নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, রোববার ২২ নভেম্বর ২০২০, ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, ৬ রবিউস সানি ১৪৪২
এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষার কার্যকর উপায় খুঁজুন
করোনা মহামারীর কারণে দেশের অন্যান্য খাতের মতোই শিক্ষা খাতও বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে। গত ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি চলছে। করোনার বাস্তবতায় দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ থাকায় প্রায় চার কোটি শিক্ষার্থীর বেশির ভাগেরই পড়াশোনা অনিয়মিত হয়ে পড়েছে। প্রাথমিক থেকে এইচএসসি পর্যন্ত লেখাপড়া পুরোপুরি শ্রেণিকক্ষনির্ভর। শ্রেণিকক্ষের পড়াশোনা যখন বিঘি্নত হয়, তখন তার প্রভাব শিক্ষার্থীদের ওপর পড়ে। টেলিভিশন ও অনলাইনে লেখাপড়া চালিয়ে নেয়ার চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু এর সাফল্য নিয়ে অনেকেই সন্দিহান। কারণ সরাসরি শ্রেণিকক্ষে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে যে আদান-প্রদান হয়, তা অনলাইন বা টেলিভিশনে সম্ভব নয়। যার ফলে গত আট মাসে অনেক শিক্ষার্থী বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। অনেক অভিভাবক নিজেদের চেষ্টায় শিক্ষার্থীদের সংকট কাটিয়ে উঠতে সচেষ্ট হলেও দেশের বেশির ভাগ অভিভাবকের দ্বারা তা সম্ভব নয়। সবচেয়ে বড় ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা। মহামারীর মধ্যে এবার পঞ্চম ও অষ্টমের সমাপনী পরীক্ষা এবং মাধ্যমিক স্তরের বার্ষিক পরীক্ষা নেবে না সরকার। আর অষ্টমের সমাপনী এবং এসএসসি ও সমমানের ফলের ভিত্তিতে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল ঘোষণা করা হবে। কিন্তু এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের কী হবে? শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় কোনো প্রতিষ্ঠানই টেস্ট পরীক্ষা নিতে পারেনি। মহামারী পরিস্থিতি বিবেচনা করে এবং আগামী বছরের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের কথা মাথায় রেখে গত ১৪ নভেম্বরের পর সীমিত পরিসরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার চিন্তা এর আগে করা হয়েছিল। কিন্তু করোনা সংক্রমণের মধ্যে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি আগামী ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। প্রকাশিত খবরে বলা হচ্ছে, শিক্ষাপঞ্জি অনুসারে আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে এসএসসি ও সমমানের এবং আগামী ১ এপ্রিল থেকে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা। নভেম্বর মাসে এসএসসির টেস্ট পরীক্ষা এবং ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে এইচএসসির টেস্ট পরীক্ষা হওয়ার কথা। কিন্তু এখন সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ। করোনার কারণে শিক্ষার্থীদের সিলেবাসও শেষ হয়নি। এটাও দুশ্চিন্তার বড় কারণ। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের দুশ্চিন্তামুক্ত করতে একটি কার্যকর সিদ্ধান্ত এখনই নেয়া দরকার বলে আমরা মনে করি।
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীনভেম্বর - ৩০
ফজর৫:০২
যোহর১১:৪৭
আসর৩:৩৫
মাগরিব৫:১৪
এশা৬:৩১
সূর্যোদয় - ৬:২২সূর্যাস্ত - ০৫:০৯
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৬৯৩৯.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.