নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, বৃহস্পতিবার ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ২১ মাঘ ১৪২৭, ২১ জমাদিউস সানি ১৪৪২
নুসরাতের ভিডিও ছড়ানো ওসি মোয়াজ্জেমের জামিন আবেদন হাইকোর্টে
স্টাফ রিপোর্টার
অগি্ন সন্ত্রাসে প্রাণ হারানো ফেনীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফীর জবানবন্দি ভিডিও করে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়ায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় দ-িত সোনাগাজী থানার সাবেক ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন জামিনের জন্য হাইকোর্টে আবেদন করেছেন। এ আবেদনের ওপর শুনানি তিনমাসের জন্য মূলতবি করেছেন হাইকোর্ট। গতকাল বিচারপতি মো. হাবিবুল গণি ও বিচারপতি মো. রিয়াজ উদ্দিন খানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। মোয়াজ্জেম হোসেনের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন মুরাদ রেজা ও ব্যারিস্টার রেদওয়ান আহমেদ রানজীব। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল রেজাউল করিম।

শুনানিতে মোয়াজ্জেম হোসেনের আইনজীবী মুরাদ রেজা আদালতে বলেন, মোয়াজ্জেম হোসেন ওই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করেনি। ওই ভিডিওটি ওসির মোবাইল থেকে নিয়ে একজন সাংবাদিক প্রকাশ করেছে। তাই এক্ষেত্রে ওসি কোনো অপরাধ করেননি। যদি অপরাধ হয় তাহলে সেটা করেছে ওই সাংবাদিক। কারণ সাংবাদিক ভিডিওটা প্রকাশ করেছে। এ সময় আদালত বলেন, সাংবাদিককে সুযোগ করে দিলে সে তো তথ্য প্রকাশ করবেই। সাংবাদিকের কাজই হলো তথ্য প্রকাশ করা। সাংবাদিকের অনুসন্ধিৎসু মন তথ্য তো খুঁজবেই, এতে অপরাধের কিছু দেখছি না। আদালত বলেন, একজন ওসি একটি থানার দায়িত্বশীল কর্মকর্তা। তিনি কেন ব্যক্তিগত মোবাইলে ভিডিও ধারণ করবেন? ওই ভিডিও ধারণ করাটাকেই অপরাধ মনে করছি। আর বিচারিক আদালত তো এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়েই সাজার রায় দিয়েছেন। ফেনীর সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ-উদ-দৌলার বিরুদ্ধে ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে তার মা ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ থানায় অভিযোগ দাখিল করেন। এরপর ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন নুসরাতকে থানায় ডেকে নিয়ে তার জবানবন্দী রেকর্ড করেন। পরে তা ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ে। এ অবস্থায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন ঢাকার সাইবার ক্রাইম ট্রাইব্যুনালে ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে ওই বছরের ১৫ এপ্রিল মামলা করেন। এ মামলায় ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৮ নভেম্বর দুটি ধারায় মোয়াজ্জেম হোসেনকে আট বছরের কারাদ- ১০ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদ- দেয়া হয়। এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করলে হাইকোর্ট ২০২০ সালের ১৮ আগস্ট তার আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেন। এ অবস্থায় মোয়াজ্জেম হোসেন জামিন আবেদন করেন।

২০১৯ সালের ৬ এপ্রিল নুসরাতের গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়। এরপর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওইবছরের ১০ এপ্রিল মারা যান নুসরাত। এ ঘটনায় করা মামলায় বিচার শেষে ওইবছরের ২৪ অক্টোবর মাদ্রাসার অধ্যক্ষসহ ১৬জনকেই মৃত্যুদ- দেয় ফেনীর আদালত। এসব আসামির বিরুদ্ধে ফাঁসির রায় অনুমোদনের জন্য পাঠানো ডেথ রেফারেন্স এবং সাজার বিরুদ্ধে আসামিদের আপিল হাইকোর্টে বিচারাধীন।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীঅক্টোবর - ২০
ফজর৪:৪২
যোহর১১:৪৪
আসর৩:৫১
মাগরিব৫:৩২
এশা৬:৪৪
সূর্যোদয় - ৫:৫৮সূর্যাস্ত - ০৫:২৭
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
২১১৬৬.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.