নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, শুক্রবার ৭ ডিসেম্বর ২০১৮, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ২৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪০
মীরসরাইয়ে আমনের বাম্পার ফলন
ন্যায্য দাম নিয়ে শঙ্কায় কৃষকরা
মীরসরাই (চট্টগ্রাম) থেকে আব্দুল মান্নান রানা
মীরসরাই উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলে শুরু হয়েছে উৎসবমুখর আমন ধান কাটা। ফলনও খুব ভালো। গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার বেশ ভালো ফলন হয়েছে আমনের। কিন্তু এখন ন্যায্য দাম নিয়েই শুধু শঙ্কা সর্বত্র। কৃষকরা উপযুক্ত মূল্য না পেলে তো কৃষি ব্যয় পুষিয়ে উঠতে পারবে না।

মীরসরাই উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায় এবার মীরসরাই উপজেলায় ২০ হাজার ৬শ হেক্টর জমিতে আমনের আবাদ হয়েছে। গত বছরের তুলনায় ২০০ হেক্টর বেশি। এবার লক্ষ্যমাত্রা ৮৩ হাজার ৪শ ৯৯ টন ধান। কৃষি বিভাগ আশা করছেন লক্ষ্যমাত্রা থেকে ও বেশি ধান কৃষকরা ঘরে তুলবেন। কারণ ভালো বৃষ্টি ও অনুকূল পরিবেশ বেশ আশাপ্রদ করেছে সবাইকে। আবার ধানের বাজার দর ও কম বলে স্বীকার করেছে কৃষি বিভাগ।

উপজেলা কৃষি সুপারভাইজার কাজী নুরুল আলম বলেন, এবার প্রতি আড়ি (৫ কেজি) ধান ১৮০ টাকা দাম এখন। গত বছর ছিল ২০০ থেকে ২৫০ টাকা। ইতোমধ্যে ধান কাটা শুরু হলে ও এখনো মাত্র ৫ শতাংশ ধান ঘরে উঠেছে বলে জানান কৃষি সুপারভাইজার।

মীরসরাই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বুলবুল আহমেদ বলেন, এবার আমনের ফলন খুব ভালো হয়েছে। ফাঁকে ফাঁকে কিছুটা বৃষ্টিপাতও হওয়ায় ক্ষতিকর পোকামাকড়ের উপদ্রব ছিল না। এতে করে ফলন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি পাওয়া যাচ্ছে। আমরা আশা করছি আমন আবাদের মতো ফলনেও এবার লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করবে। তবে ন্যায্য দামের বিষয়ে তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে সরকারি পর্যায় থেকে কোনো কর্মসূচি আছে কিনা আমরা এখনো জানি না। কৃষকদের জন্য সরকার হয়তো ভর্তুকীতে আমন সংগ্রহ করতে পারে।

এই বিষয়ে মীরসরাই উপজেলার মায়ানী ইউনিয়নের চাষি জসিম উদ্দিন বলেন, এবার আমাদের গ্রামের অনেক এলাকায় আমনের ভালো ফলন হয়েছে। কিন্তু আবুতোরাব বাজারে এখনো ধানের দাম নিম্নমুখী। পুরো মৌসুম আসা পর্যন্ত মূল্য না বাড়লে ঋণগ্রস্ত অনেক কৃষকের মুখে হাসি ফুটবে না। খৈয়াছরা ইউনিয়নের আমবাড়িয়া গ্রামের কৃষক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, দুই কানি জমিতে প্রায় ৬০ হাজার টাকা খরচ পড়ে গেছে আবাদে। এখন যদি ঘরের খোরাকি রেখে খরচের টাকার ধান ও বেচতে না পারি পরিবার নিয়ে আবার কষ্টে পড়তে হবে। সব মিলিয়ে উপজেলার কৃষকদের ঘরে ঘরে এখন নবান্নের আনন্দের প্রহরই অপেক্ষা করছে। সবাই পিঠাপুলির প্রস্তুতি নিচ্ছে। আশা করা যাচ্ছে দু-এক সপ্তাহের মধ্যেই উঠোনে উঠোনে ধান আর শীতের পিঠা পায়েশের ধুমে মত্ত হবে সবাই।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীনভেম্বর - ১৭
ফজর৫:১৩
যোহর১১:৫৫
আসর৩:৩৯
মাগরিব৫:১৮
এশা৬:৩৬
সূর্যোদয় - ৬:৩৪সূর্যাস্ত - ০৫:১৩
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
২১০১.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.