নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, রোববার ২২ নভেম্বর ২০২০, ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, ৬ রবিউস সানি ১৪৪২
দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ কমলেও বেশি দামে আমদানি করা হচ্ছে ভারত থেকে
বিদ্যুৎ খাতে সরকারের অব্যবস্থাপনা
স্টাফ রিপোর্টার
দেশীয় বিদ্যুৎকেন্দ্রের গড় উৎপাদন খরচ কমলেও দশ শতাংশ বেশি দামে আমদানি করা হচ্ছে ভারত থেকে। অথচ অতিরিক্ত ক্ষমতা নিয়ে অলস বসে ছিল বহু কেন্দ্র। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের বার্ষিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এই তথ্য। কেবল তাই নয়, প্রায় সাড়ে আট শতাংশ উৎপাদন ক্ষমতা বাড়ানো হলেও, প্রকৃত ব্যবহার বেড়েছে মাত্র এক শতাংশ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই তথ্যেই স্পষ্ট বিদ্যুৎ খাত নিয়ে সরকারের অব্যবস্থানা। দেড় শ'র ওপরে বিদ্যুৎকেন্দ্র এখন দেশজুড়ে। নির্মাণ চলছে আরো বেশ কয়েকটির। ক্যাপটিভসহ উৎপাদন ক্ষমতাও ছাড়িয়েছে সাড়ে তেইশ হাজার মেগাওয়াট। যা প্রতিবছরই বাড়ছে গড়ে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ হারে।

তবে, উৎপাদন বৃদ্ধির ঊর্ধ্বমুখী এই ধারার সাথে সমান্তরালে হাঁটতে পারছে না চাহিদা। পিডিবির প্রতিবেদন বলছে, ২০১৯-২০ অর্থবছরে উৎপাদন বেড়েছে সাড়ে সাত শতাংশ। বিপরীতে প্রকৃত ব্যবহার বেড়েছে ১ শতাংশের কিছু বেশি। আগের অর্থবছরেও প্রায় ১৯ শতাংশ উৎপাদন বৃদ্ধির বিপরীতে প্রকৃত ব্যবহার বেড়েছিল সাড়ে ১২ শতাংশ। অর্থাৎ, প্রতিবছরই যোগ হচ্ছে অলস ক্ষমতা।

জানা গেছে, প্রতিদিন গড়ে অন্তত ৩০টি বিদ্যুৎকেন্দ্র অলস বসে থাকে দেশে। যা আশঙ্কাজনক হারে বাড়িয়ে দিচ্ছে উৎপাদন খরচ। ফলে সবশেষ অর্থবছরে কোনো কেন্দ্রে এক ইউনিট বিদ্যুতের জন্য খরচ হয়েছে ৮১ টাকা অথচ বিক্রি মূল্য ৬ টাকার নিচে। আর এসব অব্যবস্থাপনা সামাল দিতে বছরে ৮ থেকে ১০ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি যাচ্ছে পিডিবির মাধ্যমে। যদিও সরকার আশা করছে, অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলো পুরোদমে সক্রিয় হলে বাড়বে বিদ্যুতের ব্যবহার।

২০১৯ থেকে ২০৩০-এর মধ্যে উৎপাদন ক্ষমতা দ্বিগুণ করার পরিকল্পনা সরকারের। যেজন্য বিনিয়োগ দরকার হচ্ছে ৬২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর মধ্যে অর্ধেকের বেশি নিশ্চয়তাও পাওয়া গেছে বিভিন্ন উৎস থেকে। তবে বিদ্যুৎ আমদানি বাড়াতে সরকারের নিত্যনতুন পরিকল্পনা থাকলেও সেক্ষেত্রে কিছুটা সংযত থাকার পরিকল্পনা থাকার পরামর্শ দেয়া হয়েছে মহাপরিকল্পনায়।

বর্তমানে ৫৬ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে গ্যাস থেকে। আর কয়লা থেকে মাত্র ৩ শতাংশ এলেও ২০৩০ সাল নাগাদ সেটি নেয়ার পরিকল্পনা ৩২ শতাংশে।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ড. ম তামিম বলেন, রেন্টাল পাওয়ার প্লান্ট যতগুলো আছে, যেগুলোর চুক্তি শেষ হয়ে যাচ্ছে, সেগুলোর চুক্তি রিনিউ করা। কারণ সরকারের কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। প্রথমত তাদের দেয়া হয়েছে ৩ বছরের। সরকারের কারণে সেটা ৩ থেকে ৬ বছর করা হয়েছে। বাড়তি যে চুক্তিগুলো দেয়া হচ্ছে সেগুলো বাতিল করে দেয়া উচিত। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, আমরা প্রতিবছর কিন্তু কিছু কিছু জায়গা থেকে রিটায়্যারমেন্ট করছি। কিছু কিছু জায়গায় রেখে দিচ্ছি। কারণ ওইসব জায়গায় পকেট তৈরি হয়ে আছে। ওইসব জায়গায় পাওয়ার নেয়াটাও এখন দুষ্কর। তাই বন্ধ হয়ে যাবে।

ক্ষমতার বাইরে, ব্যয় ব্যবস্থাপনা নিয়েও অদক্ষতার ছাপ এই খাতে। কেন্দ্রগুলোতে উৎপাদিত বিদ্যুতের একমাত্র ক্রেতা বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড। সবশেষ অর্থবছরে সংস্থাটি এর পেছনে ব্যয় করেছিল ৪১ হাজার কোটির বেশি। তবে, পিডিবির নিজস্ব কিংবা সরকারি কেন্দ্র থেকে কম কেনা হলেও, সাড়ে আট শতাংশ খরচ বেড়েছে আমদানি বাবদ। কেবল তাই নয়, বছর ব্যবধানে সার্বিকভাবে ইউনিটপ্রতি উৎপাদন ব্যয় কমলেও ভারত থেকে কেনা হয়েছে ১০ শতাংশ বেশি দামে। চাহিদা কম থাকায় সবশেষ অর্থবছরে কিছুটা উৎপাদন কমেছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীনভেম্বর - ৩০
ফজর৫:০২
যোহর১১:৪৭
আসর৩:৩৫
মাগরিব৫:১৪
এশা৬:৩১
সূর্যোদয় - ৬:২২সূর্যাস্ত - ০৫:০৯
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৬৯০৮.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.