নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, বৃহস্পতিবার ৬ ডিসেম্বর ২০১৮, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ২৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪০
জনশক্তি রফতানিতে গুরুত্ব দিন
কর্মসংস্থানের সুযোগ কম থাকায় বেকার তরুণদের একটি বড় অংশ বিদেশে পাড়ি জমাতে চায়। তাদের একটি প্রধান গন্তব্য হচ্ছে মালয়েশিয়া। আর এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে দুই দেশেই গড়ে উঠেছে কিছু অসৎ ব্যক্তির সিন্ডিকেট। তারা সহজ-সরল তরুণদের সঙ্গে প্রতারণা করে তাদের সর্বস্ব কেড়ে নিচ্ছে কিংবা তাদের জীবন ঝুঁকিতে ফেলে দিচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় নিকট অতীতে থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়ার জঙ্গলে অনেক গণকবর আবিষ্কৃত হয়েছে। এই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য দুই দেশের সরকার আলাপ-আলোচনার ভিত্তিতে কিছু নিয়ম-কানুন তৈরি করে এবং সরকার থেকে সরকার (জিটুজি) পদ্ধতিতে শ্রমিক রফতানির সিদ্ধান্ত নেয়। বাংলাদেশ থেকে একজন শ্রমিক পাঠাতে ব্যয় নির্ধারণ করা হয় ৩৫ হাজার টাকা। কিন্তু এখানেও গড়ে ওঠে সিন্ডিকেট। জানা যায়, সরকার যে ১০টি এজেন্সিকে রিক্রুটের দায়িত্ব দিয়েছে তারা নিয়ম মেনে কাজ করছে না। প্রত্যেক শ্রমিকের কাছ থেকে নির্ধারিত খরচের অতিরিক্ত তিন-চার লাখ টাকা আদায় করা হচ্ছে। তার পরও শ্রমিকদের ঠিকমতো পাঠানো হচ্ছে না। এসংক্রান্ত সর্বশেষ খবর হচ্ছে, সব টাকা-পয়সা নেয়ার পরও নির্ধারিত সময়ে অর্থাৎ ৩০ নভেম্বরের মধ্যে ২৫ হাজার শ্রমিককে পাঠানো যায়নি। এখন এই ২৫ হাজার শ্রমিকের ভাগ্য পুরোপুরি অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

মালয়েশিয়ায় আগেও শ্রমিক পাঠানো নিয়ে অনেক জটিলতা হয়েছে। মালয়েশিয়া শ্রমিক নেয়া বন্ধও করে দিয়েছিল। অনেক আলাপ-আলোচনার পর রফতানি ফের চালু হলেও নানা ধরনের অনিয়মের অভিযোগ থেকেই যাচ্ছে। জনশক্তি রফতানির মতো এত গুরুত্বপূর্ণ একটি ক্ষেত্রকে আমরা সঠিক পথে চালিত করতে পারছি না কেন? যতদূর জানা যায়, মালয়েশিয়ায়ই সামপ্রতিক সময়ে বেকারত্বের হার বেড়েছে। তাই কত দিন তারা বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নেবে বলা কঠিন। এরইমধ্যে আমরা যুদ্ধ, তেলের দরপতন, অর্থনৈতিক মন্দাসহ নানা কারণে মধ্যপ্রাচ্যের অনেক বাজার হারিয়েছি। অনেক দেশে শ্রমিক নেয়ার সংখ্যা কমেছে। এসব ক্ষেত্রে যেখানে যেটুকু সুযোগ তৈরি হয়, তার সর্বোত্তম সদ্ব্যবহার করাটাই ছিল আমাদের কর্তব্য। কিন্তু বাস্তবে আমরা ভিন্ন চিত্রই দেখতে পাচ্ছি। কেন ২৫ হাজার শ্রমিক নির্ধারিত তারিখে মালয়েশিয়ায় যেতে পারেনি, তার কারণ অনুসন্ধান করতে হবে। এতে যদি কারো গাফিলতির বা অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

আমরা মনে করি, দুই দেশের সরকারের মধ্যে যখন কোনো চুক্তি হয়, তখন দুটি দেশেরই উচিত সেই চুক্তির শর্তগুলো মেনে চলা। এই ২৫ হাজার শ্রমিক যেতে না পারার জন্য কোন পক্ষের কতটুকু গাফিলতি ছিল তা খতিয়ে দেখে আলাপ-আলোচনার ভিত্তিতে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে।
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীনভেম্বর - ১৭
ফজর৫:১৩
যোহর১১:৫৫
আসর৩:৩৯
মাগরিব৫:১৮
এশা৬:৩৬
সূর্যোদয় - ৬:৩৪সূর্যাস্ত - ০৫:১৩
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
২৫৪৮.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.