নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, শুক্রবার ৭ ডিসেম্বর ২০১৮, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ২৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪০
কক্সবাজারবাসীর ট্রেনযাত্রার স্বপ্ন পূরণ ২০২২ সালে
প্রকল্পের কাজ ১৫ ভাগ শেষ
পটিয়া (চট্টগ্রাম) থেকে সেলিম চৌধুরী
বিশ্বের দীর্ঘতম নয়নাভিরাম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারবাসীর ট্রেনযাত্রার স্বপ্নপূরণ ২০২২ সালে হতে যাচ্ছে। এর মধ্যে প্রকল্পের কাজ ১৫ ভাগ শেষ হয়েছে। এ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ১৫ হাজার ৪৭৬ কোটি টাকা। চারপাশে সবুজের সমারোহ। কখনও দুই গ্রামের মাঝখানে আবার কখনও দুই পাহাড়ের মধ্য দিয়ে চলছে ট্রেন। চোখ ধাঁধানো এসব মনোরম দৃশ্য দেখা যাবে ট্রেনে বসেই। থাকবে সাজানো-গোছানো রেলওয়ে স্টেশনও।

চট্টগ্রাম থেকে কঙ্বাজার রেল প্রকল্পের ভিডিও গ্রাফিকসে এমন চিত্রই তুলে ধরা হয়েছে। প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্যের ওপর ভিত্তি করে সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, চকরিয়া, ডুলাহাজারা, রামু, ঈদগাহ ও উখিয়ার রেল স্টেশনের নকশা তৈরি করা হয়েছে ঐ ভিডিও চিত্রে।

কক্সবাজারবাসীর এই স্বপ্নের ট্রেনযাত্রা বাস্তবায়ন হচ্ছে ২০২২ সালের মধ্যে। ইতোমধ্যে প্রকল্পের কাজ ১৫ ভাগ শেষও হয়েছে। আর কঙ্বাজার অংশে শেষ হয়েছে ১৭ ভাগ। রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দোহাজারী থেকে কঙ্বাজার পর্যন্ত রেললাইন সম্প্রসারণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তরর স্থাপন করেন ২০১১ সালের ৩ এপ্রিল। এ প্রকল্পের আওতায় দোহাজারী থেকে রামু হয়ে কঙ্বাজার পর্যন্ত ১০০ কিলোমিটার এবং রামু থেকে ঘুনধুম পর্যন্ত ২৮ কিলোমিটার নতুন রেললাইন স্থাপন করার কথা ছিল।

কিন্তু মায়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে সৃষ্ট জটিলতার কারণে রামু থেকে ঘুনধুম পর্যন্ত প্রকল্পের কাজ এখন হচ্ছে না। পুরো প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছিল ১৮ হাজার ৩৪ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। এর মধ্যে দোহাজারী থেকে রামু হয়ে কঙ্বাজার পর্যন্ত প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয় ১৫ হাজার ৪৭৬ কোটি আর ঘুনধুম পর্যন্ত প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয় ২ হাজার ৫৫৮ কোটি টাকা।

চলতি বছরের জুলাইয়ে চীনের বৃহত্তম ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং কর্পোরেশন (সিআরইসি) ও দেশীয় তমা কন্সট্রাকশন কোম্পানি যৌথভাবে কাজ শুরু করে। এ প্রকল্পের কাজ ৩ বছরের মধ্যে শেষ করার নির্দেশনা আছে। চট্টগ্রাম ও কঙ্বাজার রেললাইন কল্পটি বাস্তবায়ন করতে চন্দনাইশে ১০ একর, সাতকানিয়ায় ১৭৬ একর, লোহাগাড়ায় ১৭৭ একর, চকরিয়ায় ৫১৪ একর, কঙ্বাজার সদরে ২১০ একর ও রামুতে ২৭৯ একরসহ মোট ১ হাজার ৩৬৬ একরের মধ্যে বন বিভাগের ১৬৫ একর ছাড়া বাকি সব জমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে চকরিয়ার ৫১৪ একর জমি চলতি মাসে পেলেও বন বিভাগ থেকে ১৬৫ একর জমি না পাওয়ায় পুরোদমে কাজ করতে পারছে না এ প্রকল্পের সংশ্লিষ্টরা। ভূমি অধিগ্রহণের কাজ পুরোপুরি সম্পন্ন হলেই রেলপথ ও অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণে অর্থ বরাদ্দ দিতে প্রস্তুত রয়েছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি)।

প্রকল্প পরিচালক মফিজুর রহমান বলেন, চলতি বছরের মার্চের দিকে বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও কাজ শুরু হয়। তবে জুলাই থেকে পুরোদমে কাজ এগিয়ে চলছে। চট্টগ্রাম থেকে রামু হয়ে কঙ্বাজার পর্যন্ত প্রকল্পের ১৫ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। তবে ঘুনধুম পর্যন্ত রেল লাইনের কাজ এখন হচ্ছে না। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ৩ বছরের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ হবে। বন বিভাগের জমি এখনও না পাওয়ায় তা বড় সমস্যা উল্লেখ করে তিনি বলেন, চলতি মাসে চকরিয়ায় জমি পেলেও বন বিভাগ থেকে ১৬৫ একর জমি এখনও পাইনি। ঐ জায়গাটা পেলে পুরোদমে প্রকল্পের কাজ চালিয়ে নেয়া যেত।
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীনভেম্বর - ১৭
ফজর৫:১৩
যোহর১১:৫৫
আসর৩:৩৯
মাগরিব৫:১৮
এশা৬:৩৬
সূর্যোদয় - ৬:৩৪সূর্যাস্ত - ০৫:১৩
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
২০৯০.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.