নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, শুক্রবার ৭ ডিসেম্বর ২০১৮, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ২৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪০
সরকারি কেন্দ্রের চেয়ে বেসরকারি খাতে বিদ্যুৎ উৎপাদন বেশি হচ্ছে
এফএনএস
দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সরকারি খাতের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোকে পেছনে ফেলে দিয়েছে বেসরকারি খাত। গত এক দশকে দেশে বিদ্যুৎ উত্পাদন ক্ষমতা প্রায় ৪ গুণ বেড়েছে। আর বেসরকারি খাতেই ওই বৃদ্ধির সিংহভাগই হয়েছে। বর্তমানে বেসরকারি খাতে দেশের মোট বিদ্যুৎ ক্ষমতার ৫৫ শতাংশ উৎপাদন হচ্ছে। ফলে দেশে লোডশেডিং কমার পাশাপাশি বিদ্যুৎ সেবার পরিধি বেড়েছে। একই সাথে বিদ্যুতের দামও বেড়েছে। বর্তমানে বিদ্যুৎ উৎপাদনের স্থাপিত ক্ষমতা ২০ হাজার ৩৪৩ মেগাওয়াট। ২০০৯ সালে ছিল ৪ হাজার ৯৪২ মেগাওয়াট। এখন বেসরকারি কেন্দ্রগুলোর স্থাপিত ক্ষমতা ১১ হাজার ৫৭ মেগাওয়াট। যা মোট ক্ষমতার ৫৪ দশমিক ৩৫ শতাংশ। তার মধ্যে ৩ হাজার মেগাওয়াট ক্যাপটিভ ও কয়েক মেগাওয়াটের সৌর বিদ্যুৎ রয়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগ এবং বিআইপিপিএ সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, চাহিদা অনুযায়ী দেশে এখন দৈনিক ১০ থেকে ১১ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। গত ১৯ সেপ্টেম্বর দেশে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উত্পাদনের রেকর্ড ১১ হাজার ৬২৩ মেগাওয়াট। আর গত ১০ বছরে বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীর সংখ্যা বেড়েছে ২ কোটিরও বেশি। ২০০৯ সালে বিদ্যুতের গ্রাহক সংখ্যা ছিল ১ কোটি ৮ লাখ। বর্তমানে তা ৩ কোটি ১২ লাখ ছাড়িয়েছে। ২০০৯ সালে দেশের মাত্র ৪৭ শতাংশ মানুষ বিদ্যুৎ সংযোগের আওতায় ছিল। এখন তা ৯০ শতাংশ ছাড়িয়েছে। ২০১৯ সালের মধ্যে শতভাগ বিদ্যুতায়নের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

সূত্র জানায়, বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তারা গত ১০ বছরে বিদ্যুৎ খাতে প্রায় এক লাখ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছেন। ২০৪০ সাল

নাগাদ আরো প্রায় সাড়ে ৪ লাখ কোটি টাকা (৫ হাজার কোটি ডলার) বিনিয়োগের উদ্যোগ রয়েছে। কারণ দেশে বিদ্যুতের চাহিদা দ্রুত মেটাতে বেসরকারি সরকার বিনিয়োগেই সমাধান চায়। আর তা অনেকটা হয়েছেও। সরকারের আহবানে যেমন বেসরকারি বিনিয়োগ বেড়েছে, তেমনি সরকারও নীতিসহায়তাসহ নানা ছাড় দিয়েছে। সরকারের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগেও (পিপিপি) বিপুল বিনিয়োগের পরিকল্পনা বেসরকারি খাতের রয়েছে। বিদ্যুৎ খাত মহাপরিকল্পনা ২০১৬ অনুযায়ী পিপিপির আওতায় ৫৫টি প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে। সেগুলোর মোট উৎপাদন ক্ষমতা হবে প্রায় ১২ হাজার মেগাওয়াট। বিদ্যুৎ খাতের কয়েকটি মেগা প্রকল্পেও বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সূত্র আরো জানায়, বিদ্যুৎ উন্নয়নে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণের ফলে অন্তত ১০ হাজার লোকের সরাসরি কর্মসংস্থান হয়েছে। আর অপ্রত্যক্ষ কর্মসংস্থান হয়েছে ৩ লাখেরও বেশি। ২০৪০ সাল নাগাদ বিদ্যুৎ খাতে সরাসরি প্রায় ৪০ হাজার এবং অপ্রত্যক্ষ ৪ লাখেরও বেশি কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে বেসরকারি খাতে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ইন্ডিপেন্ডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসারস্ অ্যাসোসিয়েশনের (বিআইপিপিএ) সভাপতি মুহম্মদ লতিফ খান জানান, সরকারি নীতি ও প্রশাসনের সহযোগিতার ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদনে বেসরকারি খাত এগিয়ে গেছে। এখন শুধু উৎপাদন নয়, বিতরণ-সঞ্চালনেও কাজ করার চিন্তা করছেন উদ্যোক্তারা।

অন্যদিকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ জানান, লোডশেডিং মোকাবেলা এবং শিল্পে বিদ্যুতের জোগান দেয়ার চাপ মোকাবেলায় বেসরকারি খাত সহযোগী হয়েছে। এখন বেসরকারি খাতের উৎপাদন ক্ষমতা বেড়ে গেছে। সুযোগ পেলে বেসরকারি খাত যে উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখতে পারে এটি বড় উদাহরণ। আর সরকারের বড় প্রকল্পগুলোর সুফলও শিগগিরই মিলবে।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীনভেম্বর - ১৭
ফজর৫:১৩
যোহর১১:৫৫
আসর৩:৩৯
মাগরিব৫:১৮
এশা৬:৩৬
সূর্যোদয় - ৬:৩৪সূর্যাস্ত - ০৫:১৩
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
২১১৮.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.