নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, বৃহস্পতিবার ৭ ডিসেম্বর ২০১৭, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৪, ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯
অসহায় হয়ে পড়েছে এক কিশোরী মাতা মোর্শেদা
শেরপুর থেকে জিএইচ হান্নান
শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলার দোহালিয়া গ্রামের নিভৃত পল্লীর স্কুল পড়ুয়া শিক্ষার্থী কিশোরী মোর্শেদা (১১) ধর্ষণের পর গর্ভবর্তী অতঃপর গত রোববার শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে এক কন্যা সন্তান প্রসব করে এখন বিপাকে পড়েছে। এমন ঘটনায় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে আগন্তক সদ্যজাত শিশুর দায়িত্ব নেবে কে? মোর্শেদার পরিবার ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি একই গ্রামের প্রতিবেশী লম্পট যুবক মিঠু মিয়া মোর্শেদাকে অপরহণ করে নিয়ে বিভিন্নস্থানে রেখে ধর্ষণ করে। এর ফলে কিশোরী মোর্শেদা গর্ভবর্তী হয়ে পড়ে। পরে মোর্শেদার দরিদ্র বাবা মোখলেছুর রহমান ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ইং তারিখে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে ঐ লম্পট ধর্ষক মিঠু মিয়াকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। পরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের নির্দেশে নালিতাবাড়ীর থানার পুলিশ দায় সারা প্রতিবেদন দাখিল করলেও দীর্ঘদিনও ধর্ষিতা ভিকটিমকে উদ্ধার করতে পারেনি। পরবর্তীতে লম্পট ধর্ষক মিঠু মিয়া ধর্ষিতা মোর্শেদাকে তাদের বাড়ির কাছে ফেলে রেখে যায়। এদিকে দরিদ্র বাবা মোখলেছুর রহমান ধর্ষিতা কন্যাকে নিয়ে বিপাকে পড়ে যায় এবং মামলা পরিচালনার সমর্থও হারিয়ে ফেলে। এক পর্যায়ে বিচারের প্রত্যাশায় ঐ দরিদ্র মোখলেছুর রহমান মানবাধিকার কর্মী এড. আলমগীর কিবরিয়া কামরুলের কাছে যান। পরে এড. কামরুল বিস্তারিত অবগত হয়ে ধর্ষিত মোর্শেদাকে বিনামূল্যে আইনি সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন। সেই সাথে ধর্ষণের শিকার গভবর্তী মোর্শেদাকে নিজ খরচায় স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা করান। পরে ২৬ নভেম্বর গভবর্তী মোর্শেদা শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে একটি কন্যা সন্তান প্রসব করে এবং হয়ে যায় কিশোরী মাতা। পরদিন ২৭ নভেম্বর কিশোরী মাতা মোর্শেদা সদ্য প্রসব করা নবজাতক কে সাথে নিয়ে শেরপুরের বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দম ট্রাইব্যুনালের বিচারক মসলেহ উদ্দিন মিয়ার আদালতে ন্যায় বিচার পেতে দারস্থ হয়। পরে ট্রাইব্যুনালের বিজ্ঞ বিচারক সার্বিক শুনানি শেষে ঐ লম্পট ধর্ষক মিঠু মিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোনার আদেশ দেন। ধর্ষিতা ও কিশোরী মাতা মোর্শেদার পরিবার এ প্রতিনিধিকে জানান, এড. আলমগীর কিবরিয়া কামরুলের আর্থিক সহায়তায় মোর্শেদার সন্তান প্রসবসহ চিকিৎসা সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়াও জেলা সমাজসেবা কর্তৃপক্ষ ওষুধপত্র দিয়েও সহায়তা করেছেন।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত