নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, মঙ্গলবার ৩ ডিসেম্বর ২০১৯, ১৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ৫ রবিউস সানি ১৪৪১
বিজয়ের মাস ডিসেম্বর
স্টাফ রিপোর্টার
মহান বিজয়ের মাস ডিসেম্বরের তৃতীয় দিন আজ মঙ্গলবার। দীর্ঘ দু'যুগের শোষিত-বঞ্চিত মানুষগুলোর একটাই আকুতি ছিল পাকিস্তান কেন্দ্রীয় সরকারের স্বার্থপরতা ও একচোখা নীতি থেকে মুক্তি পাওয়া। একাত্তরের এদিন থেকেই মূলত স্বাধীনতা যুদ্ধের চূড়ান্ত প্রক্রিয়া শুরু হয়। পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী মুক্তিসেনাদের সাথে যোগ হয় ভারতীয় মিত্রবাহিনীর শক্তি ও কৌশল। সেই যুদ্ধ ক্রমেই সম্মুখ যুদ্ধের আকারে ছড়িয়ে পড়ে।

বিজয়ের এ মাসেই রক্তস্নাত জনযুদ্ধের মাধ্যমে সাতান্ন হাজার বর্গমাইল আয়তনের স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়। স্বাধীনতা যে কোনো ব্যক্তির, জাতির পরম আকাঙ্ক্ষার বিষয় ও গর্বের ধন। স্বাধীন না হলে একটি জাতির স্বাতন্ত্র্য ও কৃষ্টি বিপন্ন হয়ে পড়ে। এর ফলে পরাধীন জনগোষ্ঠীকে রাজনৈতিকভাবে নিপীড়িত, অর্থনৈতিকভাবে শোষিত এবং সাংস্কৃতিকভাবে অপমানিত হতে হয়। যেমনটা হতে হয়েছিল তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানিদের। মফিদুল হক তার 'জেনোসাইড নিছক গণহত্যা নয়' শীর্ষক গ্রন্থে বর্ণনা করেন, ৩ ডিসেম্বর ভারত-পাক যুদ্ধ শুরু হলে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ তীব্রতা অর্জন করতে থাকে। মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে যোগ দেয় ভারতীয় বাহিনী এবং জলে-স্থলে-অন্তরীক্ষে শুরু হয় সর্বাত্মক যুদ্ধ। এই সম্মিলিত আক্রমণ প্রতিরোধে নিয়াজীর যুদ্ধ-পরিকল্পনা ছিল খুবই দুর্বল। পাকিস্তানিরা অস্থির হয়ে ছিল মুক্তিবাহিনীর সাফল্যের ভয়ে। কোনো বিস্তীর্ণ এলাকা দখল করে মুক্তাঞ্চল প্রতিষ্ঠা করলে বাংলাদেশের সঙ্গে বিশ্বব্যাপী সংহতি আরো বাড়বে এবং প্রবাসে গঠিত বাংলাদেশ সরকার স্বীকৃত হয়ে উঠবে- এটা ছিল পাকিস্তানিদের আশঙ্কা। তাই তারা ছড়িয়েছিল গোটা সীমান্তজুড়ে। আর ছড়ানো-ছিটানো এসব পাকবাহিনীকে পাশ কাটিয়ে তাদের বিচ্ছিন্ন করে এগোবার পন্থা অবলম্বন করেছিল ভারতীয় বাহিনী। বাংলাদেশ যুদ্ধের ময়দানে 'বীরত্বের' খেলাটি জমে উঠলো ৩ ডিসেম্বরের পর থেকে। একে একে পাকবাহিনীর ঘাঁটিগুলোর পতন হতে থাকে এবং পশ্চাদপসারণরত পাকবাহিনী সাধারণ বাঙালিদের ঘৃণা ও প্রতিরোধের মুখোমুখি হতে থাকে।
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীজানুয়ারী - ১৯
ফজর৫:২৩
যোহর১২:১০
আসর৪:০০
মাগরিব৫:৩৯
এশা৬:৫৫
সূর্যোদয় - ৬:৪২সূর্যাস্ত - ০৫:৩৪
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৭৩১৫.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.