নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, রোববার ২২ নভেম্বর ২০২০, ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, ৬ রবিউস সানি ১৪৪২
সুন্দরগঞ্জে অসময়ে তিস্তার ভাঙনে সর্বহারা চরবাসী
সুন্দরগঞ্জে (গাইবান্ধা) থেকে আ. মতিন সরকার
থামছে না তিস্তার ভাঙন। অব্যাহত ভাঙনে সর্বহারা চরবাসী। গত ছয় মাসের অব্যাহত ভাঙনে সহস্রাধিক বসতবাড়িসহ হাজারও একর জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙনের মুখে হাজারও বসতবাড়ি এবং আবাদি জমি। স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যার ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে না উঠতেই গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তারাপুর, বেলকা, হরিপুর, চন্ডিপুর, শ্রীপুর ও কাপাসিয়া ইউনিয়নের উপর দিয়ে প্রবাহিত তিস্তার লাগামহীন ভাঙন চরবাসীকে দিশাহারা করে তুলেছে। ভাঙনের কারণে প্রতিনিয়ত ঘরবাড়ি সরানো চরবাসীর জন্য অসহনীয় কষ্ট হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তিস্তার পানি কমে যাওয়ার পর থেকে উপজেলার শ্রীপুর, হরিপুর, বেলকা, চন্ডিপুর ও কাপাসিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন চরে ভাঙন শুরু হয়েছে। যতই পানি কমছে ততই ভাঙন বেড়েই চলছে। বিশেষ করে হরিপুর, শ্রীপুর ও কাপাসিয়া ইউনিয়নের তীব্র আকারে ভাঙন দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানগণের তথ্যের ভিত্তিতে জানা গেছে, গত ছয় মাসের অব্যাহত ভাঙনে সহস্রাধিক বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। সেই সাথে হাজার একর জমি মৌসুমি ফসলসহ তিস্তার পেটে চলে গেছে। হরিপুর ইউনিয়নের মাদারিপাড়া গ্রামের ওয়াহেদ আলী জানান, ৫৫ বছর বয়সে তিনি ১০ বার নদী ভাঙনের শিকার হয়েছে। চলতি বছরে তিনি ৩ বার নদী ভাঙনের স্বীকার হন। পরিবার পরিজন নিয়ে তিনি আর নদী ভাঙন মোকাবেলা করতে পারছেন না কাপাসিয়া ইউনিয়নের পল্লী চিকিৎসক শরিফুল ইসলাম বলেন, আমার বয়সে দেখিনি ৩-৪ দফা ভাঙন। লাল চামার গ্রামটি অনেক বড় ছিল এই অব্যাহত তিস্তার ভাঙ্গনে গ্রামটি বিলুপ্ত হয়েছে। হরিপুর ইউপি চেয়ারম্যান নাফিউল ইসলাম জিমি জানান, নদী পাড়ের মানুষ আমি নিজে। আমি জানি নদী ভাঙনের কষ্ট এবং জ্বালা যন্ত্রণা। নদী ভাঙন রোধে সরকারের বড় পদক্ষেপ ছাড়া আমাদের পক্ষে কোন কিছু করা সম্ভব নয়।

গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিবার্হী প্রকৌশলী মোখলেছুর রহমান জানান, নদী ভাঙন রোধ, সংস্কার, সংরক্ষণ আসলে বৃহৎ প্রকল্পের প্রয়োজন। এটি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। তবে এর মধ্যে ৪০০ কোটি টাকার একটি বৃহৎ প্রকল্প হাতে নিয়েছে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাজী লুতফুল হাসান জানান, ভাঙন রোধে জিও টিউব ও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে বিভিন্ন ভাঙন কবলিত এলাকায়। এছাড়া সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে নদী ভাঙনের বিষয়টি লিখিতভাবে জানানো হয়েছে।

গাইবান্ধা-১ সুন্দরগঞ্জ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী জানান, জনস্বার্থে মহান সংসদে নদী ভাঙন বিষয় নিয়ে কয়েক দফা বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়েছে। ইতিমধ্যে হরিপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন ভাঙন কবলিত এলাকায় কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে প্রায় ১ হাজার জিও টিউব ও ব্যাগ ফেলা হয়েছে। তিনি বলেন, সরকার নদী ভাঙন রোধে একাধিক প্রকল্প বরাদ্দ দিয়েছে।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীঅক্টোবর - ২০
ফজর৪:৪২
যোহর১১:৪৪
আসর৩:৫১
মাগরিব৫:৩২
এশা৬:৪৪
সূর্যোদয় - ৫:৫৮সূর্যাস্ত - ০৫:২৭
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
২২২১২.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.