুদ নিষিদ্ধ করা হয়। শাওয়াল মাসে হুনাইন ও তায়িফ যুদ্ধ সংঘটিত হয়। ৯ম হিজরি (৬৩০ খ্রি.) তাবুক যুদ্ধ সংঘটিত হয়।

হজকে ফরজ করা হয়। ১০ম হিজরি (৬৩১ খ্রি.) মহানবী (সা.) তার শেষ হজ পালন করেন এবং এ উপলক্ষে তাঁর শেষ ভাষণ দেন।

একাদশ হিজরি (৬৩২ খ্রি.) মহানবী (সা.) সফর মাসের শেষের দিকে অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁর ইন্তেকালের ৫ দিন পূর্বে তিনি জামাতে নামাজ পড়েন। তিনি ১২ রবিউল আউয়াল সোমবার সকালে ইন্তেকাল করেন। এ দিন রাত্রে তাঁকে সমাহিত করা হয়।

পরিশেষে, আমরা এ কথা বলতে পারি যে, মহানবী হযরত মুহাম্মাদ (সা.) শুধুমাত্র একটি দেশ বা জাতির জন্য নয়, তিনি সকল যুগের সর্বকালের এবং সমগ্র মানব জাতির জন্য একটি নতুন জীবন ব্যবস্থা ও আদর্শ প্রতিষ্ঠা করার জন্যই আবির্ভূত হয়েছিলেন। তিনি সমগ্র মানব জাতির জন্য প্রতিষ্ঠা করেছিলেন একটি আদর্শ ও মানবিক জীবন বিধান। তিনি তার কাজে এবং কর্মে শতভাগ সফল হয়েছিলেন। ইরশাদ হচ্ছে, 'আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের ধর্মকে পূর্ণ করিয়া দিলাম, আমি তোমাদের প্রতি স্বীয় নেয়ামত পরিপূর্ণ করিয়া দিলাম এবং আমি ইসলামকে তোমাদের ধর্মরূপে পছন্দ করিলাম'। (সূরা মায়িদা আয়াত-৩)

মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন : লেখক

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীনভেম্বর - ৩০
ফজর৫:০২
যোহর১১:৪৭
আসর৩:৩৫
মাগরিব৫:১৪
এশা৬:৩১
সূর্যোদয় - ৬:২২সূর্যাস্ত - ০৫:০৯
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৬৯১৮.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.