নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, বৃহস্পতিবার ১৪ ডিসেম্বর ২০১৭, ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪২৪, ২৪ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯
সুপ্র আয়োজিত সংলাপে বক্তারা
করকে প্রগতিশীল করাটা অনেক চ্যালেঞ্জ ও কষ্টকর
অর্থনৈতিক রিপোর্টার
যেখানে কর দিতে সবাই অনাগ্রহী সেখানে করকে প্রগতিশীল করাটা অনেক চ্যালেঞ্জ ও কষ্টকর জানিয়ে বক্তারা বলেছেন, কর ফাঁকির সুযোগ তৈরি হয় মূলত সিস্টেমের কারণে, নীতির কারণে নয়। এটা পলিসি ইস্যু নয়, বাস্তবায়নের সাথে সম্পৃক্ত। চ্যালেঞ্জ নেবার মতো সৎ ও দক্ষ কর্মকর্তাদের জন্য উপযুক্ত কর্মপরিবেশ তৈরি করে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা দরকার। নইলে আমরা সেভাবে এগোতে পারব না। গতকাল বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে বেসরকারি নাগরিক সংগঠনের জোট সুশাসনের জন্য প্রচারাভিযান-সুপ্র্র'র উদ্যোগে আয়োজিত 'এসডিজি

অর্জনে দরকার, প্রগতিশীল কর সংস্কার' শীর্ষক জাতীয় সংলাপে তারা এসব কথা বলেন।

সুপ্র সভাপতি এস. এম. হারুন অর রশীদ লাল-এর সভাপতিত্বে ও সুপ্র জাতীয় পরিষদ সদস্য আবদুল আউয়ালের সঞ্চালনায় সংলাপে উপস্থিত ছিলেন- অর্থ মন্ত্রণালয় ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এম, এ, মান্নান এমপি, জাতীয় পরিকল্পনা ও বাজেট সম্পর্কিত সংসদীয় ককাসের সহ-সভাপতি কাজী রোজী এমপি, সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধান এমপি, বিএনপি'র সাবেক সংসদ সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান ড. এম এ মজিদ, মূসক কমিশনার মো. মতিউর রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. এম আবু ইউসুফ, উইমেন চেম্বারের সভাপতি সেলিমা রহমান প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ সরকারের জাতীয় রাজস্ব সংগ্রহের প্রধান উৎস হল কর রাজস্ব। বর্তমান কর ব্যবস্থায় প্রত্যক্ষ কর আদায়ের আওতা ও হার সীমিত যা রিগ্রেসিভ। কোনোক্রমেই প্রগতিশীল নয়। আমাদের বিদ্যমান কর জিডিপির অনুপাতে আঞ্চলিক গড়ের থেকে কম। ২০১৬ অর্থবছরে যেখানে দক্ষিণ এশিয়ার গড় ১২ শতাংশ, সেখানে বাংলাদেশের কর জিডিপি অনুপাত ১০ দশমিক ৩ শতাংশ যা আরো অনেক বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। এক্ষেত্রে বৈশ্বিক সম্মানসূচক গড় ধরা হয় ১৬ শতাংশ। আমাদের বেশিরভাগ কর সংগ্রহ হচ্ছে মূলত মূসক দিয়ে যা একটি অপ্রত্যক্ষ কর। বাংলাদেশে বর্তমানে দ্রব্য এবং সেবার সব ক্ষেত্রেই ১৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপ করা হয়েছে যা নিত্যপ্রয়োজনীয় সকল সামগ্রীর উপর ধার্য্য আছে। সকল প্রান্তিক মানুষ এই করের আওতায়। সমাজের বিত্তবান জনগোষ্ঠী কর্তৃক আয় এবং সম্পদের উপর প্রদেয় প্রত্যক্ষ কর হার অপ্রত্যক্ষ করের থেকে অনেক নিচে।

তারা বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় অন্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর (মূসক) বা ভ্যাটের হার সবচেয়ে বেশি। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ কর পরোক্ষ কর অনুপাত বৈশ্বিক মানদ- অনুযায়ী অনেক কম। দক্ষিণ এশিয়ায় গড়ে দুই তৃতীয়াংশ কর অপ্রত্যক্ষ কর যা রিগ্রেসিভ এবং দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উপর ব্যাপক চাপ তৈরি করে। এটি প্রান্তিক মানুষের প্রতি অবিচার। বৈশ্বিক মানদ- অনুযায়ী কর অনুপাত সুসামঞ্জস্যপূর্ণ করার জন্য বিত্তবান মানুষের কাছ থেকে প্রত্যক্ষ কর বাড়িয়ে সুসামঞ্জস্য করা প্রয়োজন। দেশের মাত্র ১ শতাংশেরও কম মানুষ যথাযথভাবে আয়কর প্রদান করছে (ব্যক্তিশ্রেণীর করদাতা), যা কয়েকগুণ বৃদ্ধি করা সম্ভব।

তারা আরো বলেন, স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে শতভাগ দুর্নীতিমুক্ত হওয়া প্রয়োজন যা কর ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠার জন্য আবশ্যক। সেই সঙ্গে কর্পোরেট কর ফাঁকি বন্ধে সরকারের পক্ষ থেকে আইন সংস্কারের মাধ্যমে বিদেশি কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে রয়ালিটি সংগ্রহের উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন। বিশেষ করে এদেশ থেকে পাচার হওয়া সকল অর্থ উদ্ধারের ক্ষেত্রে সরকারকে শক্তিশালী লবি শুরু করা দরকার।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীনভেম্বর - ১০
ফজর৫:০৮
যোহর১১:৫১
আসর৩:৩৭
মাগরিব৫:১৬
এশা৬:৩৩
সূর্যোদয় - ৬:২৯সূর্যাস্ত - ০৫:১১
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
১১৫৩২.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.