নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, মঙ্গলবার ৩ ডিসেম্বর ২০১৯, ১৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ৫ রবিউস সানি ১৪৪১
রাজস্ব চাহিদা পূরণে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব
স্টাফ রিপোর্টার
গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে আগামী বছরে ৪২৮ কোটি টাকা রাজস্ব চাহিদা পূরণের প্রস্তাব দিয়েছে ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি-ডিপিডিসি। গতকাল সোমবার বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর ইস্যুতে এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনে গণশুনানির তৃতীয় দিনে এই প্রস্তাব দিয়েছে ডিপিডিসি। একই সঙ্গে পাইকারি পর্যায়ে দাম বাড়ালে গ্রাহক পর্যায়েও সমন্বয়ের আবেদন করে প্রতিষ্ঠানটি।

গত রোববার শুনানির দ্বিতীয় দিনে পাইকারি পর্যায়ে দাম বাড়িয়ে খুচরা পর্যায়ে তা সমন্বয়ের প্রস্তাব দেয়, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড-পিডিবি।

গত বৃহস্পতিবার বিদ্যুতের পাইকারি দামের বিষয়ে পিডিবির প্রস্তাবিত ২৩ দশমিক ২৭ ভাগ দাম বাড়ার প্রস্তাবের বিপরীতে কমিশনের মূল্যায়ন কমিটি ১৯ দশমিক ৫০ ভাগ দাম বাড়ার সুপারিশ করে। এতে পিডিবির প্রতি ইউনিটে বিদ্যুতের পাইকারি দাম ৯৩ পয়সা বৃদ্ধি পাবে। গত রোববার ঐ প্রস্তাবের সূত্র ধরে পাইকারির আনুপাতিক হারে খুচরা দাম বাড়ার সুপারিশ করেছে সংস্থাটি। পাশাপাশি পিডিবি খুচরা গ্রাহকদের জন্য ইউনিট প্রতি বিদ্যুৎ বিতরণের মাশুল ২১ শতাংশ বাড়াতে বলেছে। বর্তমানে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের জন্য ৮৫ পয়সা বিতরণ মাশুল আদায় করে পিডিবি। ২১ শতাংশ বাড়ালে তা এক টাকা পাঁচ পয়সা হবে।

প্রস্তাবনায় বলা হয়, 'পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ও সঞ্চালন মাশুল (হুইলিং চার্জ) বাড়লে তা 'পাস থ্রো' পদ্ধতিতে সমন্বয় করতে হবে।' পাশাপাশি বিদ্যুতের ডিমান্ড চার্জও বাড়াতে হবে।

গণশুনানিতে ক্যাবসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা অংশ নিচ্ছেন। শুনানি পর্বের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন ডিপিডিসির চেয়ারম্যান বিকাশ দেওয়ানসহ অন্যান্য সদস্য এবং বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের উপ-ব্যবস্থাপক (ট্যারিফ) কামরুজ্জামান। ডিপিডিসি ২০২০ সালের জানুয়ারি-ডিসেম্বর বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যয় কিলোওয়াট ঘণ্টাপ্রতি ১.২৪ টাকা করার প্রস্তাব করেছে। অপরদিকে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) কারিগরি মূল্যায়ন কমিটি ০.৮৭ টাকা করার কথা বলেছে। এর আগে ২০১৭ সালে প্রদত্ত মূল্যহারে বিদ্যুতের নিট বিতরণ ব্যয় ছিল ০.৮৩ টাকা। ডিপিডিসির এ প্রস্তাবনার ফলে বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যয় ৪৯ শতাংশ বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হলো আজ। বিদ্যুতের বিতরণ ব্যয় বৃদ্ধির কারণ হিসাবে ডিপিডিসি উল্লেখ করে, অপচয় ও সম্পদের পরিবৃদ্ধি; জনবল, পরিচালন ও রক্ষণাবেক্ষণ এবং আর্থিক ব্যয় বৃদ্ধির কথা তুলে ধরে তারা।

গণশুনানিতে জুরি বোর্ডের দায়িত্ব পালন করেন বিইআরসির চেয়ারম্যান মনোয়ার ইসলাম। এছাড়াও কমিশনের সদস্য রহমান মুর্শেদ, মিজানুর রহমান এবং মাহমুদউল হক ভুঁইয়া ছিলেন।

বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির গণশুনানিতে জেরা পর্বে অংশগ্রহণ করেন বাংলাদেশ কনজ্যুমার এসোসিয়েশনের (ক্যাব) সভাপতি অধ্যাপক শামসুল আলম, অধ্যাপক নুরুল ইসলাম, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, সিকিউরিটি সার্ভিস ওনার্স এসোসিয়েশনের মহাসচিব শাহানুর সরকার, বাংলাদেশ মোবিইল ফোনের গ্রাহক এসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীজুলাই - ১৪
ফজর৩:৫৩
যোহর১২:০৪
আসর৪:৪৪
মাগরিব৬:৫১
এশা৮:১৪
সূর্যোদয় - ৫:১৯সূর্যাস্ত - ০৬:৪৬
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
১৫৫৯০.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.